Category: গল্প

posologie prednisolone 20mg zentiva

বিবর্ণ ব্যাথা

রওমি বুকের মধ্যে চেপে বসা দুঃখটার কোনো সন্তোষজনক কারণ খুঁজে পায় না। এত্তো কষ্ট হচ্ছে যে রোজার ধকল পর্যন্ত তার কাছে কিছু মনে হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে তার এমন কষ্ট পাওয়ার স্পর্শকাতর সময় গুলো আসে, প্রায়ই কারণহীন। কিংবা কারণ হিসেবে তখন যা দৃশ্যমান হয় তাতে কষ্ট পাওয়ার কথা মানুষ জানলে হাসবে, এমনি ঠুনকো, এমনকি ওই জন্যে এর পূর্বে ও পশ্চাতে কষ্ট পাওয়ার ঘটনা আর ঘটে না। একবার একটা অপরিচিত এক মেয়ের ছবিতে হাসিবের সামান্য একটা কমেন্ট দেখে তার বুক ভেঙে স্তব্ধতা নেমেছিল, কাউকে বলেনি, এমন কথা বলা যায়না কাউকে। কিজানি নিঝুম হয়তো বলে বসতো ভালোবাসিস বলে কি সিন্দুকে পুরে রাখতে...

acne doxycycline dosage

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: সিন্স-৫২

দীর্ঘ আটাশ ঘণ্টা অমানুষিক পরিশ্রমের পর ক্লান্ত হয়ে টেবিলে যখন মাথা রেখেছি তখন সকাল হয় হয় অবস্থা। তার পরের প্রায় পুরো একটা দিন মরার মতো ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়েছি। এত পরিশ্রমের বদলা শরীর সুদে-আসলে তুলে নিতে এতটুকুও ভুল করল না। দিনকে দিন লিকলিকে হয়ে গেছি, টোপা টোপা কালি পড়েছে চোখের নিচে। ঘুম ভেঙে গেলে দেখি বিশাল গবেষণাগারের দূরের এক কোণার ডেস্কের টেবিল-ল্যাম্পটি নীল আলো ছড়িয়ে ক্ষীণভাবে জ্বলছে। চট করে বুঝতে খানিকটা অসুবিধা হল, এত রাতে কে কাজ করতে পারে। খানিকটা সময় লাগে ধাতস্থ হতে। ঘুমের ভাবটা ধীরে ধীরে কেটে যেতেই দেখতে পেলাম ড. নাহিদ আদনান কোণার ঐ ডেস্কে বসে এখনো কাজ...

চক্র

খুবই বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙে গেল। এত রাতে ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক। খুবই স্বাভাবিক। চারপাশে সব অপরিচিত। কোথায় ঘুমাইলাম আজ? নতুন জায়গায় ঘুমালে কিছুক্ষণ সময় লাগে কোথায় আছি বুঝতে। কিন্তু এ জায়গাটা কোথায়? আমি এখানে আসার ইতিহাস কী?   কোথায় যেন খুটখুট শব্দ হচ্ছে। শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘুম ভাঙিয়েই বন্ধ হতে হবে? আবার ঘুমানোর চেষ্টা করব? নাকি কোথায় আছি বুঝব? শব্দ হচ্ছিল কোথায় দেখব?   আরাম আর কৌতুহলের যুদ্ধে আরাম আত্মসমর্পণ করল। বিছানা ছেড়ে নামলাম। সত্যিই এ জায়গা অপরিচিত। কখনও আসিনি এখানে। সুইচবোর্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছি। দরজার পাশে পেয়ে গেলাম। সুইচ দিতেই আলোয় প্রায় অন্ধ হয়ে গেলাম। চোখে আলো...

চক্র

খুবই বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙে গেল। এত রাতে ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক। খুবই স্বাভাবিক। চারপাশে সব অপরিচিত। কোথায় ঘুমাইলাম আজ? নতুন জায়গায় ঘুমালে কিছুক্ষণ সময় লাগে কোথায় আছি বুঝতে। কিন্তু এ জায়গাটা কোথায়? আমি এখানে আসার ইতিহাস কী? কোথায় যেন খুটখুট শব্দ হচ্ছে। শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘুম ভাঙিয়েই বন্ধ হতে হবে? আবার ঘুমানোর চেষ্টা করব? নাকি কোথায় আছি বুঝব? শব্দ হচ্ছিল কোথায় দেখব? আরাম আর কৌতুহলের যুদ্ধে আরাম আত্মসমর্পণ করল। বিছানা ছেড়ে নামলাম। সত্যিই এ জায়গা অপরিচিত। কখনও আসিনি এখানে। সুইচবোর্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছি। দরজার পাশে পেয়ে গেলাম। সুইচ দিতেই আলোয় প্রায় অন্ধ হয়ে গেলাম। চোখে আলো সয়ে আসতে... puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

কৃষ্ণচূড়া

ফাহিম , একটি বিখ্যাত দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীর সম্পাদক । অনেক নামকরা লেখকের গল্প, কবিতা ওর হাত দিয়ে প্রকাশিত হয় । তাছাড়া ফাহিম নিজেও মাঝেমাঝে গল্প লেখে । সেগুলোও বেশ জনপ্রিয় পাঠকমহলে । ওর ভক্তের সংখ্যাও নিতান্ত কম নয় । ফাহিম কিছুটা অহংকারী, মানুষের সাথে আলাদা ফর্মালিটি রেখে কথা বলে । কাউকে অপছন্দ হলে তাকে অপমান করতেও ছাড়ে না । সুস্মি , একটি সাধারণ মেয়ে । প্রেমের গল্প লিখতে ভালোবাসে । প্রেম, ভালোবাসা ইত্যাদি নিয়ে ওর অনেক আগ্রহ । ভবিষ্যতে অনেক বড় লেখক হবার স্বপ্ন দেখে সুস্মি । স্বভাবের দিক থেকে একদমই নরম, কারো সাথে উঁচু গলায় কথা পর্যন্ত বলে...

অত:পর মর্গ

শার্টটা রক্তে ভেজা। ঝর্ণার জলে রক্ত ধুয়ে সারা বাথরুম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। হাতে এখনও রক্তের দআগ লেগে আছে। টাটকা দেখাচ্ছে। শুভ দেয়ালে হেলান দিয়ে, টাংস্টেনের বাতির দিকে তাকিয়ে, বাথরুমে ঝর্ণার নিচে বসা। কিছুক্ষণ, কিছুদিন আগের ঘটনা যেন ফ্ল্যাশ ব্যক হচ্ছে চোখে সামনে। নীল ছেলেটা বেশ দুরন্ত। নীলের দুরন্তপনা তার চিন্তা-চেতনা-কাজকর্ম সবটা জুড়েই। আম কাঠাঁল কিংবা পেয়ারা গাছের মগ ডালে যেমন উঠেছে তেমনই খাল সাতরে পেরিয়েছে বহুবার। ভাল ছাত্র, পড়ালিখার সুবাদে ঢাকায় থাকা। ২০১৩ সাল বাঙ্গালীর বাঙ্গালিত্বের জাগরণ, পরিচিত হয় ‘ব্লগ’ শব্দটির সাথে। শুধু কি পরিচয়! ব্লগ হয়ে যায় অবসর কাটানোর জায়গা, প্রতিবাদের মঞ্চ আর তার মনের স্বপ্ন গুলো লিখবার ডায়েরি।...

গন্ধ: সম্পর্ক

“ছেলে.. যেখানেই যাও, হোক দূরত্ব অসীম.. পথের শেষে আমিই থাকব! আমার গন্ধই পাবে তুমি! আমাকেই দেখবে আবার, নতুন কোন সম্পর্কে….”   কে যেন একঘেয়ে স্বরে আবৃত্তি করছে কবিতাটা। মেয়েলী সেই কন্ঠস্বরে তাড়া নেই। নেই আবেগ কিংবা উত্তাপ। সেখানে ভয়াবহ নির্লিপ্ততা। আলো আঁধারির মাঝে ঘরের দেয়ালটায় লম্বাটে ছায়া পড়েছে কারো। কোন এক নারীর। সেই ছায়ামূর্তি মাথা দোলাচ্ছে। তার মাথায় লম্বা চুল। সেগুলো নড়ছে বাতাসে। এলোমেলো ভাবে। সেই সাথে ছায়াটা লম্বা হচ্ছে… হচ্ছে… আবৃত্তির শব্দ এখন আরও জোরালো। তীক্ষ্মস্বরে উচ্চারিত প্রতিটা শব্দ সরাসরি মস্তিষ্কে আঘাত করছে যেন! বাতাসে অদ্ভুত একটা গন্ধ ভেসে আসছে হঠাৎ। কর্পূরের গন্ধের মতো। নাকী লোবানের? কড়া। দম আটকানো।...

আগন্তুক

বৃষ্টি মাথায় বাইরে এসেছি সৎ উদ্দেশ্যে। একগাদা ঔষধ ও কিছু মুদি বাজারের স্লিপ হাতে নিয়ে অসহায় মনে হচ্ছে নিজেকে। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি। রাস্তা পারাপারে সাবধান হওয়ার প্রতি ঘর থেকে কড়া নির্দেশ আছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে আমার বিশেষ সুযোগ সুবিধা আছে। তবে হতাশার ব্যাপার হচ্ছে এই সুযোগটা মাঝে মাঝে দায়িত্বে পরিণত হয়। এবং সমীহ আদায় করার জন্যে দায়িত্বটা বিরক্তি সহকারে পালন করতে বাধ্য আমি। এরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জানিয়ে বিরক্তিটা আরো বাড়িয়ে দেয়াহয়। সবশেষে আমার মিথ্যে বলার পালা। নির্মিলিত চোখে বলতে হয়, আরে এ তো আমার দায়িত্ব। বাড়ির সবাই ভয় পায় আমাকে। হয়তো সম্মানও করে।...

cialis new c 100

জীবন ও মধ্যবিত্ত বাস্তবতা

শিকারী ঈগলের মত আমার সমস্ত দেহ টানটান হয়ে উঠলো। সামনে সংকীর্ণ দূরত্বকেও সুবিশাল সাহারা মরুভূমি মনে হতে লাগলো। আমি কি পারবো? তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আবার তাকালাম। উঁহু। পারতে হবে। সমস্ত শরীরের শক্তি দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে দৌড় শুরু করলাম। কপাল থেকে কয়েকফোঁটা ঘাম ছুটে এসে মাটিতে পড়লো এবং ধূলো ভিজিয়ে জমাট করে দিলো। শেষ মুহূর্তে যখনই ধরে নিয়েছি পারবোনা, তখনই সশব্দে আঘাত করলাম। লোকাল বাসটি থামলো। আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বাসে উঠে এলাম। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে আমার এই কঠিন পরিশ্রমের কোনো সমীহ পেলাম না। কী আশ্চর্য। কেউই আমাকে বাহবা দিচ্ছেনা। সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত। আমি মেনে নিতে পারছিলাম না। অন্তত কেউ তো আমার...

বোহেমিয়ান র‍্যাপশডি

প্রথমে একটা ত্রিভূজ আঁকুন। ABC. কোণ A এর মান এক সমকোণ। এই কৌণিক বিন্দুতে একটা মেয়েকে বসান। B ও C বিন্দুতে দুইটা ছেলেকে বসালেই আমরা পেয়ে যাবো কাঙ্খিত পীথাগোরাস। উপপাদ্য লিখে যদি আমরা একটা আস্ত গল্প পয়দা করতে যাই, প্রথমেই আমাদের কিছু সঙ্গা জেনে রাখা আবশ্যক। সেগুলো জেনে রাখলে গল্প পাঠে সবার সুবিধা হওয়ার কথা। প্রশ্নঃ হৃৎপিন্ড কাকে বলে? উত্তরঃ অবাধ্য ফ্যাক্টরি যেখানে সর্বদা ইট ভাঙার কাজ চলে তাকে হৃৎপিন্ড বলে। প্রশ্নঃ চোখ কাকে বলে? উত্তরঃ যে গোলকটি দেখেও না দেখার ভান করে থাকে তাকে চোখ বলে। প্রশ্নঃ কান কাকে বলে? উত্তরঃ যে পর্দা বিশিষ্ট শ্রবণাঙ্গ শুনেও না শুনার ভান...

জীবন ও যৌবন – এক অতৃপ্ত গল্পকথা

সেদিন ঊর্মিলার বারান্দার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তাকে দেখার জন্যে মন খুব হাস-ফাস করতো। ঊর্মিলা মেয়েটা ভারী সুন্দরী। বয়স ২৩ বছর। গায়ের রং ফর্সা। দেহের গড়ন ভারী অদ্ভূত সুন্দর। টানাটানা চোখ, খাড়া নাক, কামরূপী ঠোঁট, উঁচু স্তন, কোমরে পাকা কুমড়ার গড়ন আর বেশ চোখ ছানাবড়া করে দেওয়ার মতো অতিকায় বিশাল নিতম্ব। দেখে কোন পুরুষের অতৃপ্ত বাসনা মুহূর্তেই জেগে উঠতে পারে। ঊর্মিলা আমার চেয়ে বয়সে বছর তিনেক বড়। আমাদের বাড়ির পাশের বাড়িতে আসার আগে ঊর্মিলারা উত্তরবঙ্গের দিকে ছিল। বিশুদ্ধ প্রকৃতি তাকে তার অঢেল সম্পদ দিয়ে ঊর্মিলাকে জগতের উপযোগী করে তুলেছে। ঊর্মিলাকে আমি যেদিন প্রথম দেখি, সেদিন আমার চোখদুটো এক অদ্ভূত সৌন্দর্যের দর্শন...

কেই সেই পরবর্তী টার্গেট ??

শহরের একই থানার অন্তর্ভুক্ত বেশ কিছু পাশাপাশি এলাকায় খুন,মাদক ব্যবসায়ী,মাদক সেবনকারী,ছিনতাইকারী,চোর,ডাকাতের পরিমান বেড়েই চলছে।কে খুন করছে,বা কে এই যুব সমাজের মাঝে মাদক ছড়িয়ে দিচ্ছে,এবং কারাই বা রাতের অন্ধকারে অন্যের বাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি,ডাকাতি কিংবা ছিনতাই করছে পথচারীদের টাকা,মোবাইল কিংবা স্বর্বস?পুলিশের উৎপাতও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কারন উপর তলা থেকে বেশ চাপ পোহাতে হচ্ছে ডিউটিরত অফিসারদেরো।এর মধ্যেই এলাকার বেশ কজন যুবককে সন্দেহাতীত আটক করা হচ্ছে এবং তাদের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।কিন্তু আটককৃত বখাটে যুবকরাও কোন হদীস দিতে পারছেনা এসব কে বা কারা করচ্ছে।এর মধ্যেই গত ১১ মাসে ১১ জন উপজাতি মেয়ে ধর্ষন অতঃপর খুন করা হয়েছে।দিনের পর দিন অপরাধের সংখ্যা বেড়েই...

স্বপ্নের খোঁজে

মানুষটার সাথে পরিচয় আমার কোনো কালেই ছিলোনা! প্রথম পরিচয় রিফিউজি ক্যাম্পে! হঠাৎ হঠাৎ কোথা হতে উদয় হতো! পিছে দু বস্তা চাল, 2 টিন তেল আর সামন্য চালনীতে পেঁয়াজ! পেঁয়াজ গুলো রেখেই আমগাছের নিচে বসে খানিকটা জিরিয়ে নিতো! পুরো রিফিউজি ক্যাম্প সারাক্ষম গমগম করে! সকাল বিকাল খাওয়ার সময় এলেই সবার ডাক পড়ে! সবাই সারিবদ্ধ ভাবে বসে পড়ে! দুটো মগ দিয়ে সদ্য পাকানো হলদে চালের পানি বিলোয়! কারো প্লেটেই খানিকটা বাড়ে না! একমুঠো চালের খিচুড়ি বহু আরাধ্য! সবাই চেটে পুটে খায়! এক বৃদ্ধাকেও প্রায়ই দেখতাম! গালের চামড়া ঝুলে গেছে! কিছুক্ষণ পরপর মাছি উড়তে থাকে! হাত দিয়ে তাড়ানোর শক্তি ও নেই! মাছি নির্ভয়ে...

কারো অপেক্ষায় ছিলাম

: জ্বি বলেন,,, : কি করো,,? : কারো অপেক্ষায় ছিলাম,,,,।। : এখনও কি অপেক্ষা করছ,,,,? : নাহ সে এখন তার উপস্থিতি প্রকাশ করেছে,,,।।। : ওহ তাই,,,? : হুম,,, একটা কথা বলি,,? : নাহ : আই লাভ ইউ : আই হ্যাট ইউ,,, : রিয়্যালি,,,? : হুম : পাক্কা,,,? : হুম পাক্কা,,,।। : তা কাকে ভালবাস,,,??? : বলব না : বলতে হবে না,,,,তুমি তোমার ওই ভালবাসার মানুষকে নিয়েই থাকো,,,।।। : এই কই যাও,,,??? : জানিনা,,,।। : রাগ করো ক্যান,,,?? : রাগ করব ক্যান,,,,, আমার সেরকম কেউ আছে যার উপর আমার রাগ করার অধিকার আছে,,,,,।।। : সরি : তোমরা মেয়েরা ওই একটাই শিখছো,,,সরি...

এক গুচ্ছ কামিনী এবং বড় হবার গল্প!

কামিনী ফুল কেন প্রিয় এইটা একটা প্রশ্ন বটে। আমি নিজেও জানিনা এই ফুল কেন এতো পছন্দ করি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই পছন্দের ব্যাপারে কারন গুলি দিনদিন গুরুত্ব হারায়। একসময় ভুলে যাই কেন পছন্দ করতাম কিংবা করি। তখন শুধু পছন্দ করি, ভালো লাগে, ভালোবাসি এই ব্যপারগুলিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও ব্যাপার টা অনেকটাই এমন। দেখা যায়, যে সব কারনে একজনকে ভালোবাসতাম সেই কারনগুলিই একসময় ঐ মানুষটার ভিতর থেকে বিলুপ্ত হতে থাকে। কিন্তু মানুষটার প্রতি ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগা আগের মতোই থাকে। কামিনী ফুল প্রথম চিনেছি আমি যখন চতুর্থ শ্রেণী তে পড়ি। আমার প্রাইমারি স্কুল জীবন কেটেছে একটা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের আন্ডারে অবস্থিত প্রাইমারি...

wirkung viagra oder cialis

সূর্পনখা

আমার বোন যদি কোন ছেলের রূপে গুনে মুগ্ধ হয়ে তার প্রেমে পড়ে যায় তাতে আমার কোন আপত্তি নেই| প্রেমে পড়ে আমার বোন ছেলেটিকে প্রেম নিবেদন করতে যদি বলে ফেলে “আমি তোমাকে ভালবাসি”, তাতেও আমার আপত্তি নেই| প্রেম নিবেদনের পর যদি আমার বোন জানতে পারে যে যাকে সে ভালোবেসে ছিল সে বিবাহিত, তারপর যদি সে মন কষ্টে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে ভালোবাসার মানুষটির স্ত্রীর উপর হিংসা প্রকাশ করে, অথবা ভালোবাসার মানুষটির স্ত্রীকে গালিগালাজ কিংবা হত্যার হুমকি দেয়, তবে আমার বোনের আচরণের উপর আমার আপত্তি আছে| এ আচরণের কারণে আমি তাকে বোঝাবো প্রয়োজনে শাসনও করবো, কেননা ভালবাসায় জরপুর্বকতা চলেনা, এবং উচিতও নয়| কিন্তু...

প্রশ্ন?

কখনো কি একটু বিবেচনা করে দেখেছেন যে আপনি বিশ্বাসী কেন? কখনো কি চিন্তা করেছেন, যে ধর্মকে আপনি বিশ্বাস করবেন বলে বেছে নিয়েছেন টা আপনি কেন বেছে নিয়েছেন? চিন্তা করেছেন কেন কার্মা অথবা পুনর্জন্মের বিশ্বাসকে বাদ দিয়ে শাশ্বত পরিত্রাণের একমাত্র অবলম্বন হিসেবে যীশু খ্রীষ্টকে বেছে নিয়েছেন? কেন আপনি গৌতম বুদ্ধের চারটি পবিত্র সত্যকে ভুল বলে মেনে নিয়ে একমাত্র আল্লাহকেই সত্য ঈশ্বর এবং মুহাম্মদ তাঁর নবী হিসেবে বিশ্বাস করেন? কেন আপনি তওরাতকে আকড়ে ধরে পড়ে থাকেন ঈশ্বরের প্রকাশীত একমাত্র কিতাব হিসেবে, এবং অস্বিকার করেন ভগবত গীতাকে? কখনও ভেবে দেখেছেন আপনার ধর্মের বর্ণনায় তুলে ধরা স্বর্গের গঠন এবং উপাদান গুলোর সাথে কেন এই...

viagra en uk

ইলাজ

খেলাফতি মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের খলিফা খোদাজোমের বিশিষ্ট জল্লাদ ইয়াসীন মোল্লা আজ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে প্রচন্ড অসুস্ততায় কাতরাচ্ছে। খেলাফতের ছায়া তলে মৌলবাদী মুসলিমদের বাংলাদেশে এখন মৃত্যুর হার বেড়েছে। মৃত্যুর হার বাড়ার কারণ হলো চিকিত্সার অভাব, কেননা হাসপাতাল গুলো সব ভেঙ্গে গুড়িয়ে মিশে আছে ধুলোর সঙ্গে। হাসপাতাল ভেঙ্গে ফেলার ভয়ঙ্কর পরিণতির পেছনের মৌলবাদী মুসলিমদের বক্তব্য ছিল যে – পৃথিবীতে যত রোগ শোক মানুষের হয়, তা আল্লাহর নেয়ামতেরই একটি অংশ, যা মানুষকে পরীক্ষা করতে আল্লাহ পাক মনুষকে দিয়ে থাকেন। হাসপাতালে গিয়ে রোগ নিরাময় করে ফেলার মানে হচ্ছে, রোগের বেশে মানুষকে পরীক্ষা করতে আল্লাহর দেয়া প্রশ্ন পত্রকে ছিড়ে ফেলা। আর আল্লাহর দেয়া প্রশ্ন পত্রকে...

capital coast resort and spa hotel cipro
venta de cialis en lima peru

জন্ম মৃত্যু

  বাসার দরজা বন্ধ দেখে ছাদে উঠে আসলাম, আন্দাজ করেছিলাম ছাদেই পাওয়া যাবে শ্বরণী বাবুকে| আন্দাজ সঠিক, দেখি কুচকুচে কালো রঙের  পাঞ্জাবি পড়া শ্বরণী বাবু ছাদে একটা বেতের তৈরী মোড়ার উপর বসে আছে| শুধু বসে আছে বললে ভুল হবে, বাম হাতে ধরে থাকা খোলা বইটির উপর মাথাটা নিচু করে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে আর কিছুক্ষন পর পর ডান হাতের জলন্ত সিগারেট ঠোটে ঠেকিয়ে লম্বা লম্বা টান দিয়ে সিগারেটের ধোয়া দিয়ে ফুসফুস ভর্তি করছেন, সেই ধোয়া গুলোই কয়েক সেকেন্ড পর নাক দিয়ে বের করে ফেলছেন| শ্বরণী বাবুর পরনের কুচকুচে কালো রঙের পাঞ্জাবি দেখে প্রথমে মনে হয়েছিল, কোন শিয়া মুসলিম আলী, হাসান এবং... levitra 20mg nebenwirkungen

zovirax vs. valtrex vs. famvir
metformin tablet

রতন পন্ডিত

বিকাল আন্দাজ চারটা বাজে, শ্বরণী বাবুর কথামত তার বাসার পাশের রতন পন্ডিতের চায়ের দোকানে বসে আছি| তিনি অনেক দিন পর আজ হঠাত ফোন করে বললেন – কেমন আছিস, কোথায় আছিস জানা কিংবা জানানোর সময় নাই| এক প্রকাশকের সঙ্গে মিটিঙে আছি, মিটিংটা শেষ করেই বিকেল চারটার দিকে ফিরবো| বাসায় ওঠার আগে কলা পাউরুটি আর এক কাপ চা খেয়ে বাসায় উঠবো| ততক্ষণ তুই রতন পন্ডিতের চায়ের দোকানে আমার জন্য অপেক্ষা কর, অনেক দিন আমার ব্যস্ততার কারণে তর সঙ্গে কোন দেখা সাক্ষাত নেই, আজ থেকে আগামী সাত দিন আমার কোন কাজ নেই, তুই তল্পিতল্পা সমেত আগামী এক সপ্তাহের জন্য আমার বাসায় চলে আয়,...

nolvadex and clomid prices
all possible side effects of prednisone