Category: সভ্যতা

হ্যাপি ফুটবলিং :-)

ফুটবল খেলা চলছে !! সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল । দুটি দলের লক্ষ্যই জয় । কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজী নয় । খেলায় তখন টানটান উত্তেজনা । কিন্তু এই সময় হঠাৎ করেই সকল স্বাভাবিকতার ধারধারি না ঘেঁষে রেফারী বাবাজি একটি দলের ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেন । ব্যস, এবার আর সামলায় কে ! মূহুর্তের মাঝেই শুরু হয়ে গেল হৈ চৈ । “দলের ক্যাপ্টেনকে কেন লাল কার্ড দেওয়া হল” এই অযুহাতে খেলা বন্ধ করে মাঠের মাঝখানেই খেলোয়ারগুলো হাত–পা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করে দিল । কিন্তু অবাক কান্ড ! একটি দলে খেলোয়াড় তো থাকে ১১ জন । কিন্তু মাঠের মাঝে যে ১৬ জন দাঁড়িয়ে...

capital coast resort and spa hotel cipro

চট্টগ্রাম আর্টস্ কমপ্লেক্স: একটি স্বপ্নের সূচনা

চট্টগ্রাম শহরের সংস্কৃতিচর্চার ঐতিহ্য খুব প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে যে এর মধ্যে যথাযথ পরিকল্পনা, পেশাদারিত্ব, ধারাবাহিকতা, সর্বোপরি মান-নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি কখনো। পাশাপাশি এটাও প্রবলভাবে সত্য যে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার চর্চার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের একত্রে মিলবার, ভাব বিনিময় করবার, সাদা বাংলায় স্রেফ ‌‘আড্ডা’ দেবার অনুকূল কোনো স্বাস্থ্যকর, রুচিশীল পরিসরও এই শহরে গড়ে ওঠেনি তেমন। বিচ্ছিন্নভাবে কেউ শিল্পকলা একাডেমির মাঠে, কেউ চেরাগির মোড়ে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে, কেউ বিশদ বাঙলা-য় কেউ-বাবাতিঘরে  যার যার মত গল্পগাছা করে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটান। কিন্তু এভাবে তো আর সৃজনশীল মানুষদের পরস্পরের কাছাকাছি আসা, চেনা-জানা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও গঠনমূলক আলাপ-সংলাপের খুব দরকারি... metformin synthesis wikipedia

শিরোনামহীন কিছু অগোছালো ব্যাখ্যা!!- প্রথম অনুচ্ছেদ

দেশান্তরী হওয়ার পর দেখতে দেখতে প্রায় ৩ টা বছর পার করে দিলাম। খুব উত্তেজনা নিয়ে ইতালি পাড়ি জমিয়েছিলাম। ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির  বড় ডিগ্রি নিব,  বড় কোম্পানিতে চাকরী করবো, হাজার হাজার ইউরো ডলার উপার্জন করব, মনের মানুষটিকে একদিন বিয়ে করে ঘর সংসারী হয়ে যাব। এক কথায় সিম্পেল লাইফ প্লান। কিন্তু আসলে সবার পেটে সব কিছু সহ্য হয় না, তেমনি সবার জন্য বিদেশের জীবন যাপন নয়। কেননা আজ দুই বছরে আমার আসে পাসের এতো বন্ধু বান্ধব, মামা, চাচা, ভাই বোন এর ভিতর একজন বাদে অন্য কাউকে পাইনি যে বা যারা আমাকে একটি বারের জন্য হলেও বলেছে যে পড়াশুনা শেষ করে দেশে কিছু...

প্রসঙ্গ নারী : ধর্মীয় আর সামাজিক বর্বর আইন নারী খৎনা Female Circumcision

নারী খৎনা যা নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ, নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ এবং নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই নামেও পরিচিত; বলতে বোঝানো হয় সে সকল কার্যপ্রণালী যেগুলোতে স্ত্রী যৌনাঙ্গের আংশিক বা পুরোপুরি অপসারণ করা অথবা সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনো চিকিৎসা বহির্ভূত কারণে নারীর যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করা হয় বা ক্ষত সৃষ্টি করা হয়। এটি সেই ধরণের কার্যপ্রণালীগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়, যেগুলো আন্তলৈঙ্গিকদের জন্যে লিঙ্গ প্রতিস্থাপন সার্জারি বা যৌনাঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়। এর চর্চা সারা পৃথিবীতেই আছে, কিন্তু প্রধানত আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়াতেই এর চর্চা বেশি দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রক্রিয়াটিকে চার ভাগে ভাগ করেছে: টাইপ ১, ২, ৩ এবং ৪। তিন নম্বর কার্যপ্রণালীটিকে ঘিরে...

শুভ জন্মদিন মা…

তাঁর কথা মনে হলেই এক অন্য রকম অনুভূতি জাগে মনে, শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে আসে মাথা। কাছে থেকে “মা” ডাকার আকুলতা জাগে মনে। জানেন তিনি কে ?? জানেন আমি কার কথা বলছি ??? আমি শহীদ জননী, আমার পরম শ্রদ্ধেয়, আমার মা জাহানারা ইমামের কথা বলছি। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমসহ স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একনিষ্ঠ ভাবে লড়াই গেছেন মা। ১৯৯৪ সালে দুরারোগ্য ক্যান্সারের চিকিৎসা করানোর জন্য দেশ ছেড়ে যাবার সময় মা সহযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন- “ওদের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গেছে। দেখিস, এবার দেশে ফিরে এলেই দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো আমরা। দেশ জেগে গেছে, তরুণরা হাল ধরেছে। আমার সন্তানেরা এককাট্টা হয়েছে দানবশক্তির বিরুদ্ধে। তাই জয়...

ভাইকিংস

ভাইকিংস। অনেকেই এদের বলে জলদস্যু,ডাকাত এবং সমুদ্রের ত্রাস।ইউরোপ ইতিহাসে যুদ্ধবাজ এবং লুটেরা জাতি হিসেবে এদের অনেক কথাই বীরদর্পে বলা আছে।তবে এরা ছিল অনেকটাই বর্বর জাতি।লুটতরাজ, খুন, এসব ছিল ওদের কাছে বীরত্ব।এরা যে যত বেশি ডাকাতি করতে পারতো সে নিজেকে ততো বড় বীর মনে করতো। ভাইকিংস শব্দটি এসেছে নরওয়ের নর্স ভাষা থেকে।নর্স ভাষায় ভাইকিংস শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘জলদস্যু’ আরএক ভাবে এই শব্দকে বিশ্লেষন করলে এর অর্থ দাড়ায় উপসাগরে বসবাসকারী মানুষ। প্রায় ৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভাইকিংসদের উথ্যান শুরু হয়।এবং প্রায় ১০৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সারা ইউরোপ সহ অত্র অঞ্চল দাপিয়ে বেড়ায়।এবং এই সময়কালকেই বলা হয়  “স্ক্যানডেনিভিয় সম্প্রসারণ” বা ‍”ভাইকিং এজ” মূলত নরওয়ে,ডেনমার্ক এবং...

Kai Po Che! — খুব সাধারণ কিছু স্বপ্ন এবং একটা অসাধারন কাভার ড্রাইভের গল্প

  এই উপাখ্যানের শুরুটা একটু অদ্ভুতভাবে। ভারতের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান সাবারাতি সাবারমতি স্পোর্টসের কর্ণাধার গোভিন্দ প্যাটেল এক অনুষ্ঠানে তার প্রতিষ্ঠান হতে ট্রেইনড হয়ে ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা কিছু নতুন প্রতিভার কথা বলছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে তার পুরনো এক বন্ধু ওমকার শাস্ত্রী ১০ বছরের কারাভোগের পর জেল থেকে ছাড়া পেল। অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি জেলগেটে এসে বন্ধুকে নিয়ে গোভিন্দ গাড়িতে চড়ে বসল, গন্তব্য স্টেডিয়াম… মাঝখানে এক কফি শপে কফি খেতে ঢুকল তারা। টিভিতে ভারতের পুরনো খেলা দেখাচ্ছিল, হঠাৎ টিভির দিকে চোখ পড়তেই কেমন যেন আনমনা হয়ে গেল ওমকার… লাফ দিয়ে দৃশ্যপট ফিরে গেল দশ বছর আগে, মার্চ, ২০০০ য়ে…  ...

হয়তো…… হয়তোবা…… হয়তো _____________ না!!

পরী ৭ তলার ছাদের পশ্চিম কোনার দেয়ালে পা ঝুলিয়ে বসে আছে। সে তার হাতের দিকে তাকিয়ে ভালো মত কিছু দেখার চেষ্টা করছে; কিন্তু যা দেখতে চাইছে তা ঠিক মত দেখা যাচ্ছে না। শুধু অদ্ভুত একটা গন্ধ নাকে আসছে। এই গন্ধটা পরীর কেন জানি বেশ ভালই লাগে। রাত প্রায় সাড়ে ৩টা। পরী ঘাড় বাকিয়ে নীচে তাকালো। সারা বিল্ডিঙের গা বেয়ে মনে হচ্ছে নীলচে আলোর ঝর্ণাঝারা বইছে। অসংখ্য নীলরঙের মরিচ বাতি দিয়ে তাদের বাসা আর নিচের পুরো রাস্তাটাকে সাজানো হয়েছে। পরীর খুব ইচ্ছে ছিল তার বিয়ের সময় এভাবে নীল বাতি দিয়ে চারপাশে সাজানো হবে; যেন দেখে মনে হয় নীল জোছনায় পরীর বিয়ে...

wirkung viagra oder cialis

প্রানের পঁচিশ

গভীর রাত । অন্ধকার রুম । স্বাগত শীতের রাতে একটি কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে । ঘুমাচ্ছেনা । মোবাইলে রিফার সাথে খুনসুটি করছে । হঠাত রুমের লাইট জ্বলে উঠল । হকচকিয়ে উঠল স্বাগত । মামা তুমি কার সাথে কথা বলছ? ৪ বছরের নূহার প্রশ্ন । ” কারো সাথে না মামা । তুমি ঘুমোওনি ? ” না মামা আজ তোমার সাথে ঘুমাব ।” বাকি রাত স্বাগত কাটিয়ে দিল নূহার সাথে গল্প করে ।   পরের দিন সকাল । বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর সিঁড়িতে বসে আছে বাপ্পি । কিছুটা চিন্তিত বিষন্ন মুখ । গতকালের ফুটবল ম্যাচে জিততে পারেনি । পরের টায় যে করেই হোক...

missed several doses of synthroid

বিবর্তন

বারান্দায় বসিয়া আছি। নতুন কিছু লিখিতে হইবে। একই পুরনো বস্তাপচা ছকে লিখিতে লিখিতে আমি বিরক্ত না হইলেও আমার কলমখানি বিদ্রোহ করিতে ভুল করে না। কাহিনীর জন্মস্থান যাহাই হোক না কেন, তাহার পৃথিবীর আলো দেখার সৌভাগ্য হইবে কিনা তাহা নির্ভর করে ঐ কলমের উপরেই। তাই আমিও নীরবে তাহার আদেশ শিরোধার্য মানিয়া লইয়া লিখিতে বসিলাম। কিন্তু লিখিতে বসিয়াই দেখিলাম, একি!! নতুন কিছুই তো মাথায় আসিতেছে না। মনে মনে রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, হুমায়ুন, মানিক সাহেবদের উদ্দেশ্য করিয়া বেশ শক্ত একখানা গাল পাড়িয়া বসিলাম। যেদিকেই চক্ষু মেলিয়া দৃষ্টিপাত করি না কেন, সেদিকে তাঁহারা আগেই পৌঁছাইয়া সবশেষে স্বর্গের পথ ধরিয়াছেন। আর মর্ত্যে বসিয়া বসিয়া আমি খাবি...

levitra 20mg nebenwirkungen

আপনাকে বলছি, নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করবেন না!

“ভাই, আপনি কোরআন ভাল করে পড়ুন, আপনার জানায় ভুল আছে…”-এরকম যারা বলেন তারা নিজেরাই কোনদিন জানার জন্য কোরআন পড়ে দেখেনি।কোরআন সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা নেই।সাঈদী আর শফির মুখে শুনেই এরা কোরআন সম্পর্কে একটা ধারনা করে। কারণ যখন এদের বলি, ভাই, দয়া করে আমাকে আমার ভূলটা দেখিয়ে দিন, কোথায় কোন জায়গায় আমি কোরআন বুঝতে ভুল করেছি দেখান, তখন তারা আর কমেন্ট করতে আসে না।আমি কতদিন ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকেছি কিন্তু ‘পাখি’ আর ফিরে আসেনি! আমার ভুলটাও কেউ ভেঙ্গে দেয়নি। আমি লিখি মৌলবাদের বিরুদ্ধে। ধর্মের সঙ্গে আমার বিবাদ এই মৌলবাদের সূত্রে। নইলে ধর্ম নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।ধার্মীক যত রকমভাবে পারে...

পাখিরা…

সে অনেক অনেক অনেক কাল আগের কথা না… এই কয়েক বছর আগের কথা। এক দেশে এক রাজা আর এক রানী ছিলো না, ছিলো পাখি। অনেক অনেক পাখি। এই অনেক পাখির মধ্যে ছিলো একটা লাজুক ছেলে পাখি, একটু হাবাগোবা কিসিমের। সে ভার্সিটি যেতো, আসতো, ক্লাস করতো। ওহ, বলা হয়নি, সেই দেশে পাখিদের আবার কিন্তু ভার্সিটিও ছিলো। সেইখানে তাদের আর্কিটেকচার, ফ্যাশন ডিজাইনিং, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন এইসব সাবজেক্ট পড়ানো হতো। আমাদের ছেলে পাখিটা পড়তো আর্কিটেকচারে। ছেলে পাখিটা যখন ফাইনাল ইয়ারে পড়ে তখন তাদের ভার্সিটিতে একটা নতুন বিভাগ খোলা হলো, ফটোগ্রাফি অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ নামে। এখানে পাখিদের শেখানো হবে ছবি তোলার সময় ডানা কিভাবে...

ভারতের নির্বাচনঃ মোদির অতিকথন

গতকাল বিজেপির লোকসভা নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এক জনসভায় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ক্ষমতায় এলে ভারতের মাটিতে যত অবৈধ বাংলাদেশী আছে তাদের তাড়িয়ে দেয়া হবে। মজার ব্যাপার হল তিনি যার হয়ে এই জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন তার নাম বাপ্পী লাহিড়ী। যতদূর জানা যায়, খোদ বাপ্পী লাহিড়ীর পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের পাবনায়। যদিও তিনি ভারতের বৈধ নাগরিক। মোদি তার ভাষণে বলেছেন, সারা ভারতজুড়ে নাকি প্রায় ২ কোটি বাংলাদেশী অভিবাসী রয়েছেন। যদিও কোন বিশ্বাসযোগ্য সূত্র তিনি তার বক্তব্যের সমর্থনে দিতে পারেননি। একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, মোদি বরাবরই কট্টর হিন্দুবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত। ২০০২ সালের গুজরাটের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় হাজার হাজার মুসলমানের মৃত্যুতে তাকে দায়ী করা...

বিস্মৃতির অতলে চাপা পড়া এক কল্পনাতীত নিকৃষ্টতা এবং নাম না জানা কিছু মা-বোনের ইতিহাস ( ১ম পর্ব)

  ‘‘বীরাঙ্গনা’’ শব্দটি বাংলা ভাষায় বীর নারী বা বীর্যবতী নারীর বিশেষণেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৭১ সালের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশের পর ‘বীরাঙ্গনা’ শব্দটি ভিন্ন তাৎপর্য ধারণ করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম আঘাত আসে নিষ্পাপ অসহায় নারীদের ওপর। স্বৈরশাসক ইয়াহিয়ার প্রথম আক্রোশের আগুনে দগ্ধ হয় বাঙালি নারীরা। ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালে সরাসরি বাঙালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পাকিস্তান আর্মিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।যশোরে ছোট্ট একদল সাংবাদিকের সাথে কথা বলার সময় তিনি এয়ারপোর্টের কাছে জড়ো হওয়া একদল বাঙালির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বলেন যে- ” আগে এদেরকে মুসলমান বানাও…”  এই উক্তির তাৎপর্য সীমাহীন। এর অর্থ হচ্ছে যে, উচ্চ পর্যায়ের সামরিক অফিসারদের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল ছিল যে বাঙালিরা খাঁটি মুসলমান...

নিজ দায়ীত্বে কবিতারা জন্ম নেয়- সভ্যতায় আমার প্রথম পোষ্ট…

ডেস্পারেট হয়ে আছি প্রেমে বিছানায় বিলুপ্ত সুখেরা জানে সুগভীর অশ্লীতার সমূহ বিশ্লেষন, অতিত আমাকে গ্রহন করেনি নীপিড়িত বর্তমানে বসে ভাবি সুমিষ্ট ভবিষ্যতে, যুবতী রমনীর বুকে শুয়ে কাটবো যৌন সাঁতার মৌনতার সংক্ষিপ্ত সমর্পনে! এ দেহে ভীষন জ্বালা আমার পুড়ে যাই যাবতীয় অগ্নি শৃঙ্গারে, আমার ছাইবর্ন শৌচাগার জানে নিক্ষিপ্ত বীর্যের নীরব ইতিহাস, প্রভুত কান্নার সময় শেষেও স্রষ্টা আমার শেষ প্রেমের শুদ্ধতা বোঝেনি! হস্তমৈথুনের নামে হত্যা করেছি আমার কতো শত সন্তান! গর্ভপাত কি তার সমতুল্য পাপ নয়? আজ তাই ভেবে বলো কাঙ্ক্ষিত প্রেম পেলে আমি কি আর উদাস হতুম প্রমিলা? চক্রবর্তীর প্রতিটি ভাঁজ আমাকে ওয়াকিবহাল করেছে নিষিদ্ধ নগ্নতার ব্যাপারে, পরিপূর্ণ ছাব্বিশে বসে সুবর্নার...

achat viagra cialis france

“একটি টিপিকাল প্রেমের গল্প”

জিন্সটা পায়ের তলায় ছেড়া।ঘর থেকে বের হয়েই দেখলো একমাত্র জুতাটাও ছিড়া ছিড়া অবস্থা।পকেটে আছে মাত্র ৫ টাকা।ভাবছিলাম একটা গোল্ড লিফ ধরাবো কিন্তু সেই উপায় আর নাই।জুতা সেলাই করতে হবে। শালা,পকেটে থাকেনা টাকা আবার সিগারেটের নেশা !,নিজেকেই গাল দিলো সৌরভ।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র সৌরভ।হলে থাকে সে।খুবই মেধাবী,বাবা মা নেই।ছোট থেকেই ফুফুর কাছে মানুষ।কিন্তু ফুফু আর কতদিন দেখবে।দুই একটা টিউশন করে নিজের খরচ নিজেই চালায় অনেক কষ্টে।সাথে ধার দেনা তো আছেই।   তুশির সাথে দেখা করতে বের হয়েছে সৌরভ।তিন বছরের সম্পর্ক তাদের।কোনো একটা বিশেষ দরকারে আজ খুব জরুরীভাবে দেখা করতে বলেছে তাকে। শাহবাগ মোড়ে এসে একটা রিক্সা নিলো সৌরভ,ভাড়াটা...

venta de cialis en lima peru

সভ্যতা এবং ব্লগারদের কাছে প্রত্যাশা

আশা করি সভ্যতা কিছুদিনের মধ্যেই অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় বাংলা ব্লগিং সাইট হিসেবে নিজের অবস্থান জানান দিবে। এইখানে ব্লগাররা সবাই সবার প্রতি থাকবেন শ্রদ্ধাশীল। সমালোচনা অবশ্যই হবে এবং তা যেন কখনো নোংরামির পর্যায়ে না যায়। মডারেটদের কাছে প্রত্যাশা, তারা যেন দেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ব্লগে যেন এমন কিছু করা না হয়, যাতে কেউ এর ফায়দা তুলে সভ্যতার চলাচলের ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। সভ্যতার পাশে সবসময় থাকতে চায়। আর সকল ব্লগারের প্রতি শুভ কামনা। @};- @};-

আগামীর পথ চলার মূলমন্ত্র হোক মানবিকতা

‘সভ্যতা ব্লগ’ তার অগ্রযাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে আগামীর পথে, এক নতুন সভ্যতার গোড়া পত্তনের মহতী প্রত্যাশা নিয়ে। তারুণ্যের এই স্বপ্নরঙিন যূথবদ্ধ পথচলায় এক সমদর্শী প্রবীণের সহমর্মিতা ও শুভকামনা জানাবার উদ্দেশ্যেই এই ব্যক্তিগত বার্তা প্রেরণের প্রয়াস। আমাদের মনে রাখতে হবে যে সভ্যতা মানেই কেবল আগুন আর চাকা আবিষ্কার নয়, কিংবা নয় বাষ্পীয় ইঞ্জিন, বিদ্যুৎ, মহাকাশযাত্রা কিংবা হালের তথ্যপ্রযুক্তির বৈপ্লবিক প্রসার। সভ্যতা তার চেয়েও বড় কিছু। সভ্যতা এক শাশ্বত, সর্বজনিন, প্রগাঢ় মূল্যবোধের নাম; যার মূলমন্ত্র হচ্ছে মানবিকতা। শ্রমজীবী মানুষের মুখপাত্র লেখক ম্যাক্সিম গোর্কি ‘মানুষ’ শব্দটি লিখতে গিয়ে সবসময় বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করতেন। ‘সভ্যতা’ গোষ্ঠীর তরুণদের কাছেও এই প্রবীণের বিনম্র আবেদন, তারাও...

সভ্যতার গোড়াপত্তন

“সভ্যতা” ‘বিনির্মাণে আগামীর পথে …..’ আচ্ছা সভ্যতা কি? প্রথম প্রশ্ন এটা বৈ কি? কিন্তু সবচেয়ে পরিচিত একটা শব্দের সংজ্ঞায়িতকরণ সময়ে অসময়ে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। মানব বুদ্ধিবৃত্তির আদিলগ্ন থেকে এই একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত সৃষ্ট প্রত্যেকটি সমাজব্যবস্থা এক একটি সভ্যতা। পৃথিবীতে রয়েছে অনেক সভ্যতা। মুছে গেছে তার চেয়েও বেশি সভ্যতা। কোন কোন সভ্যতা ইতিহাসের পাতায় ঠাই পেয়েছে। কোনটির ভাগ্যে তাও জোটেনি। ইতিহাসে সভ্যতার উদাহরণ অজস্র। সৃষ্টির আদিতে যখন মানুষ প্রথম আগুন জ্বালাতে শিখল, সেটা ছিল এক বড় বিস্ময়কর মুহূর্ত। কারণ মানুষ নিজের অজান্তেই আগুনের শিখায় আলোকিত করেছিল সভ্যতার প্রথম দিগন্তকে। তারপর থেকে সভ্যতা এগিয়েছে তার আপন গতিতে, স্বমহিমায় দুর্বার ভঙ্গিমায়; জন্ম দিয়েছে...