Category: সভ্যতা

তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের খুব সাধারণ এক পরিবারে ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি। খুব ছোট বেলার থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি। কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে উঠছেন। পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারনে, প্রতিবাদ করবার কারনে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরন করতে হয়। তোঁ একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি...

সে এক অদ্ভুত ঘটনা। প্যারিসের একটা বিখ্যাত প্রকাশনী থেকে একটা উপন্যাসপ্রকাশিত হল। উপন্যাস প্রকাশনার সময় লেখক দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদেশে ছিলেন।তাই একদিন উপন্যাসটা পাঠকমহলের কাছে কেমন সাড়া ফেলল, সেটা জানতে তিনি চিঠিলিখলেন প্রকাশকের কাছে। যথাসময়ে সেই পত্র গিয়ে পৌঁছল প্রকাশকের কাছে।পত্রখানা খুলে তোঁ প্রকাশকের আক্কেলগুড়ুম। পুরো পত্র ফাঁকা, একটা শব্দওলেখা নেই। শুধু গোটা পাতা জুড়ে বিশাল আকারের এক প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দিয়ে নিচে লেখক সই করে করে দিয়েছেন। পত্রের মাথামুণ্ডু কিছু বুঝতে না পেরে আক্কেলগুড়ুম হয়ে কিছুক্ষন বসে থাকার পর অবশেষে প্রকাশক

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃবিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প

শুরুর কথাঃ “What is it that makes these boys have no fear”??? আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানিবিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সংগীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন-তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখেব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন ।এটা দেখে আমার মাথাতেও একই প্রশ্নই খেলছিলঃ এই যে যাঁরা যুদ্ধে প্রাণ দেয়, এরাও তো আমাদের মত মানুষ। এরা আমাদের মতই ঝঞ্ঝাটহীন জীবনের স্বপ্ন দেখেছেকোন এক সময়ে, আনন্দের সাথে জীবন কাটিয়ে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃদ্ধকালেমরতে চেয়েছে। কিন্তু যুগে যুগে প্রতিটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামেরইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা অসামান্য একটা জিনিস...

সে এক অদ্ভুত ঘটনা। প্যারিসের একটা বিখ্যাত প্রকাশনী থেকে একটা উপন্যাস প্রকাশিত হল। উপন্যাস প্রকাশনার সময় লেখক দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদেশে ছিলেন। তাই একদিন উপন্যাসটা পাঠকমহলের কাছে কেমন সাড়া ফেলল, সেটা জানতে তিনি চিঠি লিখলেন প্রকাশকের কাছে। যথাসময়ে সেই পত্র গিয়ে পৌঁছল প্রকাশকের কাছে। পত্রখানা খুলে তোঁ প্রকাশকের আক্কেলগুড়ুম। পুরো পত্র ফাঁকা, একটা শব্দও লেখা নেই। শুধু গোটা পাতা জুড়ে বিশাল আকারের এক প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দিয়ে নিচে লেখক

tome cytotec y solo sangro cuando orino

জাতিস্মর– জন্মজন্মান্তরের আক্ষেপমাখা অনন্তবিস্তারী এক ভালোবাসার গল্প… 

প্রথম আলোয় ফেরা, আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি… চেনা তবু চেনা নয়, এভাবেই স্রোত বয়ে যায় খোদার কসম জান, আমি ভালোবেসেছি তোমায়..  রোহিতের জন্ম গুজরাটে হলেও তার শিক্ষা-দীক্ষা বড় হওয়া সবই কলকাতায়। কিন্তু আফসোসের ব্যাপার হল, কলকাতায় এতদিন থেকেও সে বাঙলা ভাষাটা রপ্ত করতে পারল না। বাঙলা ভাষায় তার দৌড় বড়ই শোচনীয়। ভাঙ্গা ভাঙ্গা তিন চারটে বাঙলা শব্দ সে জানে বটে, কিন্তু সেগুলোর ব্যবহার করতে গিয়েই বাধে বিপত্তি। ভুল জায়গায় ভুল শব্দ ব্যবহার করে ভয়ংকর রকমের বেকায়দায় পড়ে যায় সে। মহামায়াকে খুব ভালো লাগে তার, কিন্তু ভালোবাসার কথা তাকে বলতে গিয়েই আবার সেই...

কালপুরুষ এবং ঘোড়া (২য়)

ওডিশাগামী ট্রেনে বসে থাকা অবস্থাতেই কথা হচ্ছিলো রবি আর হরির মধ্যে ____ -লোকটাকে চিনিস না জানিস না অথচ নেমন্তন্ন করল আর তুই রাজি হয়ে গেলি!! -চিনি না কই? লোকটা বা হাতে লিখে, আর লোকটা সেই টাইপের সিগারেটখোর। যতদুর বুঝলাম সে চারমিনার খায় আমার মত। -বা হাতে লিখে তা কিভাবে বুঝলি!! আর সিগারেট খেলেও তো তোর তা জানার কথা না। – লেখার টান দেখেই বুঝলাম। আর সিগারেট এর ব্যাপারটা তুই নিজেই দেখে নিস। এ কথা বলতে বলতেই ট্রেন ব্রেক কষে থেমে গেল। টিটি এসে বলে গেল যে ওডিশা চলে এসেছে।বেশ কয়েক ঘন্টার জার্নি শেষে দুজনেই ক্লান্ত। দুইজনে ব্যাগ গুছিয়ে নেমে গেল।...

কালপুরুষ এবং ঘোড়া (১ম)

৩ বছরের মধ্যে বেশ কয়েকটা বড় কেইস সলভ করে গোয়েন্দাগিরির জগতে ইতোমধ্যেই বেশ হইচই ফেলে দিয়েছে একজন ২১ বছরের টগবগে তরুণ। কালপুরুষ ছদ্মনামধারী তরুণ ছেলেটি একজন শখের গোয়েন্দা। নিজেকে পরিচয় দেন একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ হিসেবে।জন্ম কলকাতার মেদিনীপুর এ। আসল নাম যদিও এইটা না।ডাকনাম রবি, নামটা অবশ্য মায়ের রাখা। আসল নাম রুদ্র প্রতাপ সিংহ, মায়ের মুখেই শুনেছেন নামটা নাকি তার ঠাকুরদা প্রতাপনারায়াণ চট্টোপাধ্যায় রেখেছেন শখ করে।যদিও বাপ ঠাকুরদাদার নামে চট্টোপাধ্যায় আছে কিন্তু এই নামটা রাখার পিছনে সুন্দর একটা কাহিনী আছে বটে। ঠাকুরদাদার বাবা নাকি গ্রামের জমিদারগোছের ব্যক্তি ছিলেন। ঠাকুরদাও ছিলেন গ্রামের সম্মানিত ব্যক্তি,শিকারে নাকি তাঁর হাত পাকা ছিল।সেই সময় দুইটা মানুষখেকো...

পুলিশ বিষয়ক এক ফর্মা

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তি তাদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য ১৮১৩ সালে প্রথম পুলিশ বাহিনী গঠন করে । এ বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল উপনিবেশ বিরোধী বিপ্লবীদের দমন-নিপীড়ন । সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম আর প্রীতিলতারা ব্রিটিশ বেনিয়ােদর এই ভারতবর্ষ থেকে খেদিয়েছিল তা ও তো প্রায় এক শতাব্দী হয়ে গেল । কিন্তু বর্তমান পুলিেশর সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে সেই ব্রিটিশ বেনিয়াদের তাবেদার বাহিনী হিসেবে পরিচিত পুলিশ বাহিনীর জন্য করা পুলিশ আইন ১৮৬১ অনুসারে । ১৮৬১ সালে এই আইন করা হয়েছিল ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম জাতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শক্তিকে দমন কনার জন্য । যাতে ব্রিটিশদের শাসন নামের শোষনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোন আন্দোলন গড়ে উঠতে না পারে...

viagra vs viagra plus

নারীবাদী নাকি পুরুষবিদ্বেষী !!!

তোমাদের নারীবাদী নাকি পুরুষবিদ্বেষী বলব বুঝে উঠতে পারতেছিনা!আসলে আমার সাথে বেশ কজন নারীবাদী অনলাইন এক্টিভিষ্টের সাথে পরিচয় হইছে।তারা অনলাইনের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক কিংবা বিভিন্ন ব্লগেও নারীঅধিকার নিয়ে জোড়ালো আন্দোলন কিংবা লিখালিখি করে।আমিও তাদের লিখা নিয়মিত পড়ি,লাইক,কমেন্ট করি।তাদের মতের সাথে অনেক সময় ঘোর বিরুধীতা কিংবা সহমত পোষন করি।তবে তাদের মতের সাথে অনেক সময় নিজেকে মিলাতে পারি না,তাই হয়তো বিরুধীতাটাই বেশী করি।কারণ তাদের লিখা বা বলার ধরন এমনি যে,তারা আসলে নারীবাদী বা নারী অধিকার নিয়ে লিখালিখি করে না।আসলে তারা যা লিখে বা বুঝাতে চায় তা সরাসরি প্রতিটা পুরুষকে আঘাত করে কিংবা পশুর থেকেও ছোট করে ঘৃণ্য প্রানী হিসাবে দেখে পুরুষদের।তাদের কথা এমন...

achat viagra cialis france

বই পর্যালোচনাঃ ক্র্যাক প্লাটুনের বদি

“মামা আমায় কিছু অস্ত্র যোগাড় করে দিতে পারো? আমি পাকিস্তানি হায়েনাদের দেখিয়ে দিতে চাই সারাদেশের মতো ঢাকা শহরেও মুক্তিযুদ্ধ চলছে। আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে ঢাকা শহরে অপারেশন চালাবো। এদেশকে আমরা সত্যি সত্যিই একদিন স্বাধীন করে ছাড়বো। নতুন আলোতে উদ্ভাসিত হবো আমরা…” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বদির। কিন্তু এরই মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়াতে পরীক্ষাটা আর দেয়া হল না। ওদিকে বদির বন্ধুরাও সব যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। কিন্তু বাবা মায়ের কঠোর অনুশাসন ভেদ করে বদি তখনো যুদ্ধে যোগ দিতে পারছিলো না। ২৫ শে মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী যেভাবে নির্বিচারে বাঙালি হত্যা করেছে, সেই দৃশ্যটা বদির...

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একটু ভয়, একটু বীভৎসতা, একটু লজ্জা দেওয়ার চেষ্টা

    একটু ভয়, একটু বীভৎসতা, একটু লজ্জা দেওয়ার চেষ্টা….   ১৯৭১…. উত্তাল ঢাকা…. গোল টেবিল বৈঠক…. উপস্থিত আছে পৃথিবীর অন্যতম সেরা সেনাবাহিনীর উর্ধতন অফিসাররা। মধ্যমণি ঈয়াহিয়া… পূর্ব পাকিস্তানের নাপাক আদমিগুলারে শায়েস্তা করতে হবে… ঘোষণা দিলো মধ্যমণি, “তিরিশ লক্ষ বাঙ্গালিকে হত্যা কর, তখন দেখবে তারা আমাদের হাত চেটে খাবে।”   ২৫শে মার্চ…. দেশের অবস্থা ভালো নাহ। রোজগার পাতি তেমন হচ্ছে না রিকশাচালক কাশেমের। সারাদিনে তেমন আয় হয় নি আজ। সন্ধ্যায় বস্তির খুপড়ি ঘরে ফিরে আসলো। এটাই তার স্বর্গ। পাঁচ বছরের ছোট মেয়েটা গলা জড়িয়ে ধরলো কাশেমের। বৌ আর মেয়েরে নিয়ে ডালভাত খেয়ে ঘুম দিলো কাশেম….   নীলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।... half a viagra didnt work

উচ্চ শিক্ষায় বাণিজ্য ও ভ্যাট প্রত্যাহার আন্দোলন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন টি নিঃসন্দেহে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করবে। তবে কয়েকটি বিষয়ে কিছু মানুষ ভুল করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করে সম্পূর্ণ গাধার পরিচয় দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ভ্যাটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুক বা না করুক ওটি তাঁদের ব্যাপার। কারন যেটি হয়েছে সেটি রাজনৈতিক নয়। সুতরাং এখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্বার্থ নেই। মূল স্বার্থটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেলের। সুতরাং আসতে হলে নিঃস্বার্থ ভাবেই আসবে। কাউকে জোর করে বাধ্য করা বা আন্দোলনে সমর্থন আদায়ের জন্য অনুনয় করা পাগলামির পরিচয়।এতো কিছুর পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ভ্যাট প্রত্যাহারের জন্য সমর্থন দিয়েছেন। অর্থ মন্ত্রীর এবার সময় হয়েছে অবসরে যাওয়া। লোকটা...

metformin gliclazide sitagliptin

উচ্চ শিক্ষা ও আমাদের ধারনা

আমাদের দেশে অনেকে ডাক্তারি পরে শুধু পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেতে পারেনা বলে! পরিবার চায় সন্তান ডাক্তার হোক। প্রকৌশল বিদ্যার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। খুব কম শিক্ষার্থী ভালোবেসে স্বেচ্ছায় পড়তে আসে। যেমনটি ইংরেজি সাহিত্যের বেলায়, তেমনটি বিবিএর মেলায়। বিবিএ না জেনেই বিবিএ পড়তে আসে। সমস্যা আবার অন্যদিকে। আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা এতোটাই নাজুক যে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিলে নিম্ন মধ্যবিত্ত দের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হয়না শুধু আর্থিক অনটনের কারনে। বাকি রইলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। যা কচ্ছপের মাসতুতো ভাই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থেকে সেশন জট, আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির অপ্রতুল চাহিদা! সমস্যার শেষ নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের... ovulate twice on clomid

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

ছেলেটি একটু ডানপিটে ছিল । কারো কথা তেমন শুনত না । কোন কিছুর পরোয়া করত না । সাহস যেন পুরো শরীর জুরে । কোন কিছুই দমিয়ে রাখতে পারত না তাকে । . ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ । টগবগে ১৮ বছরের ছেলেটি । তরুন রক্ত । মুক্তির নেশা । আর বেচে থাকার লড়াই । নিজের দেশ আর জাতির স্বত্ত্বা কে বাচানোর । মাকে বলে বের হয়ে গেল ছেলেটি “” দেশ কে শত্রু মুক্ত করেই বাড়ি ফিরব “” । কিন্তু দেশ স্বাধীন হলো ঠিক ই , শুধু ছেলেটির বাড়ি ফেরা হলো না । হ্যা , যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন “” বীরশ্রেষ্ঠ...

about cialis tablets

একজন অকৃত্রিম বন্ধু মেঘ সিং

একজন লম্বা, সদাহাস্যরত মানুষ। মানুষের জন্য যার মনের দুয়ার সবসময় খোলা। নাম তার লে: কর্ণেল মেঘ সিং। ভারতীয়-১৮ বিএসএফের কমান্ডিং অফিসার। রাজপুত ব্যাটালিয়নের কমান্ডো। জন্ম ১ইমার্চ ১৯২৪, ভারতের রাজস্থানে।   লোকটা সিনিয়রদের সামনে অপ্রিয় সত্যি কথা বলতো এজন্যে তার পদোন্নতিও হত না। এই দু:সাহসী লোকটা ১৯৬৫সালের যুদ্ধে সাহসীকতা প্রদর্শনের জন্য “বীর চক্র” পদক লাভ করেন। লে.জেনারেল হারবক্স সিংয়ের In the Line of Duty: A soldier remembers বইয়ে মেঘ সিং সম্পর্কে বলা হয়েছে কোর্ট মার্শাল করে মেঘ সিং কে মেজর পদে ডিমোশন দেওয়া হয়। কিন্তু ১৯৬৫ সালে আবার তার বীরত্ব দেখে প্রমোশন দেওয়া হয়।   মেঘ সিংএর রাজপুত ব্যাটালিয়নকে ফেব্রুয়ারিতে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের পেট্রাপোলে... synthroid drug interactions calcium

zithromax azithromycin 250 mg
cialis new c 100

এক অনিচ্ছুক প্রজন্মের কথা…

“ইধার সো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার” পাকিস্তানের করাচীর মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে নিতান্তই অযত্নে আর অবহেলায় ফেলে রাখা একটা কবরের সামনে লেখা ছিল কথাটা। কবরটা এক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের।পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার ছিল, কর্মদক্ষতা আর পারদর্শিতায় যার তুলনা ছিল সে নিজেই। ৪৪ বছর আগের সেই ২০ আগস্ট মানুষটা সব ভুলে গিয়েছিল,ভুলে গিয়েছিল তার স্ত্রী-সন্তানের কথা, পাকিস্তানীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা আর অকুতোভয় দেশপ্রেমে জন্ম দিয়েছিল এক অসম্ভব উপাখ্যানের… দেশমাতাকে খুবলে খাচ্ছে চাঁদ-তারা শকুন, মুক্ত করতে হবে তাকে,মাথার ভেতর লুপের মত ঘুরতো এই কথাগুলো… প্রত্যেকটা মুহূর্ত… টি-৩৩ বিমানটা নিয়ে যখন আকাশে উড়লো সে, তখনো কথাগুলো বাজছিল তার মাথার ভেতর। শিক্ষানবিস পাকিস্তানী...

will i gain or lose weight on zoloft

তোমার উঠোনজুরে বৃষ্টি নামুক………

কত দূরে যাবে তুমি? চলে যাচ্ছো? যাও। কত দূর যাবে তুমি? যেখানে রাখবে পদ যুগল- সেটাই আমার দৃষ্টি ভূমি। যত সহজ ভাবছ চলে যাওয়া, ততো সহজ তা নয়। চলে গেলেও বুকে রয়ে যায় পুরনো স্মৃতি,বাজায় পিছুটানের সুর, যাও দেখি,যেতে পারো কত দূর!! ভোর সকালের চায়ের কাপে ভেজাচুলের দু’ফোটা জল কি মিস করবে না তুমি? দুপুরবেলা লাঞ্চে বসে একটি ফোন কলের অপেক্ষা কি তোমার বুকে বাজবেনা? বিকেলে বারান্দায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া উড়িয়ে খুঁজবেনা কি আমার কাজল আঁকা তীক্ষ্ণ দুটি চোখ? অথবা, মাঝ রাত্তিরে ঘুম ভেঙে তৃষ্ণা কাতর শরীরে কানে বাজবে না কি আমার অস্ফুট শীৎকার? কতদূরে যাবে তুমি? এই সব স্মৃতির...

ব্লগার হত্যার পেছনের সূত্র খুজচ্ছি (পর্ব -২)

একটা কথা জিজ্ঞেস করি শাহবাগ আন্দোলনের আগে কয়জন জানতো ব্লগ বলে একটা কিছু আছে আর যেখানে চাইলেই লেখালেখি করা যায় আর যারা সেখানে লেখালেখি করে তাদের ব্লগার বলে।যদি মানুষ সত্যিকার অর্থেই সত্যি উত্তর দেয় তাহলে বাজি রেখে বলতে পারি না জানা মানুষের সংখ্যাটাই বেশি হবে।   একটু পিছনে ফিরে যাই,হুমায়ূন আজাদের কথা মনে আছে।না থাকলে মনে করিয়ে দিচ্ছি তিনি বাংলাদেশের প্রথম দিককার প্রথাবিরোধী এবং লেখক যিনি ধর্ম, মৌলবাদ, প্রতিষ্ঠান ও সংস্কারবিরোধিতা,নারীবাদ,রাজনৈতিক এবং নির্মম সমালোচনামূলক লেখক ছিলেন।আমি আবারো বলছি তিনি লেখক ছিলেন ব্লগার নয় কিন্তু।হঠাৎ আপনার মনে হতেই পারে তার কথা আনলাম কেন সূত্র মিলাতে তাকে যে আনতে হবেই।   তিনি... venta de cialis en lima peru

private dermatologist london accutane