Category: সভ্যতা

জুয়েল মিয়াজীর অনুগল্প

প্রতিমা আসছে সপ্তাহে কালী পূজো। তাই নিতাইয়ের দম ফেলবার সময় নেই।কারণ তিনি প্রতিমা নির্মাণের কারিগর।গরিব মানুষ, প্রতিমা বিক্রি করেই কোন রকম কায়ক্লেসে দিনতিপাত করতে হয় তাকে।ঐ দিকে একমাত্র  ছেলেটা তার অসুস্থ বহুদিন ধরে।কিন্তু টাকা নেই ছেলেকে ডাক্তার দেখাবার।তাই গরিবের শেষ ভরসা ভগমান,নিতাইয়ের বউ সারাদিন ঠাকুর ঘরে পরে থাকেন, হে ঈশ্বর আমার একমাত্র ছেলেটাকে সুস্থ করে দেও।কিন্তু অসহায় মায়ের আকুতি কর্ণপাত করে নি ঈশ্বর।নিতাই যখন প্রতিমার শরীরে কান বসাচ্ছিলেন ঠিক তখনি  ভাইপো হরিচরন এসে বলল কাকু আপনার ছেলে তো মারা গেছে।এরপর নিতাই অনেক চেষ্টা করেছে প্রতিমার শরীরে কান দিতে,কিন্তু মন তার সায় দিল না।সেবার পূজাতে নিতাইয়ের তৈরী প্রতিমার কান ছিল না।...

সিজিপিএ 3.72, অথচ থার্ড ইয়ারের ছাত্রটি ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে…

১. দিনদুপুরে ছাত্রদের হলের করিডোরে উবু হয়ে বসে একজন ছাত্র বমি করার চেষ্টা করছে, দৃশ্যটা খুব স্বাভাবিক নয়। রুদ্ধশ্বাসে অস্বাভাবিক দৃশ্যটা ওপর তলা থেকে দেখছিলো আরেকজন মানুষ। বমি করার চেষ্টা করেও পারছিলো না করিডোরের ছেলেটা। ওকে দুই পাশ থেকে ধরে রেখেছিলো দু’জন বন্ধু। কিছুক্ষণ পর তাদের প্রচেষ্টায় রুমে ফিরে গেলো অসুস্থ ছেলেটা। উৎসুক দর্শক ধরে নিলেন হঠাৎ শীতটা বেড়ে যাওয়ায় একজন অসুস্থ হয়ে গেছে। জ্বর-টর স্বাভাবিক ব্যাপার এসময়। কাঁধ ঝাঁকিয়ে ক্লাসের দিকে পা বাড়ালেন সবাই। কপাল ফেরে ঠিক সেদিনই ক্যাম্পাসে হাঙ্গামা, বাধ্য হয়ে হলগুলো খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন কর্তৃপক্ষ। ব্যস্ততায় ভরে উঠলো হলগুলো, ব্যাগ গুছিয়ে সবাই ছুটছে স্টেশনে। হঠাৎ...

missed several doses of synthroid

“রিশা ও সাথীর প্রধাণশিক্ষকদের বিচার চাই”

খুন হলো ঢাকার নামকরা স্কুল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলের সামনেই তাকে ছুরিকাহত করে ইর্স্টাণ মল্লিকা মার্কেটের বৈশাখী টেইলার্সের দর্জি। আহ! রিশা! আহ! রিশা আর কখনও দুই বেণী ঝুলিয়ে স্কুলে যাবে না। রিশা আর কখনও ইর্স্টাণ মল্লিকা মার্কেটে যাবে না। রিশা আর কখনও অপেক্ষা করবে না নতুন পোশাক পরার। আমরা সভ্যতার দিকে যাচ্ছি। আমরা দীর্ঘ তিন যুগ পর বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হচ্ছি। জাতির জনকের খুনীদের ফাঁসি হয়েছে, হচ্ছে। পৃথিবীর লজ্জা রাজাকদের বিচার হচ্ছে। তাদের অপরাধ অণুযায়ী শাস্তি হচ্ছে। তলা বিহীন ঝুড়ি (?) বাংলাদেশ এখন মক্কা শরীফের নিরাপত্তা দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তলা বিহীন ঝুড়ি বাংলাদেশ (?)...

কৌলীন্য প্রথাঃ এবং অতঃপর

কৌলীন্য প্রথা যে কোনো জাতি বা গোষ্ঠী বা বর্ণ বা সম্ভ্রান্ত বংশ যারা সামাজিক সম্মান ভোগ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের সামাজিক অবস্থান এবং ‘কুল’ পরিচিতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। এ আকাঙ্ক্ষার পরিচয় পাওয়া যায় রামায়ণএর (খ্রিস্টপূর্ব দু শতক থেকে দু খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) সময় থেকে। তাই কুলীন অর্থ হলো উত্তম পরিবার বা সম্ভ্রান্ত বংশজাত। বাচস্পতি মিশ্র-এর মতে, এটি চিহ্নিত হয় আচার (শুদ্ধতা), বিদ্যা (জ্ঞান), বিনয় (শৃঙ্খলাবোধ), প্রতিষ্ঠা (শুদ্ধতার খ্যাতি), তীর্থ-দর্শন (তীর্থযাত্রা), নিষ্ঠা (কর্তব্যনিষ্ঠা), তপস্যা (কঠোর ধ্যান), আবৃত্তি (সমবর্ণে বিবাহ) এবং দান (উদারহস্ত) দিয়ে। সাধারণত এধরনের গুণাবলি দেখা যেত ব্রাহ্মণ পরিবারে, যদিও কায়স্থ এবং বৈদ্যগণ এসব গুণ অর্জন করে তাদের সম্পদ, শিক্ষা, উত্তম...

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ,১লা আগস্ট,১৯৭১

৭০ সালে ভোলায় প্রলয়ঙ্কারী সাইক্লোনটির পরপরই বাংলাদেশের বন্যাদূর্গতদের জন্য কিছু করার কথা ভাবছিলেন রবি শংকর।ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বন্ধু জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।হ্যারিসন অনেকদিন ধরেই ভারতীয় রাগ সঙ্গীতের প্রতি অনুরক্ত,সুবাদেই সেতার শিখছিলেন শংকরের কাছে।উদ্দেশ্য গানের বিক্রি ও রয়ালটি বাবদ টাকা বন্যাদূর্গতদের জন্য ব্যয় হবে এই কথা টা আগেই ভেবে রেখেছিলেন দুজন।এই উদ্দেশ্যটা নেওয়া পরে হয়েছিলো রেকর্ডিং শুরুর আগেই।ততদিনে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে বাংলাদেশে।   তারপর রবি শংকর পরিবর্তন করলেন অনুরোধের।হ্যারিসনকে বললেন ছোটোখাটো একটা কনসার্ট আয়োজনের।উদ্দেশ্য ২৫-৩০ হাজার ডলার সংগ্রহ করে শরণার্থীদের সাহায্য করা।কিন্তু জর্জ হ্যারিসন নিজের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই হয়তো তার আত্নজীবনী তে লিখেছিলেন ‘The Beatles had been trained that if... irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একাদশে পড়ুয়া বালিকা

আমাকে জিইয়ে রেখেছে এই শতাব্দির একাদশে পড়া একটি মেয়ে, স্বপ্নদলের ডানায় চেপে শ্বাস নেই বুক ভরে আর ভাবি, উপচে পরা বিষাদের ভেতর এইতো প্রেম। দৃশ্যত এটি বেমানান। চাইনা ক্ষুদ্রতার প্রতিবিম্ব হতে, আমি চাই হৃদয়গহ্বরের বিশালতা ছুয়ে দেখতে। বহুদূরের নক্ষত্রের দূর্ভিক্ষে অস্ত যাওয়া সুখ হাতছানি দেয়। আমি হাপিয়ে উঠি চিত্তকর্ষের নির্মল চাহিদায়। দূর্মুল্যের প্রেম বাজারে বেঁচে থাকা মানে কি শুধু হৃৎপিন্ডের শরীরচর্চা , নাকি কাপুরুষ মস্তিষ্কের আত্নসমর্পন? একাদশে পড়া মেয়ের তরে আমি ছাড়িয়ে দেই নিজেকে। ভালোবাসি ভালোবাসি থরথর কম্পিত নিউট্রিনোর মতো, উল্কার পেছন ফেরা ছায়ার মতো। মৃত্যুমুখে অন্ধকারে সাতার কাটার মতো। আমি তলিয়ে যাই একাদশে পড়া মেয়ে অন্তনীলে।

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
side effects of drinking alcohol on accutane

জংগি হামলা,জিম্মি, দেশ আর আমরা

দেশ কোন পথে এগিয়ে যাচ্ছে তা বোঝা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে । দিনের শুরুতেই শুনতে হয় কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে আবার শেষ ও হচ্ছে সেই মৃত্যু দিয়ে । মনে হচ্ছে আমি বাংলাদেশ না কোন মৃত্যুপুরী তে আছি । এখন ঘরের বাইরে বের হতেও ভয় আবার ঘরে থাকলে ও বিপদ । কারন ঘরে এসে মেরে যাবে তাও আমরা কিছুই করতে পারব না । এটাই হয়ে আসছে । গতকাল জংগিরা হামলা চালিয়েছে রেস্টুরেন্ট এ । তার আগে মন্দিরের সেবায়েত কে কুপিয়ে মেরেছে । আবার জানি কোথায় মন্দিরের পুরিহিত সম্ভবত তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে কিন্তু তা পারেনি কিন্তু গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন ।...

রাত্রির কাব্য

রাত্রি ইদানিং সর্ব শরীরে স্মৃতি মেখে বড়দীর্ঘ; বিছানায় মিশে নিস্পলক চোখে সিলিং ফ্যান দেখে। নরম ঘুমোতে চেয়েছিলে লোমশ বুকে হাতে হাত চুপরাত কাটাতে চেয়েছিলে চেয়েছিলে নোনাবালি সফর পায়ে পা মিলিয়ে। ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র সেই সব চাওয়া। দেওয়া হয়নি কিছুই। যাওয়ার আগে বলেছিলে ‘এক টুকরো মেসেজ দিও প্রতিরাতে শুভরাত্রি লেখা’। দেওয়া হয়নি সেটাও। এখন সারা সারা রাত পাতা ভরিয়ে শুভরাত্রি লিখি। মেঘে ঢাকা পূর্ণিমার চাঁদ কে শুভরাত্রি; শুভরাত্রি টবের শুকিয়ে যাওয়া রজনিগন্ধা কে; স্থবির বৃদ্ধ বাতাস, প্রাণহীন নিথর ডোবার জল, নীল শীতল নাইট বাল্ব জোনাকির আলো, পেঁচার ডাক সবাইকে শুভরাত্রি। যখন ঘুমের প্রতিক্ষায় ক্লান্ত আমার রাত; রক্তজবা চোখের পলক ধীরলয়ে বুজে...

metformin gliclazide sitagliptin

কটুক্তিকারী শিক্ষকের ফাঁসি চাই! (২)

‘মাদ্রাসার হুজুরকে ছাত্র ধর্ষন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার’ বা ‘ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে মাদ্রাসার হুজুর আটক’ এসব খবর যত ফলাও করে প্রচার করা হোক না কেন মানুষ নিজের সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠানো কখনোই বন্ধ করবে না। এর কারন হচ্ছে এসব বাবা-মায়ের অজ্ঞানতা ও মূর্খতা। এরা মনে করে সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠানো মানে বাবা-মায়ের জান্নাত প্রায় নিশ্চিত। এ কথা কিন্তু কোরআন এর কোথাও লেখা নেই, এটলিস্ট আমি খুঁজে পাই নি। তাহলে এই বিশ্বাস মানুষের মধ্যে আসলো কিভাবে? কিভাবে আবার, ওয়াজ মাহফিল করে বেড়ানো এক্স-মাদ্রাসা ছাত্রদের কাছ থেকে। আজ পর্যন্ত যতগুলো ওয়াজ শুনেছি সব কয়টাতেই একসময় না একসময় জনৈক হুজুর কয়েকটা ভুলভাল হাদিস বলে বয়ান দিয়ে... wirkung viagra oder cialis

cialis new c 100

কটুক্তিকারী শিক্ষকের ফাঁসি চাই! (১)

নারায়ণগঞ্জের শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ‘ধর্ম নিয়ে কটূক্তির’ অভিযোগে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান লাঞ্ছিতের পর বরখাস্ত করায় প্রগতিশীল সমাজ অনেক প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগেই ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে বাগেরহাটের দুই শিক্ষককে জেলে পাঠানোর হয়েছে। এরপরেই ঘটলো এই ঘটনা। এতে প্রায় সকলের মত আমিও সেলিম ওসমানের শাস্তি চাইলেও আমরা আসল ঘটনাটাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি। দেশের মানুষ যে কতটা ধর্মান্ধ হয়ে উঠছে সে চিত্রটা এই ঘটনার মাধ্যমে খুবই ভয়ংকরভাবে ফুটে উঠেছে। “ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মাওলানা বোরহানউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের মিটিং চলার মাঝখানে হঠাৎ বাইরে শোরগোল শোনা গেল। তখন আমরা বাইরে বের হয়ে দেখি, অনেক লোক জড়ো...

buy kamagra oral jelly paypal uk

চিলে কান নিয়ে যায়, সবুজ চাঁদ আকাশে দেখা যায়

গুজব পৃথিবীর সবখানেই ছড়ানো হয়। কিন্তু বাংলাদেশে সেটা একটু বেশিই ছড়ায় চেইন বিক্রিয়ার মত এবং বিশ্বাস করার লোকেরও অভাব হয় না। এজন্য গুজব এবং প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর জন্য আমরা জাতিগতভাবে একটা নোবেল আশা করতেই পারি…   পোলাপান সব ফোন দিয়ে বলে, “আজ সবুজ চাঁদ উঠবে। তুই দেখবি না?” ফেসবুকে ঢুকে দেখি এইটা গুজব এবং বাঙালি গুজবকে বিশ্বাস করে বেশ জোরে লাফাচ্ছে। দুইদিন আগেই তো ফেসবুকে দেখলাম যে আটদিন চাঁদ উঠবে না। চাঁদমামা তার মামার বাড়িতে বেড়াতে যাবে   এজন্য বুঝি চিলে কান নেওয়ার কবিতা লেখা হয়েছিলো। ছোটবেলা থেকে এই আঠারো বছরের জীবনে বহু গুজব আর প্রোপাগান্ডা শুনেছি। আমাদের গর্বের জায়গা মুক্তিযুদ্ধের...

কবিতার ধর্ম

যখন আমি খুব ছোট মাথা ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে স্কুলের অনুষ্ঠানে বলেছিলাম . “আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকে বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে। পার হয়ে যায় গরু,পার হয় গাড়ি, দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।” . আমি তখন বুঝনি আমি ছোট্ট বেলায় মাথা দুলিয়ে পড়া সেই কবিতার কবি রবি ঠাকুর হিন্দু-কি মুসলিম ছিলো।কিন্তু বইয়ের পাতায় সেই কবিতা আমি পড়েছিলাম,সেই কবিতা এতটাই মনে গেঁথে আছে এখনো মাথা নাড়িয়ে বলতে পারবো অনেকটা।যেমন – . “কিচিমিচি করে সেথা শালিকের ঝাঁক, রাতে ওঠে থেকে থেকে শেয়ালের হাঁক।” . হ্যাঁ এদেশের শালিকের মাঝে আজো কিছু শেয়াল বসবাস করে।সেই সমস্ত শেয়ালরা দাবী করে ধর্ম দিয়ে...

viagra in india medical stores

বদ্বীপের অভিমানী বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল

ছোটবেলায় বড় ডানকিটে ছিলেন।তার দুরন্ত পানার গ্রামের সবাই তথস্থ থাকতো। বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর হাবিলদার।গ্রামের সবাই ডাকতেন হাফিজ মিলিটারী বলে।সেই হাফিজ মিলিটারীর চাক্যচিক্য শিশু মোস্তফার চোখে নেশা ধরিয়ে দিয়েছিলেন সৈনিক হবার।সেই স্বপ্নে বাধ হয়ে আসলেন বাবা কিন্তু জেদী আর একরোখা মোস্তফা বাড়ি থেকে পালিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন ঠিকই। সৈনিক হয়ে চাওয়া সেই মানুষটি থেকে আর কেই বা বেশি জানে মাতৃভূমি রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করার সেই গৌরব।এ জ্ঞানের গর্ব আর অভিমান তাকে তরুণ বয়সেই ঠেলে দিয়েছিলো মহান পথে আত্নহুতির বাণীতে।মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।২০ বছর বয়সে জয়েন করেন সেনাবাহিনীতে।ট্রেনিং শেষ করে...

zovirax vs. valtrex vs. famvir

শহীদুল্লাহ কায়সার

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে তিনি সৃষ্টি করছিলেন সেই কালজয়ী উপন্যাস ‘সারেং বউ’। যার জন্য পেয়েছিলেন ‘আদমজী পুরষ্কার’। বলেছিলেন “আইয়ুব আমাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন, আর আমি হয়ে উঠেছি সাহিত্যিক”। জ্বী, বাংলাদেশের সেই কিংবদন্তী সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক শহীদুল্লাহ কায়সারের(১৬ ফেব্রুয়ারী, ১৯২৭-১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১) কথাই বলছি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যখন পাকিস্তানী বাহিনী বাঙালী নিধনযজ্ঞে মেতে ওঠে ইনি তখন ঢাকা ছেড়ে পালাননি। দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যেতে সাহায্য করেছিলেন অনেককেই।দেশ ত্যাগ করেননি মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবেন বলে। তাঁর দেশ ত্যাগ না করার আরও একটি কারণ মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র নিজে প্রত্যক্ষ করে তা ইতিহাসে বিধৃত করতে চেয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর শিল্পী-সাহিত্যিক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীদের অনেকে...

about cialis tablets

বর্ণ মালার “র” আর ভাষা শহিদ রফিক

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের পারিল গ্রামে ছিলো তাঁর বাড়ি।একই গ্রামের মেয়ে রাহেলা খাতুন পানুর সঙ্গে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক।তাদের এই সম্পর্ক পারিবাড়িক ভাবেই মেয়ে নিয়েছিলেন দুই পরিবার।তাইতো রফিক ঢাকায় এসেছিলেন রাহেলার জন্য বিয়ের শাড়ী-গহনা কিনতে।২১তারিখ বাড়ি ফিরে যাবার কথা ছিলো রফিকের কিন্তু আর কোনদিন বাড়ি ফিরে যাওয়া হয়নি রফিকের,রাহেলার জন্য শাড়ি-গহনা কিনে বিয়ের পিড়িতেও বসা হয়নি তাঁর। . ছোট্ট সুন্দর পারিল্ গ্রামে আবদুল লতিফ ও রাফিজা খাতুনের ঘরে ৩০ অক্টোবর ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহন করেন রফিক।পুরো নাম রফিকউদ্দিন আহমদ।তাঁর পিতা আবদুল লতিফ ছিলেন ব্যবসায়ী, কলকাতায় ব্যবসা করতেন।রফিকউদ্দিনের ডানপিঠে শৈশব আর পড়ালেখা শুরু কলকাতার ‘মিত্র ইনস্টিটিউটে’। . ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর রফিকউদ্দিনের পিতা ঢাকায়...

ছাপোষা প্রেমিক

আমি চাইনা কবি হতে, মাঝরাতে ল্যাম্প জ্বালিয়ে কবিতার চাষাবাদ করতে। আমি চাইনা ভাবুক হতে, ভাবের রাজ্যে বেঘোরে কোন অচিন অনুভূতির চাবুক , চোয়াল বুঝে সহ্য করতে। আমি চাইনা কালের গর্ভে অন্ধ প্রাচীরের পাশে অন্ধকারের জন্ম দিতে, আমি চাইনা অপেক্ষার অন্তরীক্ষে মানসিক ভারসাম্যহীন এক বৃদ্ধ প্রহরীর মতো বেড়ে উঠতে। আমি চেয়েছি ছাপোষা প্রেমিক হতে। ডাল ভাত আর কমদামী ঝোলের নুন ছাড়া তরকারীতে, “আর একটু দেবো” বলার মায়াতে, শার্টের কলার ঠিক করাতে, কিংবা টানাপোড়ার সংসারে কমদামি শাড়ির হাসির প্রাণচ্ছোল আভাসে ভাসতে চেয়েছি। আমি ওসব শক্ত সামর্থ্য কবি হতে চাইনা ঈশ্বর, ছাপোষা প্রেমিক বানিয়ে দেও।

দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধে জামায়াত তাদের দায় এড়াতে পারেনা

একটি কথা জামায়াতের কর্মী সমর্থকদের প্রায় সময়ে বলতে শোনা যায়, কেউ যদি যুদ্ধাপরাধের সাথে যুক্ত থেকে থাকে,তবে সেটা তার ব্যক্তিগত দায়।দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী এই দায়ভার বহন করতে রাজী নয়।কেননা তারা শুধুমাত্র আদর্শিক অবস্থান থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধীতা করেছে মাত্র। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাঙালি নিধনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা শুরু করলেও জামায়াত ইসলামী নিজ দেশের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে পক্ষ নেয় দখলদারদের। পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে রেডিওতে ভাষণ দেয় সেই সময়ের জামায়াতের আমির গোলাম আযম। এরপর সমমনা দলগুলো ও জামায়াতকে নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী একের পর এক বৈঠক করে বাঙালি নিধনের পরিকল্পনা করে। মুক্তিবাহিনীকে সায়েস্তা করতে গঠন করে... glyburide metformin 2.5 500mg tabs

ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে যখন রুদ্র একবারে নিশ্চিত হয়ে গেল যে আজকে আর সে বিকল্প-৩৬ নম্বর বাসের দেখা পাচ্ছে না, তখন হঠাৎ করে আচানক কলাবাগান মোড়ের সিগন্যালে ভিআইপি-২৭ নম্বর বাসের পেছনে একটা ৩৬ য়ের দেখা পেল সে। দুইটা প্রাইভেটকার, একটা লেগুনা আর একটা পাজেরোর নিচে পড়তে পড়তে বেঁচে গিয়ে অবশেষে ৩৬ শে উঠলো সে। উঠেই মেজাজটা তিরিক্ষি হয়ে গেল। ভালোবাসা নামক বিচিত্র ব্যাপারটা তার জীবনে বারবার কেবল অভিশাপ হয়েই এসেছে, তাই কিনা আজকাল কোন কাপল দেখলেই তার বড়ই বিরক্তি লাগে।কেননা কাপল মাত্রেরই বিনা কারনে ক্রমাগত ভালোবাসার মিষ্টি আলাপের নামে ভ্যাজর ভ্যাজর করে মাথা ধরিয়ে দেয়ার অসাধারন ক্ষমতা আছে। আর সেটা...

তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের খুব সাধারণ এক পরিবারে ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি। খুব ছোট বেলার থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি। কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে উঠছেন। পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারনে, প্রতিবাদ করবার কারনে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরন করতে হয়। তোঁ একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি...

can your doctor prescribe accutane
puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec metformin tablet