Author: নির্ঝর রুথ

venta de cialis en lima peru

সঠিক বাংলা বানান ব্যবহার করুন, বাংলা ভাষাকে অবিকৃত রাখুন!

ফেসবুক এবং বাংলা ব্লগগুলোয় অনেক লেখা দেখা যায় যেখানে বাংলা বানানের যথেচ্ছ ব্যবহার করা হয়, যতি চিহ্নের বংশ ধ্বংস করা হয়। যারা ফেসবুকে বা ব্লগে লিখেন, ধরে নেওয়া যায় তারা বেশিরভাগই অন্ততপক্ষে দশম শ্রেণি পাশ করেছেন। তাই দশম শ্রেণি পাশ করা একজনের কাছ থেকে ভুল বাংলা বানান দেখতে পাওয়া কোন স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণি থেকে আমরা বাংলা এবং ইংরেজি ব্যাকরণ পড়া শুরু করি (নিশ্চিত নই এখন কোন শ্রেণি থেকে পড়ানো শুরু হয়)। তন্মধ্যে ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয় বলে এটায় হওয়া ভুল ভ্রান্তি মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু বাংলা ভাষার সাধারণ বানানগুলোর ভুল হতে দেখলে বা যতিচিহ্নের বেঠিক ব্যবহার...

thuoc viagra cho nam

মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণকারী পরজীবীদের গল্প

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের “Mind Suckers” নামক প্রবন্ধে কার্ল জীমার কিছু পরজীবীর আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। দেখা গেছে এ ধরণের পরজীবীর আক্রমণের ফলে পোষকের নিজস্ব ইচ্ছাশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়। তারা তখন পরজীবীর নির্দেশনা মোতাবেক চালিত হয়। প্রকৃতির অদ্ভুত আর মজার এই ঘটনার বেশ কিছু উদাহরণ নীচে দেওয়া হলো। ১। আমরা জানি, র‍্যাবিস ভাইরাসের আক্রমণে জলাতঙ্ক রোগ হয়। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করা না হলে এক পর্যায়ে এই ভাইরাস রোগীর মস্তিষ্ক দখল করে ফেলে এবং পানির প্রতি রোগীর আতঙ্ক তৈরি করে। এ সময় কিছু পান করতে গেলে বা পান করার কথা চিন্তা করলেই শুরু হতে পারে গলা আর স্বরযন্ত্রের পেশীতে ব্যথাময় খিঁচুনি। যেন...

বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীকদের তালিকা

ছোটবেলায় বাংলা বইয়ে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠকে নিয়েই শুধু বিস্তারিত পড়েছিলাম। বীর প্রতীক, বীর উত্তম বা বীর বিক্রমদের নাম ছাড়া ছাড়া ভাবে শুনেছি। পুরো একটা তালিকা পড়ি নি কখনো। তাই মনে হল, বিভিন্ন পেইজে আলাদা আলাদাভাবে না থেকে যদি একটা লেখায়ই সবার নাম উল্লেখ করা যায়, অনেকের উপকার হতে পারে। তাছাড়া আজকালকার ছেলেমেয়েদের অনেকেই ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর নাম সঠিকভাবে বলতে পারে না; ভাষা শহীদ এবং ভাষা সৈনিকদের সাথে মিলিয়ে ফেলে। এই লেখাটি তাদের জন্যও উপকারী হবে বলে আশা করছি। পূর্বকথা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে কতজন মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন সে বিষয়ে সঠিক কোনো তথ্য এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। সেনাবাহিনীর সংরক্ষিত দলিল অনুযায়ী, স্বাধীনতার...

১৯৭১-এর ধর্ষণঃ ডাক্তার জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাৎকার

জিওফ্রে ডেভিস। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক এই ডাক্তার ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন ধর্ষিতদের গর্ভপাত ঘটানোর জন্য। যুদ্ধপরবর্তীকালে বাঙালী নারীদের সাহায্য করার জন্য এই পদক্ষেপটি ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত পৈশাচিকতার একজন প্রকৃত সাক্ষী। স্বাধীনতার ৩২ বছর পর, ২০০২ সালে সিডনিতে উনার এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষক ডঃ বীণা ডি’কস্তা। মূল বিষয় ছিলো, যুদ্ধে ধর্ষণের ঘটনা এবং যুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশে তার ফলাফল। ডাঃ ডেভিস বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমান ধর্ষিতদের “War Heroine” হিসেবে সমাজে পরিচিত করতে চেয়েছিলেন যেন তারা সমাজে ফিরতে পারে। কিন্তু এটা তেমনভাবে কাজ করে নি। পাকিস্তানি সৈন্যদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার পর বাঙালী নারীরা হয়ে পড়েছিলেন...

পেইজ থ্রি (২০০৫): আলো ঝলমল মিডিয়া জগতের অন্ধকারময় কাহিনী

 ভারতের জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত পরিচালক মধুর ভাণ্ডারকরকে সবাই বিশেষ ধরণের পরিচালক হিসেবেই চেনে । গতানুগতিক মশলা মুভি না বানিয়ে উনি জোর দেন বাস্তব জীবন, শো বিজ জগত এবং অফ ট্র্যাকের কাহিনীর প্রতি । উনার পাঁচটা মুভি আমি দেখেছি – ফ্যাশন, কর্পোরেট, দিল তো বাচ্চা হ্যায় জী, হিরোইন এবং পেইজ থ্রি । সবগুলো মুভি নিয়েই হইচই হয়েছে । তবে আজ আমি লিখতে বসেছি মধুরের ছয় নাম্বার ছবি “পেইজ থ্রি” নিয়ে । যখন এটি মুক্তি পায়, তখন আমি এইচএসসি পরীক্ষার্থী । পত্রিকায় মুভিটি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি পড়ে নামটা গেঁথে গিয়েছিলো মনে আর গতকাল সকল অপেক্ষার অবসান করে (অনেক দেরীতে হলেও) দেখে ফেললাম অসাধারণ...

ছয়দিনের ভ্রমণলিপিঃ রিমিনি, ইতালি (পর্ব ১)

এক মাস আগে জানানো হল, অফিস ট্যুরে ইতালি যেতে হবে। অফিসিয়াল মিটিং আর ট্রেনিং আছে । আমার অফিসের সদর দফতর আবার ক্যালিফোর্নিয়া বা জেনেভাতে নয় ; মিকেলেঞ্জেলো, বার্নিনি, বত্তিচেল্লি, রাফায়েল, লিওনার্দো কিংবা বলা যায় দলচে এন্ড গাব্বানা, ভারসাচে, গুচ্চি, প্রাদা, জর্জো আরমানি আর সাল্ভাতোরে ফেরাগামোর দেশে  |ভেটকি| । এটাই আমার প্রথম বৈদেশ ভ্রমণ । তাই দেশের বাইরে যেতে হলে কী কী নিয়ম কানুনের ভিতর দিয়ে যেতে হবে, আমি জানতাম না । যেহেতু অফিস থেকেই সমস্ত কাগজপত্র ফিল-আপ করার মহান দায়িত্ব পালন করা হয়েছে, তাই আমি এটাও জানতাম না যে ভিসার জন্য কেমন করে এপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করতে হয় । ফলাফলঃ...

1st oscar

আহ অস্কার! বাহ অস্কার! (৮৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে পোস্ট)

The Academy Awards নামক খটমটে অনুষ্ঠানটি হল একটি বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যাকে সাধারণভাবে আমরা অস্কার অনুষ্ঠান হিসেবে চিনি। এখানে এক ন্যাংটো ব্যাটার মূর্তি পুরষ্কার হিসেবে দেওয়া হয় (আস্তাগফিরুল্লাহ! তবে নগ্নতাই অশ্লীলতা নয়…) আর এই মূর্তি জেতার জন্য হাঁ করে বসে থাকেন দুনিয়ার তাবৎ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোট ৮৬ বার অস্কার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে যার গোরাপত্তন ঘটেছিলো ১৯২৯ সালের ১৬ মে। আগামীকালও ১৬ মে। অর্থাৎ অস্কারের সূচনার ৮৬তম বার্ষিকী। রৌপ্য, স্বর্ণ, হীরক এবং প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী শেষে এবার কোন জয়ন্তীতে পা দিলো এই মহোৎসব, বুঝতে পারছি না। তবে এটা যে বিনোদন জগতের সবচেয়ে পুরানা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান তাতে কোন...

cialis new c 100
glyburide metformin 2.5 500mg tabs
amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
will metformin help me lose weight fast