Author: মিনহাজ শিবলী

অস্তিত্বহীন সত্তানামা

একটি অস্তিত্বহীন সত্তা বিরামহীন করছে ছোটাছুটি একপ্রান্ত থেকে অন্য। এক হাতে তার ধ্রুব সদ্য কাটা লাল রক্তের দাগ দুটি শত্রু হননের জন্য। একলা নয় সে, আরও কিছু অস্তিত্বহীন সত্তা চারদিকে দিচ্ছে বেশ বিনোদন। আমার কাছে কিছু অতি দুর্বোধ্য শ হাজার লাইন লিখে আনে ছদ্মবেশী কজন। পরিচয় এখন তাদের নানান, জলদস্যু একটা তার। করে নাকি ক্ষতি সাধন। তৃতীয় বিশ্বের সদস্য তাদের দিয়ে রাখে আশার ভার। বুর্জোয়ার অরণ্যে রোদন। সত্তা হতে পারে অস্তিত্বহীন, তবুও মিশে যায় অস্তিত্বে। বাস্তব যদিও নয়। পরাবাস্তবের নেশাখোর সত্যের মতই বিশ্বাস করে মিথ্যে। মিথ্যাই বড় ভয়। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৩/০২/২০১৫

capital coast resort and spa hotel cipro

ভাষাসৈনিক ও দৌহিত্র

পান খেতে খেতে, পথে হেঁটে হেঁটে যাচ্ছে এক বুড়ো। হাতে নিয়ে লাঠি, সাথে তার নাতি; বৃদ্ধ থুড়থুড়ো। দাড়ি সব সাদা। নাতি বলল, “দাদা,কী হয় ২১শে ফেব্রুয়ারি?” “শোন তবে নাতি, গর্বে ফুলে ছাতি; ভাষার জন্য নর ও নারী মিছিলে বের হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের ক্ষোভ চাঙা। ধারা একশ চুয়াল্লিশ, মিছিলের বিষ, অতএব তা হল ভাঙা। ঢাকা মেডিক্যাল, চালাচ্ছিল সাইকেল শহিদ শফিউর রহমান। পুলিশের গুলি ছোটে, এসে লাগে পিঠে, কেড়ে নিল তাজা প্রাণ। উন্নিশশো বায়ান্ন, বাংলা ভাষার জন্য সেদিন দিয়েছে প্রাণ-মন সালাম, রফিক, বরকত,শফিক আরও কতো অজানা জন। রক্ত গেল ভায়ের, বুক খালি মায়ের- বিনিময়ে বাংলা ভাষা।” “তবে দাদা আজি, কেন ইংরেজি... half a viagra didnt work

মৃত ভালবাসা

সেই ছেলেটা আজকাল বড় বেশি বখে গেছে। হাত কেটে ঘরে ফিরে, বলে লেগেছে ভাঙা কাঁচে। ছেলেটা দিনভর কোথায় থাকে, কীই বা করে? জিজ্ঞাসিলে বেরিয়ে যায়, ফেরে না কদিন ঘরে। ঘরে ফিরেও চুপচাপ থাকে, বলে না কোন কথা। চোখ দুটি করে ছলছল, মনের কোণে তার ব্যাথা। ভাবছে সবাই সেই ছেলেটা হয়ে গেছে খুব বখাটে। কেউ জানেনা কেন সে নিকোটিন স্রোতে হাঁটে। বলে, “আহারে খুব ভাল ছিল, আজ কেন নষ্ট?” কেউ ভাবেনা তার মনে জমে থাকে কত কষ্ট। কী জানি কোথায় যায়, ভাঙে কার মাথার খুলি- নাকি গুন্ডাদলে মিশে গেল, শিখছে গোলাগুলি? নাকি স্কুল কলেজের গেটে মেয়েদের করে উত্যক্ত? কত ভ্রান্তি তারে...

হরতাল অণুকাব্য

১ শুক্র আর শনি বাদে হরতালে দেশ কাঁদে। ২ আজিব শহর ঢাকা, নাই তো একটু ফাঁকা। আগে দিলে হরতাল- রাস্তায় ছেলেরা দামাল হইরই চল চল খেলব ক্রিকেট-ফুটবল। ৩ হরতাল দাও তবুও ম্যাম, রাস্তায় কেন এত জ্যাম? ৪ অবরোধের উপর হরতাল- অর্থনীতি বড় বেসামাল। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৭/০২/২০১৫

অর্ধসত্য ইতিহাস

জাদুঘর দেখেছ? জাদুঘর? সেখানে জাদু দেখায় কিনা? আরেহ নারে বোকা, ধুর। ওই যে আধা সত্য আছেনা, যাকে তারা কিনা ইতিহাস ডাকে, সে নাকি সেখানে কথা বলে। ইতিহাস মনে রাখবে কাকে? মানুষকেই, তবে সে জয়ী হলে। বাকি অর্ধেক মানুষের জীবনের কোন অস্তিত্ব নেই ইতিহাসে, পরাজিতদের কি ঠাঁই হয় মনের মাঝে? তাদের উড়াও উপহাসে। অর্ধ সত্য ইতিহাস আসে ফিরে বারবার, কারণ তুমি যাও ভুলে- চাও নাম যেন জয়ীর কূলে ভিড়ে কিন্তু যাচ্ছ বিশ্বাসঘাতকের দলে। মনে পড়ে মীরজাফর আলী খান? জয়ী দলেই ছিল তবুও পরাজিত। বা রাজাকারের পেয়ারে পাকিস্তান? হারের চেয়ে বিশ্বাসঘাতকতা ঘৃণিত। ইতিহাস কি শুধু জয়ীদের কথা বলে? না, সে মনে রাখে... acquistare viagra in internet

নিষ্পাপের চিৎকার

নিষ্পাপের চিৎকার আমার কানে বড় লাগে। তবুও কান চেপে যাই শুনে। অভ্যস্ত অ্যাপ্রোনধারী, আমারো গা সওয়া হয়ে যাবে এসব- এসে দিন দুই-তিনে। নবপ্রাণের বিদায় দেখেছি। নবপ্রাণের দেখেছি পার্থিব জগতে আগমন। পাথরের হৃদয়, আবেগের উপসর্গ কাড়ে ব্যস্ততা, এসব কখন ছুয়ে যাবে মন? বাস্তবতা কঠোর। টাকা ত্রিশেক, একটি সাদা কাগজ, একটি প্যাঁচানো স্বাক্ষর। দুশ্চিন্তার ঘোরে পিতা; পুত্র তার শক্তির আধার গিলে ক্রমশ শক্তিহীন নিথর। এখানে এলেই ঈশ্বরের প্রতি জাগে ক্ষোভ, অবুঝেরে কী পাপে দিয়ে যায় শাস্তি? এত আর্তনাদ পৌঁছে তোমার কাছে। নিষ্পাপের ভোগান্তিতে পাও কি স্বস্তি? ক্ষুদ্র জ্ঞানের বড় প্রশ্ন বোধহয় আটকে যায় আকাশ পথের কোন শূন্য মোড়ে। আমার বিবেক আমার মনেই...

মুক্তির দ্বিতীয় যুদ্ধ

দেয়ালে ঠেকছে পিঠ, এবার কি নামতে হবে আরেকটি যু্দ্ধে? বোঝেনা বিবেকহীন কীট- জনতা চলে যাচ্ছে রাজনীতির বিরুদ্ধে। জাগো জনতা, জাগো। হামলাকারীদের ধরে গণপিটুনিতে মারো। দেশদ্রোহীরা ভাগো- দেশ নিয়ে খেলছ বহুত, এবার খেলা ছাড়। জনতা বোঝেনা আম্লিগ, বোঝেনা বিম্পি, দে তোরা লড়াইয়ে ক্ষান্তি। ঘিরে তোদের চারদিক- মারবে দয়াহীন, যুদ্ধই হয়ত আনবে শান্তি। কে পেয়েছে ক্ষমতা দেশ ও মানুষকে করে রেখে অবরুদ্ধ? রাজনীতি ও জনতা দুপক্ষ এবার, লড়বে মুক্তির দ্বিতীয় যুদ্ধ। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০৭/০২/২০১৫

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
acne doxycycline dosage

নীরোর বাঁশি

তোরা রাতে ঘুমাস কী করে? একবারও দুঃস্বপ্ন আসে না ঘুমের ঘোরে? মানুষগুলো পুড়তে পুড়তে মরে, মানুষগুলো জ্বলে আর চিৎকার করে। মানুষগুলোর গায়ে দগ্ধ ঘায়ের দাগ, তোদের উপর জমে থাকে অনলসম রাগ। মেরে ফেললি জ্যান্ত মানুষ পেট্রোল বোমা মেরে। তোরা রাতে ঘুমাস কী করে? জনতার প্রতি কিসের এত ক্ষোভ? নারে, তোদের মগজ ভর্তি ক্ষমতার লোভ। তন্দ্রায় বিবেক তোর ঘুমিয়েই থাকে। ক্ষমতায় যাবার সুখ স্বপ্ন বোধহয় আঁকে। যে করেই হোক বসতে হবে ক্ষমতার ওই চেয়ারে। তোরা রাতে ঘুমাস কী করে? “ঈশ্বর থাকেন ওই গ্রামে,ভদ্রপল্লিতে” জনতা ডাকে, আসে যায় কিছু তাঁর তাতে? হয়ত শোনে, দয়া নাকি তাঁর ম্যালা। অধম বান্দা ভাবে,দয়ালের এ কী...

শোডিঞ্জারের বিড়ালের স্বার্থ

বৃত্তের বাইরের বাক্সের পাই হিসেব কর ব্যাসের মধ্যবিন্দুতে বসে,   সায়ানাইডকে মধ্যাংগুলি দেখিয়ে শোডিঞ্জারের বিড়াল বেরিয়ে আসে।   কূপের মুণ্ডুকের মত তোমরা শুধু সন্তরাও জুড়ে একই কূপের পানি।   পানির এ প্রান্ত ও প্রান্ত জেনেই ধরে নিস জগতের সকল কিছুই জানি।   তোদের ক্ষুদ্র-বৃহৎ স্বার্থ তুলনা আমার যুক্তিতে হাস্যকর লাগে।   পরের স্বার্থ যে ক্ষুদ্র সে বিচারের দায়িত্ব তোকে দিল কোন ছাগে?   বেরিয়ে আয় বাইরে, চেয়ে দেখ কত সামান্য তোর বৃত্তের পরিধি।   শোডিঞ্জারের রেখে দেওয়া সায়ানাইডই তোদের মারবে শেষ অবধি।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৯/০১/২০১৫

তোমাদের জন্য ঈর্ষা

আরেকদিন জীবিত? কোন ক্ষত নেই শরীরে? কিংবা দগ্ধ চামড়া মাংসের গন্ধ? তুমি সৌভাগ্যবান। আসলে কি তাই? নাকি তোমারও আমাদের মত ভাগ্য মন্দ? ঈর্ষা হয় মৃতদের। সৌভাগ্য আস্তিকের জন্য স্বর্গ্ববিশ্বাসে পৌঁছে যাবার। নাস্তিকের বেলায়? এ সহিংসতাপূর্ণ পার্থিব জগৎ মুক্তিই যেন স্বর্গ্ব স্বাদ পাবার। কাদম্বিনীর মত জনতাকে মরে প্রমাণ করতে হবে সে এখনও মরে নাই। ক্ষমতার পূজারি, জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার, দগ্ধ চিৎকার, আর কত নরবলি চাই? রুদ্রের ন্যায় আমার নাকেও ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ আসে নিয়ে বয়ে। আরও ঈর্ষা মৃতদের শান্তির দেশে (আদৌ যদি থাকে) চলে গেলে মরে গিয়ে।

ovulate twice on clomid
doctus viagra

বোকা আমি বোকা মন

সেই আগের মত নেই বদলে গেছে অনেক কিছু। এগিয়ে যাচ্ছে সবাই আগে আমিই শুধু তাকিয়ে পিছু। চারদিকে সব নতুনের খেলা, পুরোনো আমি, পাই অবহেলা, অবহেলিত কবিতারা আজ উঠছে জেগে, বিশ্বাসের সময়ে- মিথ্যা আমার ভাগে। বারে বারে আঘাত পেয়েও ছুটে যাই আঘাতেরই কাছে। আঘাত আর প্রবঞ্চনার মাঝেই আমার ভালোবাসা লুকিয়ে আছে। বোকা ছিলাম,তাই আছি,থাকব সারাজীবন- বিশ্বাস-অবিশ্বাসে আহত বোকা মন। kamagra pastillas

দুর্ঘটনা কিংবা ভালবাসার মৃত্যু

সে হাঁটছিল ফুটপাতের পাশ ঘেঁষে, হেডফোনে বলছিল কথা হেসে হেসে। সাইকেলের হ্যান্ডেলটি ছিল হাতে ধরা, মাঝে মাঝে বেলে আঘাত টুংটাং করা। আঙুলের ফাঁকে আটকে সিগারেট রাখা নিকোটিনের সুখটানে মস্তিষ্ক ফাঁকা। টেনশনবিহীন সে করেনি তো লক্ষ আসছিল বাস,চালক তার অদক্ষ। হঠাৎ চিৎকার – হই হই ধর ধর মুহূর্তে দেহ তার রক্তাক্ত নিথর। পিষ্ট করে চলে গেল দানবীয় বাস তরতাজা প্রাণটি শুধুই এখন লাশ, ফোনের অপ্রান্তে হয়তো কোন ললনা ভালোবাসার মৃত্যু করে গেল ছলনা।

nolvadex and clomid prices
zovirax vs. valtrex vs. famvir