Author: এসজিএস শাহিন

সত্য কথা সহজভাবে!

২০০৯ এর নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ এবং যুদ্ধাপরাধ বিচারের অঙ্গিকার করার পর এই সরকারের সাথে দল সমর্থকের বাইরেও বিপুল সংখ্যক প্রগতিশীল, দেশপ্রেমী শিক্ষিত তরুণ-যুবক ইনভল্ভ হয়ে যায়। স্বাধীনতার শত্রুমুক্ত একটি সুন্দর, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখার আশায় এরা আন্তরিকতার সাথে সরকারের পাশে দাড়ায়। পরবর্তীতে উৎসাহিত হয়ে এদের সাথে সর্বক্ষেত্রে যোগ দেয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল লক্ষ সাধারণ মানুষ। শাহবাগ মুভমেন্ট ছিল তারই একটি আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। এরপর আমরা দেখেছি, এই মানুষেরা দেশ বিরোধীদের মিথ্যে অপপ্রচার রোধ, নানামুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন জনকল্যানমুখী কাজে অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনা থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি, রানা প্লাজা ধ্বসের পর এরা উদ্ধার কাজে সরাসরি...

হরতাল!

হরতাল মূলত একটা গুজরাটি শব্দ। যা সর্বাত্মক ধর্মঘটের প্রকাশক। অন্যভাবে বললে এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা। মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। জন গুরুত্বপূর্ণ কোন ইস্যুতে রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে। এই প্রথাটি শুধুমাত্র এই উপমহাদেশেই প্রচলিত। গাড়ী ভাংচুর, জান-মালে অগ্নিসংযোগ, অরাজকতা সৃষ্টি এসবের নাম হরতাল নয়। যে কোন দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে, কিন্তু মানা না মানা জনগণের ব্যাপার। মানুষ মেরে, ভাংচুর করে, আগুন দিয়ে হরতাল মানতে বাধ্য করাটা অন্যায়, অন্যায্য এবং অগণতান্ত্রিক। বাংলার ইতিহাসে একটি মাত্র হরতালের আহবানই ন্যায্য ও জনগুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭১ সালে সেই হরতালের আহবান করেছিলেন বঙ্গবন্ধু...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি…

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জানিনা এই চিঠি কোন দিন কোন কালে আপনার দৃষ্টিগোচর হবে কি না। তবুও লিখছি, কারন আপনার কাছে আমার দাবীটা জানানোর একটা চেষ্টা তো অন্তত করেছি এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সান্তনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই দেশ ক’দিন আগেও দেশ ছিল না। পাকিস্থানের একটি প্রদেশ ছিল মাত্র। আপনার বাবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে পাকিস্থানের সেই পূর্ব প্রদেশটিকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট ‘বাংলাদেশ’ নামে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। উনার স্বপ্ন ছিল, সাড়ে সাত কোটি মানুষের স্বাধীনতা, শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্তি ও আত্মসম্মানের সহিত শান্তিতে বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় এক সাগর রক্ত...

ছেমা

আরবীতে ছেমা বলে বাংলা ভাষায় গান, তাহার অবস্থা কিছু শোন মুসলমান। গান বাজনার আদবের কথা শোন বেরাদর, লাখে লাখে লোকে করে তাহার কদর। কেন কদর করে লোকে দেখনা ভাবিয়া, সকলেই পছন্দ করে ভাবিয়া চিন্তিয়া। যে জানে না কিছু সেও গান গায়, দুই এক পদ গাইলে তবে মনে শান্তি পায়। বোবা লোক দেখলে ভাইরে আন্দাজ করিবায়, মাত কথা জানে না ভাই সেও কুন কুনায়। অবোধ শিশু যারা মায়ের দুধ খায়, কেউ যদি কারণবশত ঐ শিশুরে কান্দায়। ঘুমাওরে ঘুমাওরে বলে যদি গান গায়, শিশুর গায়ে থাপ্পড় দিয়া হাতে তাল বাজায়। গানে আর তালে শিশু ঘুমাইয়া যায়। নদী যদি শুকাই যায় নৌকা ঠেকে... levitra 20mg nebenwirkungen

acne doxycycline dosage

প্রশ্নপত্র ফাঁস : রোধকল্পে করণীয় এবং একটি প্রস্তাব।

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। বাংলাদেশে শিক্ষা একটি অপরিহার্য বিষয়। বর্তমান সরকার তার গত মেয়াদে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সৃষ্টি করে। নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন, গণহারে এমপিওভুক্তি, ঝরে পড়া রোধে ব্যবস্থা, নকল রোধে কার্যকরী ব্যবস্থাসহ বেশ কয়েকটি ভাল পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদও ব্যাপক সফলতার সুনাম অর্জন করেন। কিন্তু নতুন করে দেখা দেয় আরেকটি মারাত্মক সমস্যা ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস’ বিষয়টি। শিক্ষা বিভাগের কিছু অসাধু, ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কল্যানে প্রাথমিক থেকে বিসিএস পরীক্ষা পর্যন্ত প্রায় সবকটি পাবলিক পরীক্ষারই প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে থাকে। প্রায় সবকটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের পর মন্ত্রণালয়... capital coast resort and spa hotel cipro

মুক্তিযুদ্ধের গল্প ১ : সন্তান হারানো এক মায়ের করুণ আহাজারি।

১৯৭১ সাল। স্থান : সিলেটের গোয়াইনঘাট থানাধীন ফতেপুর ইউনিয়নের রাতারগুল গ্রাম(পর্যটন কেন্দ্র সুন্দরবন যে গ্রামে অবস্থিত)। সম্ভবত আগষ্টের মাঝামাঝি কোন একদিন।সন্ধ্যা হয় হয় অবস্থা। খবর এসেছে, মিলিটারি আসছে এদিকে। এমনিতেই প্রতিদিনই দিনের পুরোটা সময় আতঙ্কে কাটে কখন পাকি মিলিটারিরা চলে আসে, সন্ধ্যার পর যেন সেই আতঙ্কটা আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। খবরটি চাউর হতেই সারা গ্রামে হুলস্থুল পড়ে যায়। কেননা এই খবরের সাথে বাড়তি যোগ হয়, গ্রামে মুক্তি ঢুকে কোথায় জানি ওঁত পেতে আছে; তাই পাকি মিলিটারিরা মুক্তিদের খুজে বের করে মারবে আর না পেলে পুরো গ্রাম ধ্বংশ করে দেবে। অগ্নিসংযোগও করা হতে পারে।(খবরটি আসলেই সত্য ছিল এবং দুজন মুক্তিযোদ্ধা আগেরদিন...

metformin tablet

দেশাত্ববোধ বনাম বিরোধীতাবোধ : কিঞ্চিত দীর্ঘশ্বাস

ঘরে টিভি আছে। গ্রামে সাধারণত সবার বাড়ী টিভি থাকেনা বা থাকলেও খেলা দেখার সময় তরুনেরা বড় টিভি ওয়ালা, হৈ হুল্লোড় করা যায় এবং পরিস্কার দেখা যায় এমন বাড়ীতেই ভিড় জমায়। সেই সুবাদে খেলার সময় আমার ঘরে প্রচুর দর্শকের উপস্থিতি ঘটে। বিশেষ করে ক্রিকেট খেলার সময়। তো আমি খেলা দেখতে উপস্থিত থাকলে অপেক্ষাকৃত কমবয়সী যারা খেলা দেখতে আসে তারা প্রত্যেকেই খেলা বিষয়ক কোন মন্তব্য করতে গেলে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয়। এই যেমনঃ ম্যাচে আমাদের প্লেয়াররা কোন LBW এর আবেদন করলে আর আম্পায়ার না দিলে তারা বলবে, “দেখছেননি শাহিন ভাই; শালার আম্পায়ার ইজি LB টা দিলো না(আসলে LBW ছিলোই না!)? বিপক্ষ... zoloft birth defects 2013

মুক্তিযুদ্ধ, চীনাবাম ও বঙ্গবন্ধু

মুক্তিযুদ্ধে বামদের ভূমিকা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বেশ বিতর্ক আছে। ঐ সময় বামেরা অনেক দল ও উপদলে বিভক্ত ছিল। এমনকি চীনপন্থীদের মধ্যেও মাওপন্থী, নকশালপন্থী, হকপন্থী, তোহাপন্থী, সর্বহারা (সিরাজ শিকদারের সন্ত্রাসী গ্রুপ) সহ অসংখ্য দল, উপদল ও গ্রুপ ছিল । ৭১ এ যুদ্ধাকালীন সময়ে তাদের বেশির ভাগেরই অবস্থান ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। মূলতঃ ষাটের দশকে চীন-রাশিয়া মেরু করণের সময়ে মওলানা ভাসানীকে কেন্দ্র করেই চীনাপন্থীরা একত্রিত হয়। আবার চীন-পাকিস্তান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকায় আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ভাসানী সক্রিয় হতে পারেন নি। অন্য দিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকায় চীনাপন্থীরা কখনোই আওয়ামী লীগকে আস্থায় নিতে পারে নি। এই আস্থাহীনতাই ৭০ এর পরে আওয়ামীলীগ ও...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

১৬ই আগস্ট হোক জাতীয় শোক দিবস ।

বেগম জিয়ার জন্মদিন নিয়ে হাজার হাজার ব্লগপোষ্ট, কলাম, সম্পাদকীয়, ফেসবুক পোষ্ট লিখা হয়েছে । ঐ দিন জন্মদিন কিনা তা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি তর্ক সহ আলোচনাও হয়েছে । মেজরিটি লেখক ও আলোচক প্রমাণ করেছেন ঐ দিন বেগম জিয়ার জন্মদিন নয়। এদের মধ্যে অনেকেই শেষপর্যন্ত আবার এও বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, ঐদিন সত্যিকার অর্থে কারো জন্মদিন হলেও তা উৎসব করে পালন শোভনীয় নয় । কেননা ঐদিন জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে এবং বাংলার ইতিহাসে এদিন একটা শোকের দিন হিসেবে স্বীকৃত। তাছাড়া ১৫ই আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবেও ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হইয়াছে । কিন্তু কে শুনে কার কথা! মানুষ হলে... metformin synthesis wikipedia

wirkung viagra oder cialis

জীবকড়াঁ!

একটি করে টর্চ লাইট, বল্লম, ছুরা ও লাঠি নিয়ে প্রস্তুত গফুর, করিম, রহিম এবং বন্ধু আফজল। সব মিলে তারা মোট চারজন যাবে কবরস্থানে। হারিকেন নিয়ে পেছনে থাকবে গফুরের স্ত্রী আমিনা ও গফুরের অন্য বন্ধু কুদরত। মোল্লাজির কথামত আমিনা সবকিছু বুঝিয়ে দিচ্ছে গফুরদের। – তুমি থাকবে সামনে, মেঝো ভাই ও ছোট ভাই থাকবে তোমার দুই পাশে আর আফজল ভাই থাকবে পেছনে। একেবারে চুপি চুপি যাবে। ধরে জোরে চিৎকার দিলেই আমরা সবাই দৌড়ে চলে আসবো। এত কষ্ট করে একটা সন্তান পেয়েছি আর ডাইনি ছিনিয়ে নিল; আমি ওদের ছাড়বোনা! এভাবে আর কোন মায়ের বুক খালি হতে দেয়া যায় না। ২৫দিন আগে মারল নুরীর...

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর!

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি, গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান, সেই গোচারণ, সেই শান্ত সামগান, নীবারধান্যের মুষ্টি, বল্কলবসন, মগ্ন হয়ে আত্মমাঝে নিত্য আলোচন মহাতত্ত্বগুলি। পাষাণ পিঞ্জরে তব নাহি চাহি নিরাপদে রাজভোগ নব– চাই স্বাধীনতা, চাই পক্ষের বিস্তার, বক্ষে ফিরে পেতে চাই শক্তি আপনার, পরানে স্পর্শিতে চাই ছিঁড়িয়া বন্ধন অনন্ত এ জগতের হৃদয়স্পন্দন। ১৯ চৈত্র, ১৩০২ রবী ঠাকুরের এই কবিতার সাথে সবাই ই কম বেশি পরিচিত। পুরো কবিতা যদি আমরা কেউ কেউ নাও জেনে থাকি তবুও মাধ্যমিকে পড়েছেন আর কবিতার প্রথম লাইনটি দেখেননি বা...

মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষনের দাবী…

ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, ঘটবেই। গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে যে কোন দলই ক্ষমতায় আসতে পারে এবং সেটা স্বাভাবিক ও অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। ভয়টা হল অন্য জায়গায়! যদি স্বাধীনতা বিরুধীরা আরেকবার জয়ী হতে পারে তবে এই ইতিহাস বিকৃতিকারীরা মুক্তিযুদ্ধের কোন ডকুমেন্টই তারা আর অবশিষ্ট রাখবে না। কেননা অতীতেও তারা এরকম করেছে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক মুল্যবান আলামত ও দলিল-দস্তাবেজ তারা নষ্ট করেছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলা একাডেমি ও আদালতে বর্তমানে যে সব ডকুমেন্ট বা দলিল-দস্তাবেজ রয়েছে তাও পুরোপুরি সংরক্ষিত অবস্থায় নেই।যে কোন দুর্ঘটনা বা অগ্নি সংযোগে হারিয়ে যেতে পারে মুল্যবান দলিল সমুহ। সরকার ও এসব দলিল পত্র সংরক্ষনে এখন পর্যন্ত কার্যকরি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কালের কন্ঠ পত্রিকার...

মানুষ চেনা সম্ভব? মোটেও না!

বড়ই বিচিত্র এই পৃথিবী ।তার চেয়েও বড় বিচিত্র এই পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ ।এক কথায় পৃথিবীতে বিধাতার অমোঘ সৃষ্টি; হাজার প্রজাতির আজব প্রাণীর মধ্যে সবচাইতে আজব প্রাণীটির নাম হচ্ছে মানুষ। প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষই খুব অল্প সময়ের মধ্যে তার রূপ বদলাতে পারে। রেকর্ড সময়ের মধ্যে বদলে যায় মানুষ। একটু আগেও যে ছিল হাবাগোবা ধরনের, মুহুর্তে সে হয়ে যায় ধূর্ত প্রকৃতির। মিষ্টি হাসির মানুষটির চেহারায় ফুটে ওঠে হিংস্রতা। আর এ জন্যই প্রাণীদের মধ্যে শুধু মানুষকেই বারবার আয়না দেখতে হয়! অন্য প্রাণীরা কিন্তু আয়নায় নিজের চেহারা দেখে না। প্রতিনিয়ত রূপ বদলায় বলেই মানুষের আয়না দেখতে হয় চেহারা মনে রাখার জন্য। অন্যতায় হয়তো সে নিজেকেই...

ovulate twice on clomid
private dermatologist london accutane