Author: জাফরান দেশের কাঁচপোকা

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

ধর্মান্ধ-তা নয়, মানসচক্ষুই অন্ধ

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে হত্যার ষড়যন্ত্রকারী আবু জেহেল রক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু হুমায়ুন আজাদ রক্ষা পান নাই, থাবা বাবা ওরফে রাজীব রক্ষা পান নাই, আজকে অভিজিৎ-কেও রক্ষা করতে পারে নাই। আবু জেহেল কি নাস্তিক ছিলেন?? কই তাকে তো কেও দিনে দুপুরে কুপিয়ে মারে নাই। নবীজী বার বার তাকে ধর্মের পথে আহবান জানিয়েছিলেন, কখনো কুপিয়ে হত্যা করার কথা ভাবেন নাই। “(আল্লাহ্‌র) দীনের ব্যাপারে কোন জোর জবরদস্তি নেই,……” -সূরা আল বাকারা-২৫৬ ” আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।… -সূরা আল বাকারা-১৯০ “……কোন মানুষকে হত্যা...

যে জীবন ফড়িংয়ের

ওগুলো একটা কাঠামো শুধুই কিছু মাংস চামড়া টাঙ্গানো একটা হাড়ের ফ্রেম মাত্র। যাতে তোমরা কেতাদুরস্ত রংচঙা পোশাক চাপাও; দেখে সং সং লাগে, সেটা কি জানো? আবার বাহারী তাদের নাম; মানুষ, মানব, মনুষ্য। নীল রঙা রক্ত বইছে যার শরীরে তার গায়ে বেঢপ কদাকার সবুজ জামা; যেন কত শ্যমলীমা আর মমতা তার মাঝে। ধূসর বিবর্ণ ছাই রঙা ভেতরের মানবের শরীরে ঝুলছে লাল জামা, যেন কত উচ্ছলতায় ভরপুর। আমার দমবন্ধ করা হাসি পায় এদের সার্কাস দেখে। কেউ দড়বাজিকর, কেউ ছলনাময় জাদুকর। এসব কাঠামোগুলো কেবল ঠায় দাড়িয়ে থাকে। ক্লান্তিকর একঘেয়ে সুন্দর বিস্ময়কর কিন্তু হতাশ। তাদের চকচকে আয়নার মত চামড়া কেবল প্রতিফলিত করে। নিজের দিকে...

can you tan after accutane

ফটোফ্রেম “১৯৭১”- এর কারিগরেরা; পর্ব- ২

দূর থেকে দেখলে হয়তো লম্বা পিঁপড়ার সারি বলেই মনে হতো। কিন্তু দৃশ্যটি খুব কাছ থেকে দেখা। তাই মানুষ বলে চেনা যাচ্ছে মানুষগুলোকে। বহুদূর থেকে তারা আসছে পায়ে পায়ে। ক্লান্ত, অবসন্ন। তবু চলার বিরাম নেই। স্রোতের মতো চলমান মানুষের পেছনে উদ্যত মৃত্যু। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। চোখে আতঙ্ক-উদ্বেগ, মুখে শোকের ছায়া। চলছে তারা যশোর রোড ধরে। শিশু-যুবক-মধ্য বয়সী, বৃদ্ধ নর-নারী। পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামগঞ্জ থেকে জোয়ান বুড়ো বোঁচকা বুঁচকি ঘটিবাটি নিয়ে গ্রাম ছাড়ছে। দুস্থ শরণার্থী কংক্রিটের পাইপে বসত গড়েছে। রাস্তার ধারে ভাত ফুটছে। ভাতের পাতিলের সামনে কাত হয়ে শুয়ে আছে গর্ভবতী মলিন কিশোরী। এক বুড়িকে ডুলিতে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দুটো লোক। বিশাল পাইপ...

ফটোফ্রেম “১৯৭১”- এর কারিগরেরা; পর্ব- ১

‘৭১’ কী? বললেই চোখে ভাসবে কতগুলো ছবি। শোষণ, নির্যাতন, অসহযোগ, আগরতলা ষড়যন্ত্র, ছয় দফা, বঙ্গবন্ধু, ৭০-এর নির্বাচন, ৭ মার্চ, ২৬ মার্চ, গণহত্যা, সম্ভ্রমহানি, আগুন, লুটপাট, রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধ, বীরত্ব, আত্মত্যাগ আর বিজয় এমন কিছু খণ্ড খণ্ড ছবি। এসব ছবি দীর্ঘ সময়ের। তবু আমাদের কাছে এগুলো মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট কাজ হিসেবেই পরিচিত। মুক্তির জন্য যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিল তারা সবাই ছিল মুক্তিযোদ্ধা। তাদের বাইরেও অনেকে ছিলেন। যারা শরণার্থীদের সাহায্য করেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছেন, খেতে দিয়েছেন, ভোর হলে ডেকে দিয়েছেন। এদের সবাইকে আজ আমরা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মানি। কিন্তু শুধু কি এই? যুদ্ধের এই ডামাডোলের মধ্যে শুধু ক্যামেরা হাতে বেরিয়ে পড়েছিল কিছু মানুষ।... tome cytotec y solo sangro cuando orino

হয়তো কোন একদিন আবার সে উঠবে তবু জেগে

সারাদিন সারারাত যার মৃত্যুযাপনের চিহ্ন আঁকা বিচ্ছুরিত বিদ্যুতের মত তার চারকোণা ঘিরে শূন্যতা। পৃথিবী আর সৌরকক্ষে ডানা মেলার স্পৃহা শেষ হলে অভ্যাসের ছেঁদো গর্তে- বশ্যতায়- নিহত বিপ্লবে শরীরের প্রাচীন ঘুণ ঢেকে আর ব্যর্থতা লুকিয়ে বুকে, সে দিন কাটাতো অসাধ আর অসাধ্যের অসুখে! নিজেই নিজের চোখে ডেকে আনতো সমুদ্রের লোনা হাত রাখার ঘর ছিল না তার … ছিল না কোনও উত্তরাধিকার। সে পারিনি জাগাতে, তার পাথরের মত পাষাণ হাতে; ঘৃণা থেকে ছিটকে পড়ে থাকা বেওয়ারিশ ভালোবাসাকে। মনে হয় তার যেন কোনোদিন ছিল না হৃদয় কিংবা ছিল কিন্তু হয়তোবা তার জন্য তা নয়। একদিন সে যাবে বহুদুরে, যে ভাবে বাতাস যায় দীর্ঘনিশ্বাসকে...

“Veni, vidi, vici”- “I came, I saw, I conquered.”

এই মুখোশটা আপনারা সবাই-ই দেখেছেন। আসলে এটিকে মুখোশ না বলে এফিগি বলাই ভালো। সাধারণ অর্থে মুখোশের অন্তরালে মূর্তিসদৃশ ব্যক্তিকে এফিগি বলা হয়। এই এফিগির জন্ম হয় ১৯৮২ সালে। কমিক আঁকিয়ে ডেভিড লয়েড জন্ম দেন এই বিখ্যাত এফিগি’র। সাদা বর্ণের মুখোশ, অদ্ভুত এক হাসি আর এই হাসির জন্যই কুঁতকুঁতে চোখ; সরু গোঁফ দুদিকের গাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। গালে লালচে আভা আর চিবুকে অল্প দাড়ি। ইতিপূর্বে হয়তো কোন মুভিতে বা কোন নিউজ চ্যানেলে, বা খবরের কাগজের পাতায়, চলচিত্রে, নেটের নানা জায়গায় এই মুখোশটি চোখে পড়লেও সবার মাঝে খুব একটা সাড়া পড়েনি, একটা সুন্দর সাধারণ মুখোশ হিসেবেই ভেবে এসেছি সবাই। কিন্তু ভারতের সাথে যখন...

doctus viagra

একজন তাতাবাবু।

‘যাহা আজগুবি, যাহা উদ্ভট, যাহা অসম্ভব, তাহাদের লইয়াই এই পুস্তকের কারবার। ইহা খেয়াল রসের বই, সুতরাং সে রস যাঁহারা উপভোগ করিতে পারেন না, এ পুস্তক তাঁহাদের জন্য নহে।’ নামকরা এক বইয়ের ভুমিকা এটা; লিখেছিলেন লেখক নিজেই। “বলছিলাম কি, আমি একটা বই লিখেছি কবিতার, উচু রকম পদ্যে লেখা আগাগোড়াই সবি তার । তাইতে আছে “দশমুখে চায়,হ জম করে দশোদর, শ্মশানঘাটে শষপানি খায় শশব্যস্ত শশধর।” এই কথাটার অর্থ যে কি ,ভাবছে না কেউ মোটেও- বুঝছে না কেউ লাভ হবে কি, অর্থ যদি জোটেও। এরই মধ্যে হাই তুলিস যে? পুতে ফেলব এখনি, ঘুঘু দেখেই নাচতে শুরু, ফাঁদ ত বাবা দেখনি! কি বললি তুই?...

“মানুষের মতো নয় — নক্ষত্রের মতো হতে হয়!”

‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।’ এই কবিতাটি আমাদের সবারই কম বেশি জানা। কিন্তু এই কবিতার কবির নাম কয়জন বলতে পারবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এই কবিতাটি লিখেছে একজন মহিলা কবি নাম তার কুসুম কুমারী রায়। আজ সেই কুসুম কুমারী রায়ের ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী। ওহ! আপনারা তার ছেলেকে চিনেন তো?? কুসুম কুমারী রায়ের বড় ছেলে যার ডাকনাম ছিল মিলু। গত এক শত বৎসরে ট্রাম দুর্ঘটনায় কোলকাতায় যে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ঘটেছিলো সেই ঘটনায়ই মারা যায় সে। কিন্তু খুবই আশ্চর্য ব্যাপার এই যে, তিনি প্রায়ই ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা ভাবতেন। ১৯৫৪ সালের ১৪...

বিষাক্ত কানন

বাগান। শব্দটা শুনতেই চোখের সামনে ভেসে আসে একটি মনোরম পরিবেশ। চারপাশে অনেক গাছপালা, তার কোনটাতে ফুটে রয়েছে রঙ্গিন ফুল আর কোনটাতে সুস্বাদু ফল। প্রশান্তির নিঃশ্বাস নেবার জন্য দারুন একটা স্থান। ফুলের বাগান, ফলের বাগান, ঔষধি গাছের বাগান, দুর্লভ গাছের বাগান। পৃথিবীতে রয়েছে নানা ধরনের বিখ্যাত সব বাগান। তারা তাদের বৈশিষ্ট্যে জগতখ্যাত। কিন্তু ইংল্যান্ডে একটি বেশ খ্যাতনামা এমন একটি বাগান রয়েছে যা আমাদের চিরাচরিত বাগানের ধারনাকে বদলে দেয়। এই খ্যাতনামা বাগানটিকে সুখ্যাত না কুখ্যাত বলা উচিৎ তা ঠিক করে বলতে পারছি না। এই বাগানে ফুলে ধরা বা ফুল তোলা তো দূরের কথা, ফুলের গন্ধ শুঁকতে গেলেও বেহুঁশ হয়ে যেতে হতে পারে,...

viagra vs viagra plus

প্রীতিলতা। একটি নাম, বিপ্লব ও সংগ্রামের।

১৯৩২ সাল। ২৪ সেপ্টেম্বর। ইউরোপীয় ক্লাব থেকে বিপ্লবীদের সংকেত পাওয়ার পর, একজন দলনেতার নেতৃত্বে সাতজন তরুণ ঝাঁপিয়ে পড়লেন ইংরেজদের ওপর। পরনে মালকোঁচা ধুতি। মাথায় গৈরিক পাগড়ি, গায়ে লাল ব্যাজ লাগানো শার্ট। ইনিই দলনেতা। এক হাতে রিভলবার, অন্য হাতে হাতবোমা। দলের সদস্যসংখ্যা সাত। সবার পরনে রাবার সোলের কাপড়ের জুতো। সবাই প্রস্তুত। দলনেতার মুখে ‘চার্জ’ শুনতেই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ল শত্রুর ওপর। তারা তখন ক্লাবে মত্ত নাচ-গানে। পিকরিক অ্যাসিডে তৈরি বোমাটি বর্জ্রের মতো ভয়ংকর শব্দে ফেটে পড়ল; হলঘরে তখন শুধু ধোঁয়া। দলনেতাই এগিয়ে গেল সবার আগে। অথচ এটাই তার প্রথম অভিযান। বোমার বিস্ফোরণ, গুলির শব্দ, শত্রুর মরণ চিত্কার—সব মিলে এলাকাটা যেন পরিণত হলো...

একটি শোকাবহ দিনের ইতিহাস এবং একটি ঐতিহাসিক গল্প!!

>>ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বর বাড়িতে এসেছেন RAW (ভারতের সিক্রেট সার্ভিস)- এর রিসার্চ ও অ্যানালাইসিসি উইংয়ের পরিচালক কাও। তিনি এসেছেন পানবিক্রেতার ছদ্মবেশে। শেখ মুজিবুর রহমান বিরক্ত গলায় বললেন, “আমি আপনাকে চিনি। অনেকেই আপনাকে চেনে। আপনার ছদ্মবেশ ধরার প্রয়োজন পড়ল কেন? “কাও বললেন, “মাঝে মাঝে নিজেকে অন্যরকম ভাবতে ভালো লাগে বলেই ছদ্মবেশ। আপনাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মেজর রশীদ, ফারুক, লে. কর্নেল ওসমানী এই নিয়ে আলোচনায় বসেন জেনারেল জিয়াউর রহমানের বাসায়। এই বিষয়ে আপনাকে তথ্য দিতে এসেছি।” শেখ মুজিব বললেন, “আপনারা অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ। পানবিক্রেতার ছদ্মবেশে যে আমার কাছে তথ্য দিতে আসে তার কথায় আমার বিশ্বাস নেই।” ” আপনার সামনে মহাবিপদ। ” ” মহাবিপদ আমি...

kamagra pastillas

দ্বিধা

আমি কত কোটিবার তোমার হাত স্পর্শ করতে গিয়েওহাত গুটিয়ে নিয়েছি তা বিধাতা জানেকত সহস্র হাজার বার তোমার দরজায় কড়া নাড়তে গিয়ে শুধু চৌকাঠ আলতো করে স্পর্শ করে ফিরেছি তাও ঈশ্বর জানেআমার সৃষ্টিকর্তা এটাও জানে কত অযুত লক্ষবারআমি তোমার নাম ধরে চিৎকার করতে গিয়েও বোবা হয়ে গিয়েছি।আমি কতবার তোমার নামের সৈকতেনিজেকে সর্বগ্রাসী ঢেউয়ের মত আছড়ে ফেলতে গিয়ে কষ্টের চূড়ান্ত বাধেঁ আটকে গিয়েছি ঈশ্বর জানে।সাত আসমানের অধিকর্তা জানেন, একবার তোমার কন্ঠস্বর শোনার জন্য আমি কত হাজারবার জন্ম থেকে জন্মান্তরের পথ পাড়ি দিয়েছি। তিনি জানেন, তোমার কথা, তোমার নিঃশ্বাসের শব্দ কতটা অস্থির করে আচ্ছন্ন করে দেয় আমার সমগ্র চেতনাকে; আমি তোমার অদৃশ্য চুম্বনের আগুনে দিবানিশি...

আমি বরং ফুল না হই

নিজেকে কখনো ভিজতে থাকা গোলাপ মনে হয়নিএমনকি খুব ভোরে ঝরে পড়া শিউলিও না।বরং নিজেকে শুঁয়ো পোকা মনে হয়,যে বহুদিন ধরে খোলসে আবৃত।কোন একদিন হয়তো খোলস ছেড়েপ্রজাপতি হয়ে কোন সবুজ প্রান্তরে নীল মেশানো লালচে রঙের দুটি ডানা মেলে দিয়ে উড়ে বেড়াবে। মাঝে মাঝে তুমি আমাকে ধুতুরা বলে অপবাদ দাও আর আমিই নাকি তোমার আত্মহত্যার একটি প্রধান বিষাক্ত অস্ত্র। কিন্তু আমিতো কোন ফুলই না; এমনকি কোন কোন গাছ জড়িয়ে থাকা লতাও না যে নিজের ছোট্ট একটা জীবন নিয়ে আজীবনই পরগাছা হয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। আমি বরং কোকিল হই; যে অন্যকে প্রতি বসন্তে গান শুনিয়ে যায় কিন্তু আজ অবধি যার নিজের একটা নীর বাধা হয়নি।...

viagra in india medical stores

World Cup Vs War Cup

পুরো বিশ্ব এখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে হইচই। ফুটবল বিশ্বকাপ জ্বরে কাপছে পুরো বিশ্ব। কিন্তু এই পৃথিবীরই এক প্রান্তে মানুষ কাপছে আতঙ্কে। নিজের প্রিয় ফুটবল দলের জয়ে যখন  আমরা মুহুরমুহ পটকা ফুটাচ্ছি তখন পৃথিবীর একটি দেশে বৃষ্টির মত ঝরছে রকেটবোমা, মিসাইল। আমরা পটকা ফুটানোর আনন্দে আত্মহারা আর সেখানের বাসিন্দার বোমার শব্দে দিশেহারা। বলছিলাম ফিলিস্তিনের কথা। প্রতিদিন শত শত মানুষের রক্তের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে গাযার পথঘাট। সর্বশেষ হামলায় খান ইউনিস শহরের একটি কাফেতে বিশ্বকাপ দেখার সময় ন’জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সংকটাপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলো, ফিলিস্তিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গাজা উপত্যকা, যেখানে প্রতিনিয়ত মানুষের অধিকার পদদলিত হচ্ছে এবং নিরীহ-নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।...

private dermatologist london accutane
achat viagra cialis france

প্রিয় একগোছা রজনীগন্ধা

ভোরবেলায় প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ঘুম ভেঙ্গেছে আজকে। ঘুমাতেই যাওয়া হয়েছে রাত ৪টার পর। সকালে যেহেতু কোন কাজ নেই তাই আজ অনেকবেলা করে ঘুম থেকে উঠা যেত। কিন্তু স্বপ্নটা দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেল। সবাই বলে ভোরবেলার সপ্ন সত্যি হয়। এই স্বপ্নটা সত্যি হলে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হয়ে যাওয়া যাবে। তাই স্বপ্নটা দেখার পর আর ঘুম আসেনি। তারপরেও অনেকক্ষণ পর বিছানা ছাড়া হয়েছে। এতক্ষন শুয়ে শুয়ে ঘরের তারাগুলোর দিকে তাকিয়ে স্বপ্নটার কথা ভাবা হচ্ছিল। স্বপ্নটা দেখার পেছনে কারণটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। অবশ্যই আজকে বিকেলে একজনের সাথে দেখা করতে যেতে হবে। কেউ একজন আজ অপেক্ষায় আছে। আজ কোন বিশেষ একজনের অভিমান ভাঙ্গাতে যেতে...

এমন আমি

কিছু কথা আছে যা কারনে নয় অকারনেই বলা হয় কিছু অনুভুতি আছে যা নিজের অজান্তেই বুক পাজরে নিচে জমা হয় কিছু কান্না অথবা হাসি আছে যাদের চাইলেই রুখে দেয়া না যায় আমি হচ্ছি সেসব অপার্থিব জিনিস পত্রের মত; যা কাজের চেয়ে অকাজেই বেশি লাগে। আবেগের খোঁয়াড়ে বন্দি ভীষন অনুভূতিপ্রবণ এক মানুষ আমি যে, হাতের নাগালেই থাকে কিন্তু হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় না। আমাকে স্পর্শ করা যায় কেবল সু-তীব্র আবেগ দিয়ে, মমতা অথবা মায়া দিয়ে। চূড়ান্ত ভালোবাসা ছাড়া আমাকে আটকানো যায় না আর কিছুই দিয়ে। আমার উপর কোন বশীকরণ মন্ত্র কাজ করে না একমাত্র আকাশ সমান অথবা সাগর গভীর ভালোবাসার দামে...

এক গ্লাস অন্ধকার হাতে, আকাশের ঠিকানায় চিঠি পাঠাতে বলা, এক দ্রোহ ও প্রেমের ফেরিওয়ালা।

“অন্তর বাজাও”। ৭০ দশকের এক কবির তৈরি করা গানের দলের নাম ছিল। সেই কবির সৃষ্টি করা এক কবিতা থেকে অন্তরের তন্ত্রে তন্ত্রে বেজে যাওয়া একটি গান হয়েছিল। ” ভালো আছি ভালো থেকো / আকাশের ঠিকানায় চিঠি লেখো / দিও তোমার মালা খানি / বাউলের ঐ মনটারে / আমার ভেতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে / আছো তুমি হৃদয় জুড়ে … । ” রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ; আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলা সেই কবির নাম। একজন দ্রোহ ও প্রেমের ফেরিওয়ালা। প্রেমে আর দ্রোহে  সবখানে স্বাধীনতা পরবর্তী কবিদের মধ্যে রুদ্রর চেয়ে শক্তিমান কেউ নাই। এসো না হয় কিছুক্ষন বসি- শিয়রের খোলা জানালায়, কিছুক্ষন ভুলে থাকি পৃথিবীর মরা আকাশ;... acquistare viagra in internet

অস্পষ্টতা

কেউ গিয়েছে চলে আর কেউকে, পুরোনো আমিতে যেতে হয়েছে ফিরে।দুজনের মাঝে রয়ে যায় বিরামচিহ্নে কেবল একটি প্রশ্ন, কে গেল কাকে ছেড়ে।হাতের মুঠো গলে বেড়িয়ে যাওয়া বালির মত অথবা জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সময়ের মত,নিকষ আলোয় ম্যাজিক দেখাচ্ছে দুঃস্বপ্ন; আশাগুলো ভোজবাজির মত দিয়েছে ফাকিঁ। সপ্নের নীল রংয়ের ঢাউস ঘুড়িটা সুতো ছিড়ে গোত্তা খেতে খেতে আকাশে উড়ছে। বন্ধ চোখের অস্পষ্ট দৃষ্টিতে আকাঁ হচ্ছে জীবনের প্রতিচ্ছবি লোনা রংয়েতে।

পৃথক তুমি আমি

তুমি বৃষ্টি হতে পারো কিন্তুআমি তো আর চাতক হতে পারলাম না।অপেক্ষায় রাখার অবহেলায় দিনকে দিন মাটির মত চৌচির হতে থাকি আমিআর চলতে থাকে আকাশের ঈশান কোণের মেঘের লোভ দেখিয়ে আমাকে ভুলিয়ে রাখা।আকাশে চলে হাজার রংয়ে ছবি আঁকা আর তোমার মধ্যে চলে বদলানোর খেলা।যে পথ পথের বাকেঁই হারিছে সে পথে চলা কত দূর? তুমি দিঘীর জল হতে পারো, সামান্য ঢিলে তোমার মাঝে জাগে অস্থিরতাকিন্তু আমি যে দিঘীর গভীরে থাকা ডুবন্ত শীতল পাথর। ঢেউ আমায় ছোয় না, আমি নিজেই শুধু ডুব সাতরে চলি তোমার মাঝে। আমি সেই পাথর যার শরীর জুড়ে জমে আছে তোমার অবহেলার শ্যাওলা। কত দিন পাইনি রোদের দেখা, তোমার কোমল স্পর্শকে...

যাপিত জীবনের ব্রেকিংনিউজ

মস্তিষ্কের রাজপথে আজ ভীষন ভাংচুরপ্রতিটি নিউরনে আজ বিদ্রোহমস্তিষ্কের অলিতে গলিতে থাকা সিন্যাপ্সে আবরোধমায়োলিন সিথের কন্ঠে আজ জ্বালাময়ী স্লোগান।মাথার ভেতর চিন্তার কাচের দেয়াল ভাংছে।দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে কল্পনার গুদামে।টিয়ার শেলে বিপর্যস্ত ল্যাক্রিমাল গ্রন্থিশ্বাস প্রশ্বাসে কিসের যেন ত্রাস।আজ মন রাজ্য বড়ই অশান্ত, অস্থির।পুরোনো চেতনারা যোগ দিয়েছে বিরোধীদলে। জীর্ণ ভাবনারা আজ দিচ্ছে যুদ্ধের উস্কানি। অধিকার আদায়ের দাবীতে অনশন করছে অস্তিত্ব। আজ চিন্তার পরিস্থিতি বড়ই  নাজুক। ভেঙে পড়েছে মানসিক মন গড়া বাধ। আজ কেন জানি মানতে ইচ্ছে করছে না ছেলে ভোলানো কোন প্রবোধ। আজ চিন্তা-চেতনা ধীরে ধীরে হচ্ছে বেবোধ!

posologie prednisolone 20mg zentiva
puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec