Author: কৃষ্ণ গহ্বর

metformin gliclazide sitagliptin

এক গুচ্ছ কামিনী এবং বড় হবার গল্প!

কামিনী ফুল কেন প্রিয় এইটা একটা প্রশ্ন বটে। আমি নিজেও জানিনা এই ফুল কেন এতো পছন্দ করি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই পছন্দের ব্যাপারে কারন গুলি দিনদিন গুরুত্ব হারায়। একসময় ভুলে যাই কেন পছন্দ করতাম কিংবা করি। তখন শুধু পছন্দ করি, ভালো লাগে, ভালোবাসি এই ব্যপারগুলিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও ব্যাপার টা অনেকটাই এমন। দেখা যায়, যে সব কারনে একজনকে ভালোবাসতাম সেই কারনগুলিই একসময় ঐ মানুষটার ভিতর থেকে বিলুপ্ত হতে থাকে। কিন্তু মানুষটার প্রতি ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগা আগের মতোই থাকে। কামিনী ফুল প্রথম চিনেছি আমি যখন চতুর্থ শ্রেণী তে পড়ি। আমার প্রাইমারি স্কুল জীবন কেটেছে একটা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের আন্ডারে অবস্থিত প্রাইমারি... viagra vs viagra plus

nolvadex and clomid prices

এক গুচ্ছ কামিনী এবং অতঃপর…!

গানের মাধ্যমে ‘আধেক ঘুমে’ শব্দটার সাথে পরিচয় হলেও ইহার সঠিক ভাবার্থ অনিক কখনো গভীর ভাবে উপলব্ধি করেনি। কিংবা, হয়তোবা এই শব্দটার আক্ষরিক অর্থটাই সে বুঝতে পারতো না। শুধু তাইনা, হয়তোবা সে এখনো এই শব্দের অর্থ ঠিকঠাক জানেনা। কিন্তু আজকাল কেন জানি মনে হয় এই শব্দটার অনুভূতির সাথে অনিক খুব ভালোভাবেই পরিচিত। এবং প্রতিনিয়ত বিশেষ করে ঘুমোতে যাওয়ার সময় যখন চোখের পাতা দুটি ঈষৎ ভারী হয়ে আসে, চোখের পাতা দুটি বন্ধ করার সাথে সাথে অনিকের কেবল মনে হয় সে কারো কোলে মাথা রেখে শুয়ে আছে। কে সে? অনিক বুঝতে পারে কিন্তু বিশ্বাস করতে চায়না। যদি অনিকের ঘুম ভেঙ্গে যায়! যদি মাথার...

renal scan mag3 with lasix

শোকের রঙ লাল, নীল, কখনো সাদা!

নিশি কাঁদলে চোখে জল আসেনা। অথবা যখন কান্না করা দরকার তখন সে কাঁদতে পারে না। এই যেমন গত পর্শুদিন রাতে জহিরের বাবা মারা গেলো, সবাই কি কান্না! শুধু নিশির চোখে জল নেই। সবাই কাঁদে আর নিশির চোখের দিকে তাকায়, নিশির চোখে জল নেই! কি বিব্রতকর! নিশি যেন লজ্জায় বাঁচে না, দুঃখে মরে যেতে ইচ্ছে করে। কেন এমন হয়? অথচ মনসুর চাচা আমাকে কত আদর করতো, ভালোবাসতো। আচ্ছা, কান্না টা কেন আসে, ভালোবাসা, মায়া থেকে? নাকি অন্যকিছু? আমি তো চাচা কে অনেক ভালোবাসতাম! তবে কেন চাচা মারা যাওয়াতে আমার কান্না আসলো না! নিশি কিছুতেই ভেবে পায়না। চাচা মারা যাওয়াতে যত না... doctorate of pharmacy online

levitra 20mg nebenwirkungen

বন্ধ্যা কৈশোর

মায়ার হাতে এক আঙুল সমান লম্বা একটা নারিকেলের টুকরা। বারান্দার টেবিলে ছোট ঝুড়িতে কিছু মুড়িও আছে। মায়া মুড়ি মুখে দিচ্ছে না। শুধু নারিকেল কচকচ করে কামড়ে খাচ্ছে। মায়ার চোখ বারান্দা ছাড়িয়ে অল্প সামনেই খালি জায়গাটায়। মায়ার আজ মন খারাপ। কিছুদিন যাবত প্রতিদিন বিকেলের এই সময়টাতে মায়ার মন খারাপ হতে থাকে। এই এলাকায় সমানে ছোট ছোট অলিগলি রাস্তা। শুধু মাত্র মায়াদের বাসার সামনেই একটু ফাকা গোলাকার জায়গা আছে। বিকেলে হলে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা এখানে খেলতে নামে। শুধু মায়া একা বারান্দায় বসে থাকে।   আনোয়ার এইটে বৃত্তি পেয়েছে বলে ওর বড় ভাই ওকে সাইকেল কিনে দিয়েছে। নতুন সাইকেল নিয়ে আনোয়ার প্রতিদিন...

wirkung viagra oder cialis

হুজুরদের কি মন বলে কিছু নেই?

প্রায় দুই বৎসর আগের কথা। আমার এক দুঃসম্পর্কের মামা আছে। মামার একটি হালকা পাতলা মাল্টি মিডিয়ার দোকানও আছে। সেই দোকানে শুধু কম্পিউটারের মাদ্ধমে মোবাইল ফোনে গান লোড দেওয়া হয়। মামার দোকানে খুব একটা কাস্টমার আসতো না। শুধু গান লোড এর জন্য খুব বেশি কাস্টমার আসেও না। তাই সারাদিন আমরা বন্ধুরা মামার দোকানে বসে কম্পিউটারে ‘এইজ অব এম্পায়ার’ গেম খেলতাম। তখন রমজান মাস। ঈদ এর আর মাত্র সপ্তাহের মত দিন বাকি। আমি বিকাল বেলা দোকানে একাই বসে বসে গেম খেলায় ব্যস্ত। ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকার এক হুজুর দরজায় দাড়িয়ে।  হুজুর দরজা থেকেই আমাকে জিগায় যে এই দোকানের যে মালিক সে কোথায়।...

এক মুহূর্তের পাপ…!

খুব ভোরবেলা রহমান সাহেবের স্ত্রী তার মেয়েকে নিয়ে হাটতে বের হয়। রাস্তাটা পার হলেই সামনেই একটা উদ্যানের মত খালি জায়গা আছে। সেটার চারপাশে তিনবার ঘুরে এসে মা মেয়ে মিলে কাঠবাদাম গাছটার নিচে বসে খানিকটা জিরিয়ে নেয়। এরপর গলির মোড়ে চিতই পিঠার দোকানে এসে পিঠা খায়।দিনের প্রথম একটা ঘন্টা তারা এইভাবেই পার করে, এরপর বাসায় ফিরে। এই এক ঘন্টা সময়ের মধ্যে রহমান সাহেব নাস্তা বানানোর কাজটা সেরে ফেলে। তিনটা ডিম ভাজি, গুনে গুনে সাতটা পরোটা এবং তিনটা কলা নিয়ে ডাইনিং এ বসে স্ত্রী কন্যার জন্য অপেক্ষায় থাকে। নাস্তা শেষ হলেই রহমান সাহেবের স্ত্রী অফিসে চলে যায়। তার একটু পরেই মেয়ে কে... all possible side effects of prednisone

can you tan after accutane

আজাইরা কথন… পর্ব ১

১ চঞ্চলাবতী, তোমার পায়ের তলায় পিষ্ট শিশির- সবুজ বুকে বিলায় ত্রাণ নূপুর তালে নেচে উঠেসুর্য্য দেবের করুণ দাণ! ২ দু’চোখ ভরা রাতের কথা পায়না খুঁজে ভাষা নাই বলে তাই হারায় না সে; রাজকন্যার চুলের কাঁটা। স্বপ্ন দিয়ে চোখ ঢাকা থাক মনে মনে রুপ কথা, ফুলের গন্ধে লেগে থাকুক ভালোবাসার শোক-গাথা! ৩ পাতার বাঁশি বাজে শুনো তনূ দেহ নাচে স্বর্নলতা দেহ বরন ছুইলে মন নাচে গো ছুইলে মন জাগে! ৪ মেঘের আঁচড়ে লাগিয়েছ কাজল চোখে! কিছু শিশির ভালোবেসে হতে চেয়েছিলো জল দু-চোখে; তুমি প্রশ্রয় দাওনি বলে, কপালের নীলটীপ বিষাদ রহস্য রইলো অজানা! চঞ্চলাবতী, তোমার নরম হাতে করেছো দান সবুজ মরুভূমি ভাঙ্গলে...

আকাশের নীলে খুঁজে ফিরি স্বপ্নগুলি!

আমার অকারন মন খারাপ রোগটা আরও তীব্র আকার ধারন করে সেদিন, বছরের শেষ বৃষ্টির দিন থেকে। কেমন যেন একটা গুমোট ভাব নিয়ে দিনটা শুরু হয়েছিলো। সেদিন এক ধরনের চাঁপা অস্থরিতা নিয়ে সারাটা বিকেল বারান্দায় হাটাহাটি করে পার করেছি। আমাদের বারান্দায় সন্ধ্যায় আলো জ্বালানো হয়না। এমনিতেই বাসার সবাই অন্ধকারে থাকতেই পছন্দ করে। দিনের বেলাতে ভারী পর্দা দিয়ে বারান্দা ঘেরা থাকে। আমরা বাড়ির মেয়েরা উচ্চ স্বরে কথা বলতে পারিনা। খুব বেশি শব্দ করে হাসতে পারিনা। আমার বড় ভাই রাগ করে। আমার আব্বা রাগ করেন। যদিও আমার আব্বা নিজেও খুব বেশি জোর গলায় কথা বলেনা। সেদিন সন্ধ্যায় বুয়া এসে বারান্দার কোনায় ছোট কাঠের...

বৃষ্টি ভেজা বিষাদে অভিমানী তুমি…!

মেঘলা আকাশের সুবাদে বিকেলটা আজ সন্ধ্যার রুপ ধারন করেছে। হালকা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি।আতাহার রিকশার হুড তুলে জ্যামে বসে আছে। অথচ তাহার রিকশার হুড নামানো। হালকা ঠাণ্ডা বাতাস। চুলগুলি বাতাসে অল্প অল্প দুলছে। আতাহারের কানে হেডফোনেও ঠিক তখন রবি বাবুর গান- ‘ উড়ে যায় বাদলের এই বাতাসে তার ছায়ময়ূ এলোকেশ আকাশে…’ গানের সাথে এমন পরিবেশগত মিল, ভিতরটা ভালো লাগায় হালকা দুলে উঠলো। মেয়েটার কানেও হেডফোন। সেও কি এই একই গান শুনছে? কাজিপাড়ার জ্যাম ক্ষনস্থায়ী। রিকশা চলতে শুরু করেছে। আতাহার ভাবছে, মাঝে মাঝে এই শহরের সহজ সরল কিছু কিছু স্বাভাবিক ব্যাপারও উদ্ভূত কিছু অনুভূতির জন্ম দেয়। মনের অজান্তেই ভালো লাগায় মাঝে মাঝেই নিরব...

স্বপ্নতে মিথ্যে বাস্তব!

হোঁচট খেতে খেতে ছেলেটা যখন তীরে এসে উপস্থিত তখন দেখে কোন বোট কিংবা নৌকা কিছুই নেই। মিথ্যা জীবনের মিথ্যা বাঁচার লড়াই। তাকে যেতে হবে সমুদ্র পারি দিয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। ওকে খুঁজে পেতেই হবে। কিন্তু কিভাবে? হঠাৎ একটা কলা গাছ দেখে ভেলা বানায় সে, কোন কিছু না ভেবেই চড়ে বসে ভেলায়।ভাসতে থাকে সমুদ্রে।দীর্ঘ্য সমুদ্র পথ পারি দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।হঠাৎ জেগে দেখে তার কলা গাছের ভেলায় পচন ধরেছে,কলা গাছের খোল গুলি খসে যাচ্ছে।আর একটু পরেই ডুবে যাবে সে।ছেলেটা সাতার জানেনা।দিসেহারা হয়ে এদিক সেদিক কিছু একটা খুজে,যা আকরে ধরে বাঁচা নয়, অন্তত ভেসে থাকা যায়।কিন্তু কিছুই খুজে পায়না।চারিদিকে শুধুই শান্ত...

about cialis tablets

বৃষ্টিতে ধুয়ে যায় বেকার প্রেমিকের লজ্জা…

ছাতা হাতে তরুনীদের খুব সুন্দর লাগে।শাড়ি পরা কোন তরুনী রিকশায় হুড ফেলে বাহারি ছাতা মেলে যাচ্ছে।ঠোটে তার অবচেতন হাসির ছোয়া।চোখ গুলি অকারণে এদিক সেদিক ঘুরছে,চুলগুলি মৃদু হাওয়ায় দুলছে। রাস্তায় বের হলেই আজকাল আতাহারের চোখে কেবল সুন্দরী তরুণীদের মুখ ঘুরাফেরা করে। সকল রূপবতী তরুণীকে তার পরিচিত মনে হয়। আতাহারের প্রেমিকা আছে।তার এইসব ভাবা উচিৎ না।কিন্তু তবু যে কেন তার এমন হয় সে বুঝে না।একটা হালকা অপরাধবোধ তাকে মাঝে মাঝেই শাসন করে।কিন্তু খুব একটা লাভ হয়না। খুব চিন্তিত মনে আতাহার ফুটপাত ধরে হাটছে।আজ নিতুর জন্মদিন।কথা ছিল জন্মদিন উপলক্ষে বিকেলে শাহাবাগে ফুচকা খাওয়াবে। মধ্যবিত্ত প্রেমগুলি এমনিতে খুব সরল এবং সুখের মনে হয়।শুধু প্রেমিকার...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

বকুল তলায় শিউলি ঝরে অন্ধকারে… ১৮ +

অন্ধকারে বকুল তলায় শিউলি ফুলের ঝরে পরা দেখিনি,তবে কি করে বুঝবো ক্ষুধার কি করুন জ্বালা?অথচ কত নির্মমতায় শুষে নেয় গন্ধ,মাড়িয়ে যায় সকল রূপ লাবণ্য-শরীর ক্ষুধায় কাতর একটি ভদ্র কুকুর।                                                           তবু ভোরের অপেক্ষায় থাকে গন্ধবিহীন মলিন শিউলি,বাসি ফুলের মালা গাঁথে যদি কেউ?                                                          রাত পুহালে,চড়ুইদের...

viagra in india medical stores
irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একজন ‘লীলাময়’,বাংলা রেনেসাঁসের শেষ প্রতিনিধি।

১৯০৪ সালের  ১৫ মার্চে ব্রিটিশ ভারতের বর্তমান উড়িষ্যার ঢেঙ্কানল গড়ে কথা শিল্পী অন্নদাশঙ্কর রায় এর জন্ম। তার পিতা ছিলেন নিমাইচরন রায়। নিমাইচরন রায় ছিলেন ঢেঙ্কানল রাজ ষ্টেটের একজন কর্মী। অন্নদাশঙ্করের মাতার নাম হেমনলিনী। তিনি ছিলেন কটকের প্রসিদ্ধ পালিত বংশের কন্যা। রবীন্দ্র জীবনের শেষ দুই দশকে বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে যে কয়জন ভাবুক, কবি,রসিক,কথা শিল্পী অনেক বড় ভূমিকা রেখেছেন, তাদের মধ্যে অন্নদাশঙ্কর রায় অন্যতম। বলা যায় তিনিই ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অনন্য দিক নির্দেশক এবং বাংলা রেনেসাঁসের শেষ প্রতিনিধি। জন্মসূত্রে উড়িষ্যার ঢেঙ্কানলের অধিবাসী হলেও বাংলার প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা এবং মায়া। বাংলা তাকে সবসময় প্রবল ভাবে টানত। বাংলার প্রতি তার এই অকৃত্রিম ভালোবাসার...

cialis new c 100

স্পার্টাকাস। পর্ব ১

  ধারনা অনুযায়ী খ্রিস্টপূর্ব ৭১-৭৩ এর সময়কাল।‘কাপুয়া’ শহর।হঠাৎ অস্ত্রের ঝনঝনানি,হুংকার আর গোঙ্গানির শব্দে কিছুটা হুঁশ ফিরে পায় সে।চোখ দুটো ঝাপসা ঝাপসা।হাতে পায়ে মোটা মোটা শিকল আর অপরিচ্ছন্ন শ্যাওলা ধরা খুপরির মত ঘরে নিজেকে আবিস্কার করে বুঝতে পারে সে বন্দী। কলোসিয়ামে ( ক্রীতদাস যোদ্ধাদের আমরণ খেলার মাঠ স্বরূপ, অনেকটা স্ট্যাডিয়ামের মত) মৃত্যুর আগে এক ক্রীতদাস যোদ্ধার শেষ আর্ত চিৎকার।ভয় পেয়ে যায় বন্দী থ্রেসিয়ান যোদ্ধা।হঠাৎ করে গত কয়েকদিনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলি মনে করার চেষ্টা করে সে,মনে পরে যায় তার একমাত্র স্ত্রী ‘সূরা’র কথা। অল্প কিছু মানুষ নিয়ে ছোট একটা থ্রেসিয়ান গ্রাম।হঠাৎ সেখানে ‘লেগাটাস’ নামক এক অভিজাত রোমান, সৈন্য সামন্ত নিয়ে হাজির... walgreens pharmacy technician application online

ভাইকিংস

ভাইকিংস। অনেকেই এদের বলে জলদস্যু,ডাকাত এবং সমুদ্রের ত্রাস।ইউরোপ ইতিহাসে যুদ্ধবাজ এবং লুটেরা জাতি হিসেবে এদের অনেক কথাই বীরদর্পে বলা আছে।তবে এরা ছিল অনেকটাই বর্বর জাতি।লুটতরাজ, খুন, এসব ছিল ওদের কাছে বীরত্ব।এরা যে যত বেশি ডাকাতি করতে পারতো সে নিজেকে ততো বড় বীর মনে করতো। ভাইকিংস শব্দটি এসেছে নরওয়ের নর্স ভাষা থেকে।নর্স ভাষায় ভাইকিংস শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘জলদস্যু’ আরএক ভাবে এই শব্দকে বিশ্লেষন করলে এর অর্থ দাড়ায় উপসাগরে বসবাসকারী মানুষ। প্রায় ৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভাইকিংসদের উথ্যান শুরু হয়।এবং প্রায় ১০৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সারা ইউরোপ সহ অত্র অঞ্চল দাপিয়ে বেড়ায়।এবং এই সময়কালকেই বলা হয়  “স্ক্যানডেনিভিয় সম্প্রসারণ” বা ‍”ভাইকিং এজ” মূলত নরওয়ে,ডেনমার্ক এবং...

will metformin help me lose weight fast