Author: অসীম নন্দন

এই মৃত্যুকূপ আমার দেশ না

যখন দেশের মাটিও একটি প্রতিষ্ঠিত ধর্মের মুখোশ পায় এবং রাষ্ট্র হয়ে উঠে ধার্মিক তখন মানুষগুলো শুয়োর হয়ে যায়’। শাহবাগ আন্দোলনের পর থেকে মৌলবাদীদের প্রধান টার্গেট তৈরী হয়েছে মুক্তচিন্তক ব্লগাররা। আমার খুব ইচ্ছা হয় শাহবাগ আন্দোলনকে গণজাগরণের আন্দোলন বলতে,যেমন আমি নিজেও সেই আন্দোলনের পর জেগে উঠেছি। বুঝেছি দেশ, দেশের মানুষ এবং ইতিহাস কতটা মূল্যবান। কিন্তু আদতে তা ঠিক হয়ে উঠেনি। দেশের মানুষ সচেতন হয়ে উঠতে পারেনি আজো। এখানে দেশপ্রেম সম্পর্কে আমার রবিঠাকুরের কথা মনে পড়ছে। রবিঠাকুর বলেছেন, “দেশ মানুষের সৃষ্টি। দেশ মৃন্ময় নয়, দেশ চিন্ময়। মানুষ যদি প্রকাশমান হয়, তবেই দেশ প্রকাশিত। সুজলা, সুফলামলয় শীতলা ভূমির কথা যতই উচ্চকণ্ঠে রটান ততই... synthroid drug interactions calcium

ওদের মুখে থুঃ

ওরা মলমূত্র থেকেও জঘন্য- নাক সিঁটকানো ঘৃণ্য। সভ্যতা চুদিয়ো না তো! শারদাকাশ রক্তবর্ণ, ধর্মের নামে জটিলতা বোমা হাতে মানবতা দাড়ি,টুপি,সুরমা তে জিহাদ ধূতি,পৈতে,তিলকে সওদা; শালা,দেশকে ওরা বাজারে নামিয়েছে বিবেক বিকিয়েছে আমজনতাকে খেলছে সমাজ ঢুকে গ্যাছে শুয়োরের পোঁদে। সভ্যতা চুদিয়ো না তো।

খুন হয়ে যাই

দিনদুপুরে হঠাৎ কেন খুন হয়ে যাই? মাথার ভেতর সরল প্রেমিক গুম হয়ে যায় দাঁত বসিয়ে রঙিন ফড়িং ঘুম হয়ে যায় বৃষ্টিছঁটা কাঁচ-জানালায় অশ্রু ঝরায় হৃদয় কেন শুকনো জলে জং ধরে যায়! দিনদুপুরে বুকের ভিতর খুন হয়ে যাই ——————-খুন হয়ে যাই। একটা মানুষ খুব যতনে কান্না চাপে রুগ্ন মুকুল গন্ধটুকু আগুনে মাখে ফুল-রুমালে নাক ডুবিয়ে ভুল হয়ে যাই ——————-খুন হয়ে যাই। এক যে আমি বুক-পকেটে রাত্রি জমাই আরেক তুমি পকেট ভরে চাঁদ হয়ে যাও জোনাক-জোনাক সন্ধ্যে হলেই গল্প সাজাও টেবিল জুড়ে বায়বীয় সব স্বপ্ন বাঁধাও নীল কালিতে কষ্টে-সৃষ্টে বুঁদ হয়ে যাই ———————খুন হয়ে যাই।

metformin gliclazide sitagliptin
can your doctor prescribe accutane
walgreens pharmacy technician application online

একজন অপরাধীর স্বীকারোক্তি

: হে ধর্মাবতার আমাকে বলবার সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক মুখরোচক, রোমহর্ষক এবং রোমাঞ্চকর গল্পই আদালতে পেশ করা হয়েছে। আমি এবার সত্য গল্পটা বলতে চাই। এরপর আপনারা যে শাস্তি ধার্য করবেন তাই আমি মাথা পেতে নেব। : আপনাকে পাঁচ মিনিট সময় দেয়া হল। এর মাঝে আপনার সকল বক্তব্য শেষ করবেন। : ধন্যবাদ ধর্মাবতার। কিন্তু পাঁচ মিনিটে কি পুরো রামায়ন পাঠ করে ফেলা যায়? রামায়ন যেমন পাঁচ মিনিটে পাঠ করা যায় না তেমন এই ঐতিহাসিক ঘটনাও বলা অসম্ভব। তবু যতদূর পারি বয়ান করছি শুনুন। ঘটনার আগের দিন ছেলেটি গিয়েছিল তার দেবীর মন্দির দর্শন করতে...

তিলোত্তমা ভালো নেই

বছর চারেক হল। নাহ, তারও বেশি। চার বছর আগের এক বেপরোয়া ফাগুনের পর রং পাল্টে পাল্টে আজ এক বিছিন্ন শ্রাবণ। তিলোত্তমা ড্রয়িংরুমে বসে আছে। হাতে সার্তীয় দর্শনের একটা বই। সারাদিনের কর্মমুখর দিনের শেষে এখন একটু ক্লান্ত তবে বিদ্ধস্ত নয়। আজ অফিসের কলিগ রফিক সাহেব একটু ফোড়ন কেটেই বললেন, আপনি দিন দিন বড্ড রোগা হয়ে যাচ্ছেন দিদি।জবাবে তিলোত্তমা শুধু অসংলগ্ন স্মিত হাসি হেসেছে। যা ঠোঁটের কোণায় মিলিয়ে যায়। অনেকদিন হালকা কোনো বই পড়া হয় না। তিলোত্তমার খুব আগের মতন উপন্যাস -টুপন্যাস পড়তে মন চাইছে। যদিও পুরোনো অনেক উপন্যাসের বই আছে কিন্তু ওগুলো পড়া। অনেকদিন নতুন বই কেনা হয় না। কাল অফিস...

all possible side effects of prednisone
doctus viagra

দেবোফোবিয়া ২

১) রিমঝিম মেঝেতে বসে এক মনে জলরঙে ছবি আঁকছে। প্রজাপতির ছবি, ঘাসফড়িঙের ছবি। বিপিনবাবু চুপিচুপি মেয়ের পিছনে দাঁড়িয়ে ছবি আঁকা দেখছেন। এতটুকু মেয়ে কী সুন্দর ছবি আঁকে ভাবা যায়না। রিমঝিমের বয়স এখন মাত্র চার। কী ফুটফুটে দেখতে আর কী যে চটপটে কথাবার্তা। আজকাল ওর কথার তোড়ে টেকা দায়। সবকিছুতেই প্রশ্ন জুড়ে দেবে কেন এবং কীভাবে এই দু শব্দে। রিমঝিম ছবি থেকে মাথা না তুলেই বললো, বাবা আমি কিন্তু জানি তুমি আমার পিছনে দাঁড়িয়ে। তুমি কিন্তু এখন আমায় চড়কে ভড়কে দিতে পারবে না। রিমঝিম সেই আড়াই বছর বয়সে যখন থেকে আধো আধো কথা বলে তখন থেকেই ‘চমককে ‘ বলে ‘চড়কে ভড়কে...

metformin tablet

জলছাপ

শুনেছিস নিরঞ্জন অরণ্যের হ্যান্ডব্যাগে নাকি কিছু পাখি ছিল কিছু বেলীফুল ছিল গত রোববার কী এক বিবাদে পাখি সব উড়ে গেছে ফুলগুলো শুকিয়ে কাঠ রোদ্দুর মেপে মেপে বিকেলগুলো হাট বসিয়েছে, চাঁদ বিক্রির সংবাদ মাইকিং হয়ে গেছে এখন শুধু চারদিক অবসর শহর জুড়ে জমকালো বিদ্যুৎ আসর। ভাবছিস এতসব ভিনদেশী খবর আমি পেলাম কোথায়? গতরাতে আমার ঘরে অরণ্য এসেছিল জীবনদার কবিতা শুনতে যাবার বেলায় হ্যান্ডব্যাগ খানা ফেলে গেছে আর কিছু সবুজ চিরকুট গোটা গোটা অক্ষর অগোছালো কিছু হৃদয়ের আদিম জলছাপ।। kamagra pastillas

renal scan mag3 with lasix

আরবিট্র্যারি মন্যাস্টারি

একটু কি ফাঁকা ফাঁকা লাগছে? অগোছালো নয় -ছয় আমি নাওয়া -খাওয়ার ঠিক নাই এন্টেনায় লটকে থাকা ঘুড়ি হাওয়ার কাঁপনে আলুথালু যেমন নিজেকে পেলাম খোলা খাতায় উল্টেপাল্টে গোলমেলে তেমন। শিল্পের তান্ডবে চুরমার হয়ে যাচ্ছি অতন্দ্রিতা তুমি হয়তো বুঝলে না ভালোবাসাও একরকম শিল্প প্রতি ন্যানো সেকেন্ডে শিরায় -উপশিরায় আত্মগুপ্ত হয়ে যাচ্ছে একেকটি নতুন ভোর আর তো মাত্র একত্রিশ বছর — তারপর সব বসন্ত বিবর্তিত হয়ে হবে সাদাকালো অ্যানালগ আজকের দিনটাই শিল্পের অশৌচ আতুড়ঘর কাল থেকে হয়তো অশুচিতা ভেঙে চারমিনার থাকবে বুকপকেটে — যেখানটায় আজ ভাজ করা শিল্প রাখা, দুম করে জ্বালা হলে টং এ বসে চা নিয়ে ধোয়া ছেড়ে ঠোঁট বলবে, “আমার...

missed several doses of synthroid

সোনালী ঠোঁটের শালিক

আজ আর অতবেশি ঘাটাবো না তোমায় কদিন হল ঘর পেরিয়ে বাইরে এলেই ফেরার পথটা হারিয়ে ফেলি মোড়ের মাথায় ডান -বাম বাম -ডান করে করে সোজা পথটা গুলিয়ে ফেলি। দিন কিংবা রাত মানিনা ঠিক ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে ভুল দরজায় কড়া নেড়ে গৃহস্থদের জ্বালিয়ে মারি, পথভুলো এই ঘরটা নিয়ে এখন আমি কী যে করি! ভেবে না পাই গড়ের মাঠে তাই বসে যাই, মনফড়িঙের গল্প শুনি রাতদুপুরে খেঁকশেয়ালের আর্তধ্বনি কাঁচপোকাদের চোখের ভেতর পুঞ্জিভূত বেদনারা বড্ড বেশি সাবধানী সোনালী ঠোঁটের শালিক নাকি গুলকিবাড়ি একলা থাকে, ডানার স্বপ্ন পালকে চেপে পৃথিবীকে গোপন রাখে চিত্রাহরিণ আগামীকে গোত্তা মেরে নিজের পথটা সামলে রাখে। আমার হয়েছে যত জ্বালা... ovulate twice on clomid

metformin synthesis wikipedia