Author: বি এম বেনজীর আহম্মেদ

সংবাদ ভ্যাট সম্পর্কিত কিন্তু সমস্যার অন্তরালে শুধুই অজ্ঞতা ও অবহেলা!!

বেশ কয়েকদিন যাবৎ বাংলাদেশে একটি ইস্যু নিয়ে অনেক কানাঘুষো চলছিলো। কেউ অন্য রকম তীব্র যন্ত্রণা থেকে বলছিল আর কেউ বলতে হয় তাই বলছিল। কিন্তু সকল কানাঘুষোর চূড়ান্ত দুই দিন আগেই দেশের মানুষ দেখেছে। দেশের সকল নিউজপেপারের প্রধান শিরোনাম ঠিক তেমনটারই ইঙ্গিত দেয়। “বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরোপিত ৭.৫ % ভ্যাট বন্ধের দাবিতে ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আন্দোলনে পুলিশের গুলি, আহত আন্দোলনরত একজন শিক্ষক”! এই ধরনের শিরোনাম গতকাল মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের সকল সংবাদমাধ্যম, টেলিভিশন চ্যানেল বা ফেসবুকের মত সামাজিক মাধ্যমে। এরই রেশ ধরে এই কয়দিন শিরোনাম “বিক্ষোভে অচল ঢাকায় চরম ভোগান্তি”। এই শিরনামগুলোকে কেবলই তথাকথিত সংবাদ ভাবলে ভুল হবে। সংবাদের গভীরে যাবার আগে একটু...

missed several doses of synthroid

একটি দেশ ও ঘুণে ধরা “শিক্ষা” নামক প্রটোকল !!

  “   আমরা জীবনের মূল্যবান ২০ টি বছর খরচ করি, ২ পৃষ্ঠার একটি বায়োডাটা বানাবো বলে! ”     এখনকার শিক্ষিত সমাজে এই প্রবচনটি বেশ জনপ্রিয়। কেউ হয়ত অক্ষেপ করে বলে, আবার কেউ বলে হতাশায়। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়ের ব্যপ্তিকালে শিক্ষার্জন করে আসা একজন শিক্ষার্থীর এমন আক্ষেপ বা হতাশা সত্যিকার অর্থেই একটি ব্যক্তি জীবন, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং সর্বোপরি একটি দেশের জন্য অনেক বড় ধরনের হুমকি। সত্যিকার অর্থে এখনকার সমাজে শিক্ষার্জন পরিমাপ হয় অর্থের মাপকাঠিতে। একজন শিক্ষার্থী তার জীবনের মূল্যবান সেই ২০ টি বছর অতিবাহিত করছে একটি ভাল চাকুরী লাভের আশায়। কিন্তু আসলেই কি সে তার আখাংকিত চাকুরী পাচ্ছে?...

মানঝি- দ্যা মাউন্টেইন

    কোন এক বাংলা ছায়াছবির গানে নায়ক অমিত হাসান একবার গেয়েছিল, “আমি পাথরে ফুল ফোটাবো, শুধু ভালোবাসা দিয়ে!” সিরিয়াসলি??  যাই হউক, প্রেম ভালোবাসা নিয়ে এমন ঔদ্ধতপূর্ণ বা অবাস্তব বাক্য বিনিময় কেবল ছায়াছবিতেই সম্ভব। কথায় আছে ছিঃনেমার গরু সর্বদায় গাছে চড়িতে সক্ষম। ছিঃনেমার এরকম জানা অজানা অসংখ্য বাক্য বা ডাইলগ আমাদের মত সাধারন মানুষদের কাছে প্রেম ভালোবাসাকে এক প্রকার মিশন ইম্পসিবল এর পর্যায় নিয়ে গেছে। আর আমাদের এই সাধারণ কাতারের বাইরে যে বা যাহারা এই ইম্পসিবল কে পসিবল করেছে তাহারা এক একজন শ্রেফ টম ক্রুজ! তাদেরকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন। প্রেম- ভালোবাসার প্রশ্নে বা উদাহরণে বরাবরই কয়েকটি পরিচিত নাম; এই যেমন লইলি-...

about cialis tablets

আবাল বাঙাল

আমার এই সেমিস্টারে প্রোজেক্ট এন্ড ল্যাবোরেটিজ নামে একটা কোর্স আছে। ক্লাসে প্রসঙ্গত কারনে আমি এলিয়েন। ম্যাক্সিমাম ইতালিয়ান আর সাথে স্পানিশ, চিলিয়ান, কম্বোডিয়ান, জার্মান মিলিয়ে একটা গ্লোবালাইজেশনের আখড়া হলেও এরা যে যার স্থানে নিজের জাতি সত্তায় আলাদা। সাউথ এশিয়ান দের ভিতর এক মাত্র আমিই আছি এখানে। একদিন প্রোফেসর আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসিল কোথা থেকে এসেছো হে বৎস? প্রতি উত্তরে খুব বিনয়ের সহিত বলিলাম বাংলাদেশ নামক এক ছোট বদ্বীপ জনাব। বাংলাদেশ!! তোমরা একটা জাতি বটে। তোমরা তো শেখ মুজিব এর দেশের মানুষ রাইট? ঈষৎ হাসিয়া কহিলাম, জি জনাব। আচ্ছা তোমরা উনাকে কি বলে ডাকো যেন? কঠিন একটা নাম আবেগে আপ্লূত হইয়া বলিলাম, বঙ্গবন্ধু...

“আপ উর্দু নেহি জান্তা !”

ঘটনার প্রাক্কাল ২০১২ সালের প্রথম দিকের। বুকের ভিতর অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছি ইতালির উদ্দেশ্যে । ক্লাশে গিয়ে নিজেকে কিছুটা এলিয়েন লাগত। একদিকে প্রফেসরের লেকচার মাথার ১০ হাত উপর দিয়ে যাইত, অন্যদিকে আমার লাহান কালো চামড়ার পাবলিক আমি একাই। যাই হউক একটু ইন্ট্রোভারট হওয়ায় কিছুটা নিজের মত থাকতাম। একদিন ক্লাশে গিয়ে দেখি আমার লাহান কালো কিন্তু অতটা না একটা ছেলে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে ক্লাশ লেকচার শুনছে। ভাব গতি এমন যে প্রফেসর এর বলার আগে বুঝে ফেলায়। মনে মনে খুব পুলকিত হলাম, বাহ বেশ তো ! তার অবকাঠামোয় আমাকে নিশ্চিত করেছিল, এই মাল আমগোর এলাকার। মনে মনে বললাম, যাক...

wirkung viagra oder cialis

আসাদ ওরফে “আছা পাগল” !!

ছেলেটার নাম ছিল আসাদ। কিন্তু একটু মাত্রাতিরিক্ত বোকা- সোঁকা আর সহজ- সরল হওয়ায় সবাই ওকে ডাকতো “আছা পাগল” বলে। আর সেও নিজেই এই ব্যাপারটা সহজে মেনে নিত, যে সে একটা পাগল। কোন এক অজানা কারণে ছেলেটাকে আমি বেশ পছন্দ করতাম। আর বোকা মানুষগুলোর ভালোবাসার এই উপলব্ধিটা অনেক বেশি সহজ সরল; সে যদি বোঝে তাকে কেউ খুব পছন্দ করে তাহলে সেও কোন হিসাব নিকাশ ছাড়াই ঐ মানুষটাকে অনেক বেশি পছন্দ করে ফেলে! আসাদের বয়স তখন ১২ কি ১৩; খুব বেশি হলে ১৪ হতে পারে। কিশোর তারুণ্যের উদ্দীপনায় এই পাড়া থেকে ঐ পাড়া ছুটে বেড়াই। কখনও মাঠে কাজ করত, কখনও কারোর দোকানে...

এ অকাল-মৃত্যূর দায় কার ঘাড়ে ?

জিয়াদকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টার তৎপরতার ইতি টানার ঠিক ১০ মিনিট পর স্থানীয় ছেলেদের বিশেষ উদ্যোগে জিয়াদকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু উদ্ধারকৃত জিয়াদ ততক্ষনে লাশ,দায়িত্বরত ডক্টর তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। সেই সাথে একটি সাড়ে তিন বছরের সম্ভাবনাময় প্রানের অকাল প্রয়ান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতাকে দেখিয়ে দিলো। এখন প্রশ্ন হলো- কার উপর পড়বে এই নিস্পাপ শিশুর অকালে ঝরে যাওয়ার দায়? ওয়াসার এই প্রোজেক্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ইঞ্জিনিয়ারকে পূর্বেই বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আমি মনে করি শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানকে বরখাস্ত বা গ্রেফতার করলেই এর দায় মুক্ত হওয়া যাবেনা।তাতে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবেনা। যদিও এই অনুশীলনীটা...

“পথের পাঁচালীর” সেই ছোট্ট অপুর পাঁচালী !

(কভার ফটো অফ অপুর পাঁচালি, ২০১৪) ঘটনা সম্ভবত ২০১০ কি ১১ সালের,  ঠিক মনে করতে পারছিনা; এই সময় আমি একটি মুভি দেখি “ফরেস্ট গাম্প”। এই ফরেস্ট কে নিয়ে নতুন করে কোন কিছু না বলাটাই বোধহয় বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তাই আর না বলি; তবে হ্যাঁ মুভিটি শেষ হবার পর আমি অনেকটা নিস্তব্ধ হয়ে কিছু সময় মনিটরের স্ক্রিনে তাকিয়ে ছিলাম। আর খুব আফসোস হচ্ছিল। কেননা এই মুভি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৪ সালে আর আমি গাধা মুভিটি দেখলাম ২০১০ এ এসে!! হয়তবা, ওটাই পারফেক্ট সময় ছিল। জীবনের ডেফিনেশন জানতে হয়তবা কিছু সময় দিতে হয় বা লাগে। ঐ যে শিরোনামহীন তাদের জাহাজিতে গেয়েছিল, “বুঝতে কিছু...

ক্রিকেট ইজ নট এ ইমোশনাল গেইম, ইটস এ প্র্যাকটিস অফ প্রফেসনালিজম!!!

ইদানিং সংবাদপত্রের আজগুবি সংবাদ থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি। খুব একটা সংবাদপত্র পড়া হয় না। আর টেলিভিশন এর চ্যাপ্টার ক্লোজ করেছি অনেক আগেই। যাই হউক তারপরও ফেসবুকের বদৌলতে একটা সংবাদ হাইলাইট হোল। “বাংলাদেশ সফরে ভারতের ২য় সারির দল!”…… নিউজটা পড়ে একটু খারাপ লাগলো। তুচ্ছ-তাচ্ছিলের একটা সীমা আছে। মাথা সত্যি সত্যি গরম হয়ে গেল। ভাবলাম একটা ইভেন্ট খুলি, যার শিরোনাম হবে, “ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের এ টিম কে নামানো হউক!” কিন্তু, ব্যাপারটা একটু ভাবলাম, আসলেই যদি বাংলাদেশ এই সিরিজে নিজেদের বেস্ট রেখে এ-টিম নিয়ে মাঠে নামে তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে!! কোন ভাল কিছুই হবেনা, এটা করলে বাংলাদেশ আবারও ভুল করতে যাচ্ছে। কেন যেন...

all possible side effects of prednisone

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ইহা একটি এপিক নির্বাচন!!!

ঘটনা সেই উনিশও ভুরভুরা সালের। শহরের সেক্রেড হার্ট স্কুল ছেড়ে এলাকার হাই স্কুলে ষষ্ট শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছি। শহুরে হওয়ায় ক্লাসের অধিকাংশ পলাপাইন প্রথম দিকে আমাকে খুব একটা পছন্দ করতনা। কিন্তু আমি চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলাম। ক্লাসের সব থেকে পাওয়ারফুল পোলা ছিল অর্ণব বসু। সে এলাকার পোলা, স্কুলের পাচিল টপকাইলে ওর বাড়ি। সবাই তাকে চিনে। সে ক্লাসে ঢুকলেই হই হই পড়ে যায়। আমি ওরে দেখে মজা পাইতাম। সব সময় প্রথম বেঞ্চে ওর শিট বুকিং করা থাকতো। এদিকে আমি ব্যাক বেঞ্চার ধীরে ধীরে সামনের সিটে বসার বদ অভ্যাস করলাম। ওর সাথে কথা বলা শুরু করলাম। আস্তে আস্তে বুঝলাম পোলা তো পুরা আগুনের গোলা!! ভালো...

thuoc viagra cho nam

শিরোনামহীন কিছু অগোছালো ব্যাখ্যা!!- প্রথম অনুচ্ছেদ

দেশান্তরী হওয়ার পর দেখতে দেখতে প্রায় ৩ টা বছর পার করে দিলাম। খুব উত্তেজনা নিয়ে ইতালি পাড়ি জমিয়েছিলাম। ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির  বড় ডিগ্রি নিব,  বড় কোম্পানিতে চাকরী করবো, হাজার হাজার ইউরো ডলার উপার্জন করব, মনের মানুষটিকে একদিন বিয়ে করে ঘর সংসারী হয়ে যাব। এক কথায় সিম্পেল লাইফ প্লান। কিন্তু আসলে সবার পেটে সব কিছু সহ্য হয় না, তেমনি সবার জন্য বিদেশের জীবন যাপন নয়। কেননা আজ দুই বছরে আমার আসে পাসের এতো বন্ধু বান্ধব, মামা, চাচা, ভাই বোন এর ভিতর একজন বাদে অন্য কাউকে পাইনি যে বা যারা আমাকে একটি বারের জন্য হলেও বলেছে যে পড়াশুনা শেষ করে দেশে কিছু...

“WHAT A WONDERFUL WORLD!!”

সূর্য মামা উকি দেয়ার আগেই ট্রেন এ চেপে বসলাম। গন্তব্য ইতালির চিঙ্কুয়ে ট্যাঁররের করনেলিয়া বিচ। জানালার সাইডের সিটে বসে ইতালির কান্ট্রিসাইড উপভোগ করছিলাম। রাতে না ঘুমানোর কারণে হালকা ঝিমুনি পাচ্ছিল। কিন্তু প্রকৃতির সেই অপুরুপ শোভা আমাকে ঘুমানোর অনুমতি দিল না। এদিকে ট্রেন চলছে ১৩০ থেকে ১৫০। হয়তবা তার থেকেও বেশী। আর অপরদিকে পূর্ব দিগন্তে সূর্য ও মেঘ ব্যস্ত যার যার আদিপত্ত বিস্তারে। কেন জানি আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম তাদের এই অদ্ভুত খেলা দেখে। একদিকে মেঘ ও সূর্যের আদিপত্ত বিস্তারের খেলা, সাথে ট্রেন ইতালিয়ার দ্রুত ছুটে চলা আর কানে আইপডে বাজছে লুইস আর্মস্ট্রঙের “WHAT A WONDERFUL WORLD”। সবকিছু মিলিয়ে মুহূর্তে প্রকৃতির এক...

cialis new c 100