Author: রাতুল রাহা

venta de cialis en lima peru

ঝিনি

মোম ও মমির দেশে তার মুখ গলে গলে পড়ে রোদন অর্থে বাজে সকরুণ বিরহ পিয়ানো কতোটা নির্জন স্রোত ভাসিয়ে এনেছে সমারোহে আমি যা জানি বনিতা সমস্ত পৃথিবী জানে না দ্যাখো এই ফুলবন মৌসুম ঢেলে দিলো বুঝি তার পরও স্মৃতিচিহ্ন প্রস্ফুটিত হয়ে আছে ডালে নির্জনতা খুঁজে পেতে তোমার শিয়রে রাখো ঝিনি পাতার নৌকো আজ ভাসিয়েছি কেয়ার কাজলে nolvadex and clomid prices

zithromax azithromycin 250 mg

চটিকূল শিরোমনি সাইয়েদ জামিলের এক সপ্তাহ চটিতা

কয়েকদিন ধরে অনলাইনে তোলপাড় হচ্ছে । যে দুধের শিশুটি নতুন কথা বলা শিখেছে সেও সবার সাথে তাল মিলিয়ে অশ্লীল অশ্লীল বলে চেচাচ্ছে । এরা বিশ্বসাহিত্য তো দূরে থাক, বাঙলা সাহিত্যই তো পড়েনি । নাম বলতে বললে কিছু জনপ্রিয় কবিতার নাম ছাড়া বলতেও পারবে না । চিলে কান নিয়ে গেছে, কান নিয়ে গেছে বলে সবার সাথে নৃত্য জুড়ে দিয়েছে । কবিতার আক্ষরিক অনুবাদ করছে । না পড়েই ভালোমতো বলে দিচ্ছে অশ্লীল । সাইয়েদ জামিলের দশটি চটিতা পোষ্ট করলাম তাই । এইগুলো বর্জন করতে পারেন । ছাগল ছাগল একদা গোরুর মত ঘাস খাইতো । একদা বলছি কারণ উহারা এখন খায় শিল্পকলা ।...

viagra en uk
half a viagra didnt work

আজকে আমার মন দেবদারু

আজকে আমার মনটা হঠাৎ করেই খুব দেবদারু হয়ে এলো স্নান ঘরের কল খোলা, জল গড়াচ্ছে, ওদিকে খেয়াল হতেই মা ডাকলো নতুন টিউশনির নাকি কথা রয়েছে আমার তবুও কিছু কবিতা লাগছে না কোথাও যেন একটা ভিয়েতনাম ভিয়েতনাম কাছিমের ভঙ্গিতে পায়চারি করছি ঘরময় জানালার পর্দা পেন্ডুলামের মতো দুলছে বারবার শুধু বুকের(নাকি জঙ্গলের?) ভিতর গাছ পুড়িয়ে অথবা পাতা কুড়োনি মেয়েরা সশব্দে পাতা কুড়োচ্ছে তাই দেখে আজকে আমার মনটা হঠাৎ করেই খুব দেবদারু হয়ে এলো কোথাও যেন একটা ভিয়েতনাম ভিয়েতনাম আমার তবুও কিছু কবিতা লাগছে না অরুণিমা কিছু একটা বলে গেলেও পারতো… ০৫০১১৫ can your doctor prescribe accutane

অপারেশন আরমার্ড কার

ডিসেম্বর মাসের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর, ফজরের আযান দেয়ামাত্র একসাথে দেশের দুই-প্রান্তে একইসময়ে দুইটি ঘটনা ঘটলো। সম্ভবত প্রকৃতির সমতা রক্ষা নীতি অনুসারেই ঘটনা দুইটি ঘটলো। ঘটনাগুলো কি সেটা সঙ্গত কারনেই পরে বলছি। আসাদের সাথে ফাহমিদার বিয়েটা খুব ধুমধাম করে হয়নি। না হবার কারন দেশের উত্তাল পরিস্থিতি। শেখ সাহেবের উপর কড়া নজরদারি চলছে তখন। দেশের জনগণ ভিতরে ভিতরে ফুসে উঠছে। যেকোনো সময় শেখ সাহেব স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিতে পারেন। প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শহরে জারি করা হয় কারফিউ। এমন পরিস্থিতিতে কি আর ধুমধাম করা মানায়? আসাদ এর বয়স ছাব্বিশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বেরিয়েছে মাত্র, বেরোনো মাত্রই একটা বেসরকারী ফার্মে চাকরী পেয়ে...

পিতার অস্থির সন্ধানে

কাঠব্রিজ পড়ে আছে সৈকত অর্কেস্ট্রায় কতিপয় সন্তানের মত উঠে এলো সমুদ্র কাছিম মাতৃগর্ভে ইট্‌স হাই টাইম—চলচ্চিত্রের প্রাইম শটগুলি কি করে সে নিতো কেমন করে ক্যামেরায় চোখ রেখে বর্ষীয়সী জননীর রাই ক্ষেত থেকে জীবন তুলে নেবার এক সহজাত ক্ষমতার অধিকারে এমন আরো অনেক হামাগুড়ি নিঃশব্দ কার্পেটে ম্লান শার্ট—রায়ের বাজার আমরা হাতা গুটিয়ে রাখি বরাবর                 সবুজ বনের ভিতর গোলাকার লাল                 সেখানে অনেক কংকাল পড়ে থাকে কাছিম উঠে আসে বাঙলাদেশে পিতার অস্থির সন্ধানে! ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৪

শরৎ জমে আসে ঠাণ্ডা ঘাসে

আজকে আলোর ন্যায় চমকে উঠে মহুয়ার বনে ঘাস-পাখিদের বেতাল উড়াউড়িতে গত রাতের শোক ভুলে গেছে মাঠের ভিতর উধাও হওয়া কমলা রঙের বাতাস। এখানকার কাঠগোলাপগুলো যেন আমগাছের শাখায় ঝুলে থেকে ইস্তফা দিয়েছে ফুলের নামে যেখানে মেরুন রঙের বিখ্যাত মণিপুর শাড়ির আঁচল উড়িয়ে উপস্থিতি জানান দিয়েছে বিকেলের সূর্য। এই রঙ দেখাদেখি, এই আবির মাখামাখিতে মনে হয় যেন হাতের নাগালে হরিণের কাঁচা সোনা পেয়ে বর্তে গেলো মেডেল বিক্রেতা এক অদ্ভুত ডাহুকের বুক । ঘর এবং ঘরের বাহিরে জাফরানি শামিয়ানা টানিয়ে মার্বেল খেলায় মেতেছে মেটে গন্ধে বেড়ে উঠা শাদা বেড়ালের দল, কত দূর দেশ থেকে এসেছে লাইলাক ফুল– দুধেল বিমান খুলেছে তার ডানা এবং...

সেভেনটি ওয়ান এবং একটি দাগ কাটার ইতিহাস

কোনো ঘটনাই আর আমার মনে দাগ কাটেনা। দাগ কাটাকাটির দিন শেষ হয়ে গেছে। তবে আমার স্পষ্ট মনে আছে ক্লাসঘরে বসে আমরা দিব্যি দাগ কাটাকাটি খেলতাম। আমাদের বন্ধু সৌরভকে যেদিন অপহরণকারীরা সাত টুকরো করে কেটে মাটিতে পুঁতে ফেললো, তখনও আমার মনে কোনো দাগ কাটেনি। ইনফ্যাক্ট আমার সহপাঠী কারো মনেই নয়। জাতি হিশেবে এটা সম্ভবত আমাদের গর্বের বিষয়। দাগ কাটলেই কাটা দাগ নিয়ে চ’লতে হয়। সেভেনটি ওয়ানে নাকি এই দেশে যুদ্ধ হয়েছিলো, দাদু-দিদিমারা এই যুদ্ধকে বলতেন সংগ্রাম। সেই সংগ্রামে খুন হয়েছিলো আমাদের তিরিশ লক্ষ লোক এবং গণধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পায়নি তিন লক্ষ। ভদ্রলোকদের কেউ কেউ বলে থাকেন সংখ্যাটা তিন লাখ। এই...

স্বাধীনতা তুমি কার?

উৎসর্গঃ বারুদের কবি শামসুর রাহমানকে ঋতুস্রাবে ভিজে যাওয়া প্রেমিকার অন্তর্বাসকে শহীদের রক্ত মাখা পতাকা বলে অবলীলায় চালিয়ে দিয়েছে ওরা। ওপাশ থেকে জম্বিদের হাহাকার উঠে আসে- বাংলাদেশ তুমি কি আমার ? তুমি কি আমার সন্তানের, পিতা এবং স্ত্রীর? কৃষকের উর্দিতে সেমিনার কাঁপিয়ে বলেছো- আমি মা মাটি আর মানুষের কথা বলি! আর আমরা শুনেছি জনসমুদ্রে বসে, বজ্রের মত করতালির শব্দে আশুলিয়া জেনেছে যখন চৌহাট্টা থেকে জিরো পয়েন্ট হয়ে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে গিয়েছে সে শব্দ। তারকাখচিত দেশগো মাবুদ, চান খচিত এই দেশের অপেক্ষায় পথশিশুর পাঁজরের হাড় গুনে অবসর যাপন করি। বৃদ্ধ বটের কাছে ভাষাহীণ, জরাগ্রস্ত দলিলের চাবি, গারদে গারদে জিকির তুলেছে এ দেশের শ্রেষ্ঠ...

private dermatologist london accutane

নাবালিকা এবং কিছু জিজ্ঞাসা

বছর দু’য়েক বাদে তুমি সাবালিকা হবে, আমার জন্য তোমার মনে কিছুটাও কি থাকবে তখন ভালোবাসা ভালোবাসা? বুকের ভিতর ফিঙের বাসা বদলে নিয়ে প্রধানত এই পৃথিবীর চারুকলায় খানিকটা পথ যাওয়া-আসা। আমার জন্য চা বানাবে, কাজল দেবে, চিঠি লিখবে? তোমার এখন বয়ঃসন্ধি, জলের নদী। যখন তুমি সাবালিকা এই পৃথিবীর নাট্যকলায় আমার জন্যে তোমার মনে কিছুটাও কি থাকবে তখন ভালোবাসা ভালোবাসা? যখন আমরা বয়োবৃদ্ধ- বটের নিচে ফলের মত পড়ে থাকবে স্মৃতিসৌধ, তখন তোমার কত হলো, সাবালিকা? আমি তখন ছড়ি হাতে, মেঘের দিকে চেয়ে থাকবো বৃষ্টি তখন নামে যদি এই পৃথিবীর শিল্পকলায় আমার জন্যে তোমার মনে কিছুটাও কি থাকবে তখন ভালোবাসা ভালোবাসা? ০৪/০৮/১৪

নাস্তিকরা কেন মুক্তচিন্তা করতে পারেন না —-

আমি কোনোকিছু সম্পর্কে নিশ্চিত নই, এই অনিশ্চয়তাই আমাকে অনুসন্ধানের পথে ধাবিত করে। নাস্তিক এবং আস্তিক উভয়েই ঘোষণা দেন যে তারা তাদের বিশ্বাস সম্পর্কে নিশ্চিত। অর্থাৎ তাদের হাতে এমন প্রমাণ আছে যাতে তারা ঘোষণা করতে পারেন ঈশ্বর আছেন অথবা নেই। এবং ঈশ্বর বিষয়ে তাদের আর অনুসন্ধান করার প্রয়োজন নেই, ঈশ্বর সম্পর্কে বা ঈশ্বর তত্ত্ব সম্পর্কে জানার কিছু নেই। অর্থাৎ তারা সর্বজ্ঞান লাভ শেষ করেছেন। আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়- পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কত? আপনি উত্তর দিবেন- ৯.৮৮ প্রায়, অর্থাৎ আপনি এ ব্যাপারে নিশ্চিত। আপনি আর অনুসন্ধান করবেন না। এই বিষয়ে আপনার জ্ঞান অর্জনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমাকে যদি একই প্রশ্ন করা...

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর চিঠি মলয় রায়চৌধুরীকে : হাংরি কিংবদন্তি

আয়ওয়া, আমেরিকা, ১০ জুন ১৯৬৪   মলয়, তুমি কলকাতায় কি সব কাণ্ডের বড়াই করে চিঠি লিখেছ জানি না । কী কাণ্ড করছ ? আমার বন্ধু-বান্ধবদের কেউ-কেউ ভাসা-ভাসা লিখেছে বটে কফিহাউসে কী সব গণ্ডোগোলের কথা । কিছু লেখার বদলে আন্দোলন ও হাঙ্গামা করার দিকেই তোমার লক্ষ্য বেশি । রাত্রে তোমার ঘুম হয় তো ? এসব কিছু না — আমার ওতে কোনো মাথাব্যথা নেই । যত খুশি আন্দোলন করে যেতে পারো — বাংলা কবিতার ওতে কিছু আসে যায় না । মনে হয় খুব একটা শর্টকাট খ্যাতি পাবার লোভ তোমার । পেতেও পারো, বলা যায় না । আমি এসব আন্দোলন কখনো করিনি ;...

খেলার সাথে একটু রাজনীতি, একটু ইতিহাস মেশাই- ঠিকাচ্ছে?

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া দুইটা দেশের নাম বলি- ইজরাইল, ফিলিস্তিন মুসলিম উম্মার- বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ তখন জাগ্রত হয়নি, তাই আজকে আপনারা যারা স্বাধীন বাংলায় বসে খেজুর চিবোতে চিবোতে সৌদি আরবের বাদশাহের গুণগান  করছেন- তাদের জানাচ্ছি- সমগ্র মিডল ইস্ট থেকে একমাত্র ফিলিস্তিনিরাই সর্বপ্রথম আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছিলো। এখন আসি, খেলায়- সাকিব-আল-হাসানের শাস্তি নিয়ে আপনারা কইলেন যে- সাকিব আল হাসান সোনার ডিম পাড়া হাঁস। তাই তারে শাস্তি দেয়া উচিত না। তারে শাস্তি দিলে নিজেদেরই ক্ষতি। (যারা সাকিবের শাস্তিকে তার পারফর্মেন্স দিয়ে জাস্টিফাই করেছেন তাদের জন্য) এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলি- তাহলে তো বর্তমান সংঘাতে ইজরায়েলীদের পক্ষ নেয়াটা জরুরী। কেননা ইজরায়েলীদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো রাখলে ভবিষ্যতের...

para que sirve el amoxil pediatrico

সৃষ্টির সেরা জীব- আশরাফুল মাকলুকাত নিয়া কিছু কথা

যে ব্যাক্তি বন্দুক হাতে একটি পাখি হত্যা করেছে, প্রয়োজনে বন্দুক হাতে সে মানুষও খুন করতে পারে। মানুষকে আমরা সবসময় আলাদা একটা ক্যাটাগরিতে ফেলে সৃষ্টির সেরা জীব বলে আখ্যায়িত করি। অথচ প্রতিটি প্রাণীই তাদের নিজ নিজ অবস্থানে সেরা। অন্য পশুর মত মানুষেরও রয়েছে একই রকম জৈবিক চাহিদা। দিন শেষে আমরা সবাই পশু এবং আমাদের জন্মের উদ্দেশ্য হলো জন্ম দেয়া এবং একসময় মারা যাওয়া। পশুকুলে প্রচলিত প্রথা হলো- যে সবচেয়ে শক্তিশালী সে দলের রাজা। মানুষের ক্ষেত্রেও তো তাই। কে সেরা সেটা দাবী করার জন্য একটা প্রসঙ্গ কাঠামো প্রয়োজন। কিন্তু যখন মানুষ নিজেই মানদণ্ড তৈরী করছে তখন সেটা কি কখনো সঠিক বিবেচনাহতে পারে?...

তথাকথিত দেশপ্রেমিক নিয়ে কিছু কথা

আমার একটা বন্ধু আছে, তার নামটা আমি উহ্য রাখতে চাই। তার ভাষ্য স্পষ্ট এবং নিরেট- “আমি সরকারী চাকুরী করব এবং ঘুষ খাব। যেখানে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ নেই, সেখানেও আমি ঘুষ খাবার ক্ষেত্র তৈরী করব।” সে আরেকটি কথা প্রায়ই সগর্বে বলে- “আমি দেশপ্রেমিক নই, এটা আমার দেশ নয়” আমার বন্ধুটিকে আমি পছন্দ করি, অন্তত সে দেশপ্রেমিকদের মত হিপোক্রেট নয়। সে বলেনি- আমি দেশের জন্য হেন করব তেন করব। দেশের প্রতি তার প্রবল বিতৃষ্ণা, তার এই বিতৃষ্ণা আমার মধ্যেও কাজ করে। এখন আমি ব্যাক্তিগত একটা ঘটনা বলি, আমি কোচিঙে গিয়েছি। কোচিংটির মালিকানা হলো জামায়াত-শিবিরের। সকালে ক্লাস ছিলো- আমি আর আমার ভাই কোচিঙে...

ফার্গো থেকে মন্টানা

ফার্গো থেকে মন্টানা সারারাত্রি—- মীনাক্ষি, ম্যাপল আর বার্চের সারি উল্কার মত পাশ কাটিয়ে চলেছিলো আমাদের ডজ-কনভার্টিবল। সুষম গতিবিধি আর চুড়ান্ত উন্মাদনায় ট্র্যাক থেকে সরে সরে… সেদিন তোমাকে কিছু দেয়া হয়নি। এমন একটা চুম্বনের কথা তোলা থাক। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হলে রাত্রির শোক ঠিকই ভুলে যাবে পূর্ণেন্দু। আর আমরাও ভুলে যেতে পারি কোথা থেকে শুরু করেছিলাম। আজ যখন অনেক বছর পর তোমাকে সেই একই হাইওয়েতে দেখলাম, মনে পড়ে গেলো- মীনাক্ষি, সেদিনের কিছু গ্ল্যাডিওলাস তোমার পাওনা রয়ে গেছে… ০৪/০৬/২০১৪

নিঃসঙ্গতার একশো বছর

জেগে আছো, আজমিরি? ল্যান্টার্ন হাতে আমি সাইবেরিয়ায় জেগে আছি। কক্সবাজার সী-বীচের প্যানোরোমায় তুমিও আজকাল আর মুগ্ধ নও, বিষাদ জিতে নিয়েছে তোমার দক্ষিণের বারান্দা, সবটুকু। চলো কিছুদূর হেঁটে আসি, বিষাদ থেকে সরে। কিছুটা হাওয়া লাগলে ভালো। রাত্রি বাড়তে থাকলে, পাল্লা দিয়ে নিজস্বতা বাড়ে। বাণিজ্যিক সুখী আছে যারা আমি তো তাদের মত পুঁজি-পতি নই। কখনো ছিলাম না, কোনোদিনও। এতদিন পর আজ ইচ্ছে করছে, ক্যান্ডেল-লাইট ডিনারে কসমস আর ক্রিসেন্থিমাম সাজিয়ে তোমাকে আবার প্রশ্ন করবো- জেগে আছো, আজমিরি? ল্যান্টার্ন হাতে আমি সাইবেরিয়ায় জেগে আছি। ২১/৪/২০১৪

শেষ মধ্যাহ্নভোজ(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার একটি গ্রাম কামারগাঁও। মজার কিংবা বিস্ময়কর ব্যাপার হল এই গ্রামের সবাই চোর। শুধু চুরি নয়, এই গ্রামে খুন করা মশা-মাছি মারার মতই সাধারণ ঘটনা। ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে বুড়ো-বুড়ি সবার কাজ হল চুরি করা। আগে এ গ্রামে কোনো শিক্ষিত লোকই ছিলোনা। আজকাল এক-আধটা পরিবারের বাপ-মায়েরা বুঝতে পেরেছে যে তারা নিজেরা সারাজীবন চুরি করেছে বলে তাদের ছেলে- পুলেরাও চুরি করে জীবন-যাপন করবে এটা হতে দেয়া যায়না। সেই গ্রামের এক চোর জামাল মিয়া। জামাল মিয়া ঘরের দাওয়ায় বসে আছে। পাকঘর থেকে মুরগীর সালুনের ঘ্রাণ ভেসে আসছে। জামাল মিয়া রান্না হবার অপেক্ষায় আছে। মুরগীটা সে সকালেই পাশের...

cialis new c 100