Author: ফাতেমা জোহরা

বই পর্যালোচনাঃমিরপুরের ১০টি বধ্যভূমি

“বিহারীরা আমার বোন আমেনাকে ড্রামের পেছন থেকে বের করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।আমার বোন চিৎকার করে বাঁধা দেবার চেষ্টা করে,পরে তাঁর দেহটি হঠাৎ নিথর হয়ে যায়। সেই নিথর দেহের উপর পালাক্রমে চলে ধর্ষণ। ধর্ষণ শেষ হলে নিথর দেহটিতে তিনটি গুলি করে” … বর্ণনা দিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান মোমেনা বেগম। প্রায় ২ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলে তিনি আরও জানান- “লাশগুলো মিলিটারি ও বিহারীরা টেনে গাড়িতে করে কালাপানি বধ্যভূমির দিকে যায়।আমি পালিয়ে গাবতলীতে আত্মীয়ের বাসায় চলে যাই। প্রায় ২ মাস প লুকিয়ে পরিবারের লাশের সন্ধানে “কালাপানি বধ্যভূমিতে” যাই। গিয়ে দেখি যেন একটা মৃত্যুপুরী। অসংখ্য মানুষের ছড়ানো ছিটানো লাশ আর লাশ। কিছু কিছু...

বই পর্যালোচনাঃ ক্র্যাক প্লাটুনের বদি

“মামা আমায় কিছু অস্ত্র যোগাড় করে দিতে পারো? আমি পাকিস্তানি হায়েনাদের দেখিয়ে দিতে চাই সারাদেশের মতো ঢাকা শহরেও মুক্তিযুদ্ধ চলছে। আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে ঢাকা শহরে অপারেশন চালাবো। এদেশকে আমরা সত্যি সত্যিই একদিন স্বাধীন করে ছাড়বো। নতুন আলোতে উদ্ভাসিত হবো আমরা…” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বদির। কিন্তু এরই মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়াতে পরীক্ষাটা আর দেয়া হল না। ওদিকে বদির বন্ধুরাও সব যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। কিন্তু বাবা মায়ের কঠোর অনুশাসন ভেদ করে বদি তখনো যুদ্ধে যোগ দিতে পারছিলো না। ২৫ শে মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী যেভাবে নির্বিচারে বাঙালি হত্যা করেছে, সেই দৃশ্যটা বদির...

wirkung viagra oder cialis
tome cytotec y solo sangro cuando orino

দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট

পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে। গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা। ১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো। ১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস।ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ। ১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ-বিচার ‘লাইপজিগ ট্রায়াল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র... para que sirve el amoxil pediatrico

২৫ শে মার্চ কালরাত্রিঃ ইতিহাসের জঘন্যতম কিছু চরিত্র এবং বর্বরচিত একটি হত্যাযজ্ঞ…

“ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশে যে হত্যাকাণ্ডচালিয়েছে তা নাদির শাহ’র নৃশংসতাকেওহার মানিয়েছে। বাংলাদেশে লুটপাট, বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করা পোড়ামাটিনীতিতে ইয়াহিয়া খান দিল্লীর সুলতানমাহমুদকেও হার মানিয়েছে। বাংলাদেশ নিধনেইয়াহিয়া মুসলিনীকেও হার মানিয়েছে।ইয়াহিয়া খান হার মানিয়েছে হিটলারকেও’’ —–জহির রায়হানের স্টপ জেনোসাইড এর কয়েকটি লাইন। শুধুই কি ইয়াহিয়া? ইতিহাসের জঘন্য এই চরিত্রটির সাথে জড়িয়ে আছে আরো কিছু জঘন্যতম চরিত্র। যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র হল পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান, মূলত এই নরপিশাচেরাই তৈরি করেছিলো ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তর গণহত্যার নীল নকশা; যা “অপারেশন সার্চলাইট” হিসেবে পরিচিত। ১৯৭১ সালের ১৭ই মার্চ...

buy kamagra oral jelly paypal uk
renal scan mag3 with lasix

শেকড়ের সন্ধানে… (পর্ব-০১)

“শেকড়ের সন্ধানে…”   আমার   নিজের তৈরি একটি ক্ষুদ্র ডকুমেন্ট।  মুক্তিযুদ্ধের  বিভিন্ন বই, পত্রিকা,  একাত্তরের ভিকটিমদের নিজ মুখের ভাষ্য, সহব্লগারদের দেয়া অনেক অজানা তথ্য একত্র করে একটা ডকুমেন্ট বানাতে চেষ্টা করছি নিজের জন্য, আমার ছোট দুইটা ভাই আছে- যারা এখনো এসব কিছুই বুঝে না ওদের জন্য; যাতে ওরা কখনই নিজেদের শেকড়ের সন্ধান পেতে ভুল না  করে সেই জন্য, ওদের মতো আরও অনেক অনেক ছোট ছোট ভাই-বোন আছে আমাদের ওদের জন্য, সর্বোপরি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। আমি জানি, এটা খুব সহজ কাজ হবে না আমার পক্ষে। আমি হয়তো এটা ঠিকভাবে করতেও পারবো না। হয়তো আমার অনেক ভুল থাকবে, যেটা শুধরে দেবার দায়িত্ব...

কণ্ঠে গান আর হাতে রাইফেল নিয়ে যুদ্ধজয়ী এক বীরের উপাখ্যান…

“-ওই গান থামা। পাকসেনারা শুনলে বুইঝা যাইবো তুই কোথায়। তোর মরণের ভয় নাই নাকি?’ -আরে মরবোইতো একদিন। ভয় পাওয়ার কী আছে? গান গাইয়া লই” এমনই গান পাগল ছিলেন মানুষটা। একাত্তরে যখন জীবন বাঁচা আর মরার সান্নিধ্যে ছিল তখনও গানকে ভুলেন নি তিনি।হাতে অস্ত্র আর কণ্ঠে গান নিয়েই করেছিলেন যুদ্ধজয়! শুধু একাত্তরেই নয় দেশের জন্য লড়েছেন আটষট্টি- ঊনসত্তরেও। মাত্র সতের বছর বয়সে যোগ দিয়েছিলেন আন্দোলনে। সে সময়ে ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর হয়ে পাকিস্তান সরকারেরবিরুদ্ধে গান গাইতে গিয়েও বুক কাঁপেনি তাঁর। জেলায় জেলায় ঘুরতেন তাঁরা, গান গাইতেন সরকারের বিরুদ্ধে। পুলিশের তাড়া খেয়ে অসংখ্যবার দৌঁড়েপালিয়েছেন তিনি। এভাবেই কেটে যায় আটষট্টি-ঊনসত্তর-সত্তুর।সূচনা হয় স্বাধীনতার বছর,উত্তাল পুরো...

এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না…

কি লিখবো ঠিক বুঝতে পারতেছি না। খুব হতাশ হয়েও ভাবি -”না, হতাশ হবো না। আমার হাতের তো কলম আছে। আর এর চাইতে উৎকৃষ্ট অস্ত্র আর হয় না!” কিন্তু পরক্ষনেই আবার মনেহয়, যদি কাল হাতটাই না থাকে! যদি কাল দেহতেই মাথা না থাকে! হ্যাঁ, এমন একটা দেশে আমরা বসবাস করছি, এমন একটা সময় আমরা পার করছি যেখানে এই চিন্তাগুলো অমূলক নয়! কি দোষ ছিল অভিজিৎ রায়ের? যুক্তি দিয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামিটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া? নাকি সে একজন নাস্তিক সেটাই সবচাইতে বড় অপরাধ? যদি তা-ই হয় তাহলে অভিজিতদের হত্যার করার আগে আমাদের সংবিধানকে সংশোধন করতে হবে; যেখানে লেখা আছে “বাংলাদেশ একটি...

একুশ…

” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি… ” আসলেই এই দিনটি ভুলবার নয়, এই পৃথিবীতে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব যতদিন টিকে থাকবে, ঠিক ততদিনই আমরা মনে রাখবো এই দিনটিকে…যদিও ৫২’র অনেক আগে থেকেই বাঙালির মনের ভেতর ভাষা আন্দোলনের একটা ঝড় বইতে শুরু করেছিল কিন্তু সেই ঝড় প্রকৃতপক্ষে আঘাত হানে ৫২’র ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে। ১৯৪৭-১৯৫২ সাল পর্যন্ত ” আমাদের রাষ্ট্রভাষা কি হবে বাংলা না উর্দু ” এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে। এই সময়ের মাঝে পাকি শাসকরা বেশ কয়েকবার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দিলেও বাঙালিরা কিছুতেই তা মেনে নেয় না, বরং এই ইস্যুটি নিয়ে তাঁদের ভেতর...

প্রশান্তি এবং কিছু বেজন্মাদের উল্লাস…

“ওদের ৩০ লক্ষ হত্যা করো। বাকিরা আমাদের থাবার মধ্যেই নিঃশেষ হবে….. “ প্রচন্ড চিৎকার, হাহাকার, কান্নার ধ্বনি চারিদিকে। ঘামছে, সমস্ত শরীর ঘামছে কিম্ভূতকিমাকার লোকটার। অদ্ভুত! ঘামগুলো ক্যামন রক্তের মতো দেখাচ্ছে যে!! লোকটা ঘুমিয়ে পরেছে আবার। অনেক বছর যাবৎ একইভাবে ঘুমুচ্ছে সে।কিন্ত ইদানীং বহু বছরের পুরনো কিছু ঘটনা দু্ঃস্বপ্ন হয়ে আনাগোনা করে তাঁর ঘুমের মাঝে। হঠাৎ হঠাৎ জেগে যায় সে। “… আমারে মাইরো না,আমি মায়ের কাছে যামু! “— কে! এ-তো সেই বাঙালির বাচ্চা! খুন, রক্ত, চোখ মানুষের চোখ, স্তূপ -মানুষের মাথার স্তূপ! ৩০ লক্ষ বাঙালির চিৎকার।ঐ যে,ঐ যে দেখা যাচ্ছে একটা জল্লাদখানা,কিছু মস্তকবিহীন দেহ। রক্তের দেড় ইঞ্চি পুরু একটি কাস্টার্ড রাখা...

মুক্তির নারীঃ নূরজাহান…

নূরজাহান বেগম, বাবার আদরের মেয়ে নূরজাহান।আদর করে বাবা যাকে নূরী বলে ডাকতেন।একাত্তরে নূরীর বয়স ছিল মাত্র পনেরো।কিন্তু মেয়ের বয়স যতোই কম বুকের ভেতরের আগুন ততোই বেশি।সেই আগুন ছিল পাকিদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেশ থেকে বিদায় করার আগুন, সেই আগুন ছিল লাল সবুজ পতাকার মাঝখানের হলুদ মানচিত্রের আগুন।চারিদিকে বাঙালিদের ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিরা।অত্যাচারের মাত্রা যতোই বাড়ে নূরীর ভেতরের আগুন ততোই বাড়ে।অবশেষে নূরী ঠিক করলো যেভাবেই হোক যুদ্ধে যাবে সে। আগুনরঙা মানচিত্রের জন্ম দেবেই সে… যেই কথা সেই কাজ। আরও দুই জন মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে, “আমি যেখানেই যাই ভালো থাকবো,আমার জন্য দোয়া করবেন”- এই দুই বাক্যের চিরকুট লিখে রওনা দেয় যুদ্ধে, মানচিত্র... synthroid drug interactions calcium

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০৬)

এর আগের ৫ টি পর্বতে বিভিন্ন বধ্যভূমিতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস গুলো তুলে ধরেছিলাম। তবে এবারের পর্বটি একটু অন্যভাবে সাজাতে চেষ্টা করেছি।একাত্তরে মূলত পুরো বাংলাদেশই পরিণত হয়েছিলো একটি বধ্যভূমিতে। আমার মনেহয় এই দেশটার এমন কোন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে শহীদের রক্ত মাংসের অস্তিত্ব নেই। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত মাংসের প্রলেপেই গঠিত এই দেশের মাটি।এই দেশটার প্রত্যেকটি ধূলিকণা একেক ফোঁটা রক্তের বিনময়ে অর্জিত। এই দেশের মানচিত্রটা গড়া ৩০ লাখ শহীদ, ৬ লাখ বীর মাতা আর লাখো মুক্তিযোদ্ধার সর্বোচ্চ ত্যাগ, মহিমা আর ভালোবাসায়, এই দেশের পতাকার লাল বর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে এক সাগর রক্তের আর সবুজ, সেতো এই দেশেরই রূপের মহিমা জানান...

can your doctor prescribe accutane
walgreens pharmacy technician application online

বিস্মৃতির অতলে চাপা পড়া এক কল্পনাতীত নিকৃষ্টতা এবং নাম না জানা কিছু মা-বোনের ইতিহাস…(৪র্থ পর্ব)

শ্যামল বরন দেখতে ছিল সেই মেয়েটি মেয়ে।তাঁর নামটি জানা নেই আমার। খুব মেধবী ছাত্রী ছিল সে। স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবে একদিন, সেবা করবে দেশের মানুষের। তাঁর সেই স্বপ্নের পথেই সে এগিয়ে যাচ্ছিলো একটু একটু করে। সময়টা ১৯৭১। উত্তাল সারাদেশ। বাঙালিদের উপর বর্বরচিত হামলা চালাচ্ছে পাকি হায়নারা। ৮থেকে ৭০ কিংবা ৭৫ বয়সী নারীদেরকে ধরে নিয়ে নিকৃষ্ট অত্যাচার করছে। ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া ছেড়ে দিয়েছে সেই মেয়েটি।কিন্তু বুকের ভেতর তাঁর সেই স্বপ্নটিকে বাঁচিয়ে রেখেছে যত্ন করে। দেশ স্বাধীন হলেই মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে সে।অন্ধকার রাত, কয়েকটি হায়নার থাবা, চিৎকার, হাহাকার। হায়নারা নারকীয় অত্যাচার চালায় সে রাতে মেয়েটির পবিত্র দেহটির উপর।কিন্তু হাল...

অগ্নিবিজেতা ক্ষুদিরাম বসু…

‘একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী। কলের বোমা তৈরি করে দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো, বড়লাটকে মারতে গিয়ে মারলাম আরেক ইংল্যান্ডবাসী। শনিবার বেলা দশটার পরে জজকোর্টেতে লোক না ধরে মাগো হল অভিরামের দ্বীপ চালান মা ক্ষুদিরামের ফাঁসি দশ মাস দশদিন পরে জন্ম নেব মাসির ঘরে মাগো তখন যদি না চিনতে পারিস দেখবি গলায় ফাঁসি’ _______ পীতাম্বর দাস। এই গানটির মধ্যে দেশমাতাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য যাঁর আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে এবং যাঁর কথা উঠে এসেছে তিনি এ উপমহাদেশেরই সূর্যসন্তান। এই গানটি আজও বিভিন্ন গণ আন্দোলনে অনুপ্রেরণা যোগায়, উৎসাহিত করে দেশপ্রেমের অগ্নিমন্ত্রে শপথ নিতে। এই গানের মাধ্যমে যে...

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০৫)

“ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশে যে হত্যাকাণ্ডচালিয়েছে তা নাদির শাহ’র নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে। বাংলাদেশে লুটপাট, বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করা পোড়ামাটি নীতিতে ইয়াহিয়া খান দিল্লীর সুলতানমাহমুদকেও হার মানিয়েছে। বাংলাদেশ নিধনে ইয়াহিয়া মুসলিনীকেও হার মানিয়েছে।ইয়াহিয়া খান হার মানিয়েছে হিটলারকেও” _________ জহির রায়হানের স্টপ জেনোসাইড এর কয়েকটি লাইন। এই লাইনগুলো অনেকবার শুনলেও ৭১ এসংঘটিত গণহত্যার ব্যপকতা নিয়ে এই সিরিজটি লিখবার আগে কখনই ভাবিনি আর ভাবলেও এতোটা ভাবতে পারিনি। জীবন্ত মানুষগুলোকে একের পর এক জবাই করে কখনোবা টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়েছে। কি বীভৎসতা !! যদিও গণহত্যা সম্পর্কিত বেশিরভাগ তথ্যই হারিয়ে গিয়েছে যথাযথা সংরক্ষণের অভাবে কিন্তু যেটুকু খুঁজে পাওয়া যায়, সেটুকু পড়লেও আঁতকে উঠতে...

all possible side effects of prednisone

গোলাম আজম… এক মহান ভাষা সৈনিকের নাম !!!!!!

“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের নেতা, ডাকসুর সাবেক জিএস, ভাষা সৈনিক, মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম আজমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৯২ বছর বয়স্ক এই কারাবন্দীকে বুধবার বিকেল থেকে স্যালাইন দিয়ে রাথা হয়েছে।” _________ তৌহিদি ছাগকূলের খোয়ার বাঁশেরকেল্লা থেকে নেয়া। গোলাম আজম একজন ভাষা সৈনিক(!) তাদের মতে। দেখা যাক ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এক ভাষা সৈনিকের অবদান … ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে এসে ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন৷ সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পক্ষ থেকে তাকে দেয়া একটি মানপত্রে...

zovirax vs. valtrex vs. famvir

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০৪)

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে থাকা কিছু ইতিহাস জানার জন্য এবং সকলকে জানানোর জন্য শুরু করেছিলাম ধারাবাহিক এই লেখাটি। ঠিক কতোগুলো পর্ব লিখলে পাকিস্থানীদের সেই নির্মমতা আর নৃশংসতার ইতিহাস শেষ করতে পারবো জানি না। আর জানতেও চাই না, কারণ শুধুমাত্র পাকিদের নির্মমতা আর নৃশংসতার ইতিহাস তুলে ধরার জন্যে আমার এই লেখা নয়; আমি আমার এই লেখাটির মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি আমাদের জন্মের ইতিহাস, তুলে ধরতে চেয়েছি কতো ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তের বিনিময়ের অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। প্রতিটি পর্ব লিখবার সময়ই আমি শিউরে উঠেছি পাকিদের নানা রকম নির্মমতা আর পৈশাচিকতার বর্ণনা জেনে। শরীরের লোম দাড়িয়ে গিয়েছে, নিজের অজান্তে কতবার যে চোখের জল ফেলেছি...

cialis new c 100

মসলিন… বাঙালির হারিয়ে অনন্য এক গৌরবের নাম

ইতিহাসখ্যাত অসাধারন এক বস্ত্রশিল্পের নাম “মসলিন” । এই মসলিনকে নিয়ে রয়েছে হাজারো কাহিনী আর গল্প গাঁথা। সেই সাথে  মসলিনের প্রতিটি পরোতে পরোতে মিশে আছে  বাঙালি তাঁতিদের নৈপুণ্যতা, পারদর্শিতা আর গর্বের ইতিহাস। ঠিক তেমনি ভাবে আবার এই মসলিনকে ঘিরেই রয়েছে এক হৃদয় বিদারক কাহিনী। সেকালে যেসব তাঁতিরা মসলিন তৈরি করতেন সেসব তাঁতিদের প্রতি অত্যাচারের কাহিনী, আঙুল কেটে ফেলার ইতিহাস- এসব  আমাদের সবারই কম বেশি জানা। বেশ কিছুদিন ধরেই চিন্তা করছিলাম বাঙালির অন্যতম গৌরবের জিনিস এই “মসলিন” নিয়ে  লিখবো কয়েকটা লাইন। আর সেই ইচ্ছের প্রতিফলনই হল এই লেখাটি। কিভাবে উদ্ভব “মসলিন” শব্দটিরঃ-  হেনরি ইউল এর প্রকাশিত অভিধান হবসন জবসন থেকে জানা যায় যে- মসলিন শব্দের উদ্ভব ‘মসূল’ থেকে।...

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস(পর্ব-০৩)

স্বাধীনতার ৪৩ বছরে পাল্টে গেছে অনেক কিছুই। বিকৃত হয়েছে এবং হয়ে চলছে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসগুলো। এমনকি কালের বিবর্তনে হারিয়েও গেছে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস।আমাদের জন্য অনেক লজ্জার হলেও সত্যি যে আমরা এতোটাই অকৃতজ্ঞ একটা জাতি যে, নিজেরা বহাল তাবিয়াতে চললেও আমাদের অনেক মুক্তিযোদ্ধা পিতা-মাতা আজ দিনাতিপাত করছে চরম দারিদ্র আর অবহেলার সাথে লড়াই করে।  সেই সাথে আমাদের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর ও বধ্যভূমিগুলো আজো অবহেলায় পড়ে আছে।এমনকি হারিয়ে গেছে, মাটির সাথে মিশে গেছে অনেক গণকবরের স্মৃতিচিহ্ন। বিভিন্ন সময়ে দেশের গুটিকয়েক বধ্যভূমি সরকারি উদ্যোগে চিহ্নিত এবং সংরক্ষণ করা হলেও সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের অগণিত স্মৃতিচিহ্ন এখনও চিহ্নিত করা হয়নি। এর অধিকাংশই...

about cialis tablets

গণহত্যা ’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস(পর্ব- ০২)

পূর্বের পর্বটিতে আমি তুলে ধরেছিলাম বরইতলা,বাবলা বন এবং বেলতলী বধ্যভূমির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি বধ্যভূমি কিংবা সেই জায়গাগুলোতে সংঘটিত গণহত্যার কথা তুলে ধরা হলেও, বাদ পরে গেছে অধিকাংশ বধ্যভূমিতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস। এমনও হয়তো অনেক বধ্যভূমি রয়েছে যেগুলোর কোন চিহ্নই এখন আর পাওয়া যায় না। শুধু লোকমুখে শোনা যায় সেসব জায়গার ইতিহাস। অনুসন্ধান করতে গেলে তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নই পাওয়া যায় না সেসব জায়গা থেকে। কিন্তু এমনটা কি হবার কথা ছিল ? আমাদের শহীদ পিতা মাতাদের বীরত্বগাঁথার ইতিহাসগুলো কি হারিয়ে যাবার ছিল এমনি ভাবে ? অতন্ত্য দুঃখের হলেও সত্যি যে এমনটাই হয়েছে। আজ কালের বিবর্তনে...

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০১)

গণহত্যা বলতে দুইয়ের অধিক বা অনেক মানুষ মেরে ফেলা বোঝায়। পারিভাষিক অর্থে কোন দেশ, জাতি, গোষ্ঠী বা ভিন্ন মতাদর্শধারীদের খুন এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করাই হল গণহত্যা। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত রেজ্যুলেশন ২৬০ (৩) এর অধীনে গণহত্যা বলতে বোঝানো হয়েছে এমন কর্মকান্ড যার মাধ্যমে একটি জাতি বা ধর্মীয় সম্প্রদায় বা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহিত রেজ্যুলেশন ২৬০(৩) অনুসারে যেসব কর্মকাণ্ড গণহত্যার উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় সেগুলো হল – ক)পরিকল্পিতভাবে একটি জাতি বা গোষ্ঠীকে নির্মূল করার জন্য তাদের সদস্যদেরকে হত্যা বা...

viagra vs viagra plus