Author: রাজু রণরাজ

ঈদের পরের আন্দোলন ১৮+

নিশুতি নির্জন রাত, ঝিঁঝিঁ পোকার অবিশ্রান্ত ডাক ছাড়া আর কোন শব্দ নেই, আলিশান বাড়িটার সিঁড়িঘরের নীচে আলপিন পতন নীরবতায় কোনার দিকে লুকিয়ে ছিলো চোরটা। রুটিনমাফিক চেকিংয়ে বেড়িয়ে সেদিকে চোখ গেলো তোবারক সাহেবের, নড়াচড়া টের পেতেই দেখলেন কালো দুটো পা থেকে দশটা সাদা নোখ তার দিকে তাকিয়ে হিহি করে হাসছে, তোবারক সাহেব খানিকটা ভড়কে গেলেন। তিনি পা’ধারীর মুখের দিকে তাকাবার প্রয়োজন মনে করলেন না, যা বোঝার বুঝে নিলেন। ষাট ওয়াটের বাতিটার সুইচ টিপে দিতেই দেখা গেলো চোরের পরনে ছাই রং এর হাওয়াই শার্ট আর ছেড়া ফাঁটা জিন্সের প্যান্ট। তোবারক সাহেব সেই ছাই রঙা শার্টের খসখসে কলারটা খপ করে ধরে টেনে হিঁচড়ে...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

সেক্স & দ্যা সিম্প্যাথি… (১)

খুশির যথেষ্ট কারন ছিলো গ্রোভারের, সে ভেবে পাচ্ছিলোনা কি করবে!… এতোদিনের ক্ষুধা, আপাদমস্তক তৃষ্ণা সে চেপে বসে আছে, যা আজ মিটিয়ে নেবার অনবদ্য পথ বেরিয়ে গেছে। যে যাবার সে চলে যাক, তৃষ্ণা! সে তো ছিলোই, সে থেকে যাবে, হয়তো সত্তুর আশি অবধি। এ বড় দুর্বোধ্য আকাঙ্খা, বড় দুর্বিষহ আকর্ষন। গ্রোভার কুদর্শন নয়, তবুও কেনো জানেনা তার দিকে মেয়েরা কোন টান অনুভব করেনা! যুগের সাথে তাল মিলিয়ে স্টাইল, ট্রেন্ড, ফ্যাশন, অনেক মেনে দেখেছে সে, কাজের কাজ কিছুই হয়না। যদিও এ নিয়ে আক্ষেপ নেই তার, আজকে তো একদমই নেই! সিমরান! মনে পড়ে গ্রোভারের! একরকম জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছিলো তার কাছে, প্রথম...

অনুগল্প- ব্রুটালিটি অভ লাভ

শরীর সম্পর্কিত গল্পের না শুরু থাকে না শেষ, ঠিক যেনো যৌনতার মতো, চিরায়ত নতুনের পথ খুঁজে পায় প্রতিটা মানুষ প্রতিটি অভিজ্ঞতায়। কামুক? হ্যা, সকল মানুষই কামুক বটে। আমিও! আমাকে কামুক উপমা দিলে সকল ফেলে জেগে উঠি অনন্ত আহ্লাদে। আমার গল্পের কোন শুরু বা শেষ নেই। আমার উষ্ণ নিঃশ্বাস হাওয়ায় উড়িয়ে দেয় এস্ট্রের নিকোটিন ছাইগুলো, যখন আমি জেসিকাকে নিয়ে ভাবি, আমার জিপারের সুক্ষ দাগের দিকে খেয়াল করো, ফুলে ওঠা গাছ, কোন এক নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার আবরনে নিজেকে লুকায়, শুধুমাত্র তার কাছে আমার কোন লজ্জা নেই, যে আমায় খুলে দেখিয়েছিলো দুরন্ত পাহাড়। তুমি একে অশ্লীল বলতে পারো, আমার কামনার আগুন, ভালোবাসার মতোই উজ্বল...

গোলাপি শাড়ির ভাঁজে…

কবিতা চিনিস? এক একটা শব্দ ওই ছুড়ে দেয়া ইটের চেয়ে শক্তিশালী বুলেটের চেয়ে মসৃন! আমি ভাঙ্গি থরে থরে সাজানো জাতীয়তাবাদ আলোকের চেয়েও বেশী বেগে বজ্রাঘাতে। যদিও পল্টনের ওই ভাঙাচোরা ঘরখানা অভিশাপের কথা বলে, গোলাপি শাড়ির ভাঁজে চুয়ে চুয়ে পড়ে প্রচন্ড পাপ শালীনতা ভুলে যাওয়া বখাটে কবির কাছে তুই এক বিবস্ত্র মদ মেদহীন বৃদ্ধার শরীর। আর কিছু না! তোর রক্তের তৃষা আমায় সমূলে জাগায় নীপিড়িত মানুষের কাছে জেনেছি, অনেক ক্ষুধা তোর সিক্ত প্রাচীরে অভ্যর্থনা জানায় কামনার তিরতিরে আবহ! কোন এক ফাল্গুনে ঘরে এসে আমি তোকে ধর্ষন করে ফেলে যাবো রাস্তায় লাখো লাখো সম্ভ্রমের প্রতিশোধ। সেদিন তোকে কাঁদতে হবে মেনোপজের দেয়াল ভেঙে...

wirkung viagra oder cialis

জীবন্মৃতের উপসংহার (জীবনমুখী বড়গল্প)

বিষন্নতা, হ্যা! শব্দটা ভীষন নির্মম বটে, তবে এর সাথে জড়িয়ে আছে জন্ম জন্মান্তরের অজস্র ভাঙনের সুর। কতো শত গল্প, পাবার না পাবার গল্প, পেয়ে হারাবার গল্প, যন্ত্রনার আর তৃষ্ণার গল্প, বাঁচার গল্প, জীবন্মৃত হয়ে বেঁচে থাকার গল্প। বিষন্নতা একটি বিষাক্ত ফুলের নাম, বিষন্নতা একটি বিভৎস সুন্দর খেলার ফসল। জীবনের সাথে মিশে থাকা সুখ দুঃখের মিশ্রনে যখন দুঃখের ভাগটা বেশী হয়ে ধরা দেয় যখন এর থেকে পরিত্রানের কোন পথ খোলা থাকেনা মানুষের হৃদয়টা যখন কুরুক্ষেত্রে পরিনত হয় যখন যুদ্ধটা বাধে নিজের সাথে, নিজের লড়াইটা যখন প্রকান্ড দুর্যোগে রূপ নেয়, যখন একাকীত্ব আর নৈশব্দের দামামা বেজে উঠে নীরবে, তখন মানুষ বিষন্ন হয়।...

will metformin help me lose weight fast
cialis new c 100

ভারতসাগর( প্রথম তৃষ্ণা)…

মধুমিতা প্রেমের প্রথম পাঠ নিয়েছিলো রিয়া মাসীর কাছে, ঠিক প্রেম নয়! অন্যকিছু। ভারতসাগরের পারে বসে রিয়া মাসী একের পর এক গল্প বলে যেতো, মধুমিতা শুনতো আর ভাবতো জগতে কতোকিছুই না সম্ভব, তার গায়ে কাঁটা দিতো, তার ভেতর শিরশিরে একটা অনুভুতি জাগতো। খুব গভীরে কোথাও একটা দুরারোগ্য শুন্যতা অনুভব করতো সে। খুব ভোরে যখন পুরো জগন্নাথপুর ঘুমে কাতর দু একটা রিক্সার টুন টুন আওয়াজ ছাড়া কিছু নেই তখন রিয়া মাসীর হাত ধরে মধুমিতা দীঘির ঘাটে এসে দাঁড়ায়। পুরোনো গেটটা আর বাঁধানো ঘাটটাকে ভীষন আপন মনে হয় তার। রিয়া মাসী ভারত সাগরের ইতিহাস জানেনা। সে বলে এ দিঘীর জলে গঙ্গার ধারা এসে... zithromax azithromycin 250 mg

ovulate twice on clomid

স্নানঘর ও নিষিদ্ধ যৌনতা…

প্রতিবার স্নান করার সময় প্রবাল ভীষন অস্বস্তিতে ভুগছিলো, এখানে আসার পর থেকে এমনটা হয়েছে, ছোটকাকুর শ্বশুরবাড়ি। আলিশান ব্যাপার। ভেতরবাড়ির বাঁদিকে কালো কাঠে খোদাই করা হরিনের নকশাওয়ালা দরজার ঘরে তাকে থাকতে দেয়া হয়েছে। এসব পুরোনো ধাঁচের বাড়িতে রুমের সাথে এটাচ করা বাথরুম আর ঝকঝকে সব আসবাবপত্র দেখে প্রথমে অবাকই হয়েছিলো প্রবাল। সবই ঠিক ছিলো, কিন্তু সমস্যাটা স্নানের সময়। মনে হয় কে যেনো লুকিয়ে লুকিয়ে তাকে দেখছে। প্রবালের অনেকদিনের অভ্যেস, কাপড় গায়ে রেখে সে স্নান করতে পারেনা। কোনভাবেই না। তাই অস্বস্তিটা একটু বেশীই লাগে তার। বাথরুমের ভেন্টিলেটরটা পেছন বাড়ির ছাদের সাথে লাগোয়া, ওদিকে আরো কয়েকটা ঘর, তারপর উপরে ছাদওয়ালা সামনে মরচেধরা গ্রীল...

metformin synthesis wikipedia

উমা- নগ্নবক্ষা দেবী আমার

ব্যাকরন বুঝিনা আমি মহাদেব শীব শ্যামার পদতলে কামার্ত স্বাধীন, সহায় সম্বলহীন সংহার শেষে সুকন্ঠে রাখা খন্ডিত মস্তক প্রচন্ড শরিরী আহবান আর আরক্তিম জীভের লজ্জায় লুকিয়ে রেখেছি কৃষ্ণবৃক্ষ পৃথিবীর প্রারম্ভ সহ অনন্ত সুত্র।। এসো উমা উপবিষ্ট হও ধরনী ধারক হোক উপবাসী স্তনের; মাতৃরূপের অশরিরী ট্যাবুতে দীর্ঘকাম সংস্থিতা, যদিও ধারনা নেই দশহাতের কোন হাতে রেখেছো কামসূত্র কল্পলোকের যৌনঘোরে, আমি ভোলানাথ জগত ভোলানো চুম্বনে ডাকি ঠোঁটে ঠোঁট রেখে বশে আনি দেবীর দেহ যাবতীয় করুনার ভীরে যেমন দেখেছি নারীকে। যেমন ভেবেছি লালসা ভুলে উপবাস নয়, মৈথুন শেষে পরমেশ্বর আমি! পদ্মপাতায় বীর্যবাণে জন্ম নিয়েছে মনসা যেমন, ময়ূর মোহন কার্তিক আর গনপতি সুধা তোমার গর্ভে! এসো...

আদীম আদর…

এলিনা দাঁড়িয়ে আছে ফ্যান্সি বারের সামনে, তার সাজপোশাক ততোটা রংচঙা নয়। দুই প্যাগ হুইস্কি গিলে ফেললে মেজাজটা কেমন ভারভার অথচ ফুরফুরে হয়ে যায়, মনের রঙটাই তখন সমস্ত অস্তিত্ব রঙিন করে দেয়। দুই প্যাগের বেশী কখনোই গেলেনা সে, যদিও এর একটা সঙ্গত কারনও আছে! হ্যাংওভার কাটানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, লেমনেড ওয়াটার বা সোর টমাটো জুস তেমন একটা কাজ দেয়না। পরদিন দুপুর পর্যন্ত ঝিমঝিমে আবেশে কেটে যায়। বিকেলের দিকে প্রবল বমি! তার’চে বরং সামলে গেলাই ভালো। আরো ভালো দিক হলো এলিনা নিজেকে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রন করতে জানে। এই ছাব্বিশ বছরের জীবনে সে নিঃসঙ্গতা কখনোই অনুভব করেনি, এর পেছনে আত্মকেন্দ্রিকতা বিশাল ভুমিকা রেখেছে। নিজের...

আর্দ্র বিছানা অথবা সেক্স স্কেন্ডাল!…

আলফ্রেডের সাথে পরিচয়টা ছিলো ঠিক অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনে আলোর ইশারার মতো, জরাজীর্ণ জীবন যখন সকল আশা হারিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলো আত্মহত্যার দিকে তখন একটা হাত! হ্যা, আলফ্রেড তার সমস্ত ভালোবাসা নিয়ে দু’হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলো আমার দিকে। ষ্পষ্ট মনে পড়ে আমার! সুবর্ন সকাল থেকে শুরু করে পড়ন্ত বিকেলের মিষ্টি আলো গায়ে মেখে ঘুরে বেড়াবার দিনগুলো। ওয়াইনের গ্লাসে ভাগাভাগি চুমুক, হাতে হাত ধরে বসে থাকা, ঠোঁটে ঠোঁট রেখে দীর্ঘক্ষণ কেটে যেতো আমাদের, ডার্কড্রপ লেকে শিকারের দিনগুলোতে আমার চেয়ে বেশী মাছ ঝুলিতে ভরার পর উৎফুল্ল আর সারল্যে ভরা যে আলফ্রেডকে আমি চিনতাম সে এখন অন্য। মৃত্যুময় অন্ধকারে মৃত্যুমুখী আমার এ প্রাণকে যে বাঁচিয়ে তুলেছিলো বাঁচতে...

private dermatologist london accutane

আনন্দ সঙ্গম… (প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য)

শেফালী আপা বসে আছেন বারান্দার ইজি চেয়ারে, তার আঙ্গুলের ডগায় অনেকখানি চুন। অনুরাগ অবাক হয়ে লক্ষ্য করলো তিনি পান খাচ্ছেন না, তাকে সে কখনোই পান খেতে দেখেনি! সে ভেবে পেলোনা একটা মানুষ শুধু শুধু চুন কিভাবে খাবে! তাকে অবাক করে দিয়ে শেফালী আপা চুনটুকো তার মুখে মেখে নিলেন, তাকে আগের’চে একটু ফর্সা দেখালো। তখনি অনুরাগ বুঝতে পারলো ক্রিমকে সে চুন ভেবে ভুল করেছিলো। ‘কি রে কি ভাবছিস?’ অনুরাগ তার পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের দিকে তাকিয়েছিলো, সেদিকে তাকিয়েই জবাব দিল, – কিছু ভাবছিনা তো! ‘কিছু তো বটে! কাল না তোর জন্মদিন ছিলো? স্যরি রে আসতে পারিনি। তোর বয়েস কতো হলো এবার?’ -... can your doctor prescribe accutane

আত্মকামী ও জীবনদর্শন…

জন্ম থেকেই আমি পরীক্ষার্থী। ব্যাধি, শিশুমনে অবান্তর ভাবনা, আরেকটু বড় হওয়ার পর আরেকটু বড়সড় সংকট, যৌবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরো শত শত পরিক্ষার ভেতর দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। আর কিছু হোক না হোক প্রচন্ড আত্মপ্রেমী হয়ে বেড়ে উঠেছি আমি, নিজের পাশে নিজেই দাঁড়িয়েছি সুখে দুঃখে সবসময়। এভাবে আত্মকাম আত্মপ্রেমে মগ্ন হয়ে একটা সময় আবিষ্কার করেছিলাম অন্যের প্রতি আমার কোন আবেগ নেই, স্বার্থপর আর অহংকারী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলাম। তারপর জানিনা কিভাবে যেনো ভালোবাসতে শিখে গেলাম, প্রতিটা মানুষের জন্য ভালোবাসা। মিশে গেলাম। একে একে অনেক কিছুই জীবনে এলো, প্রেম, প্রেরনা, যৌনতা। অন্য একটি শরীর ছুঁয়ে ফিরে এসে আয়নার সামনে দাঁড়ানো মানুষটাকে বলেছি, এই...

“পাথর…”

অরন্য জানে অনামিকা কখন কষ্ট পায়, অনামিকাকে কষ্ট দিতে তার ভালো লাগে। এতে সে তার অতীতে পাওয়া কষ্ট থেকে অল্প হলেও নিষ্কৃতি পায়। অথচ অনামিকাকে সে অনেক ভালোবাসে। প্রচন্ড ব্যাকুলতা নিয়ে বারবার ভালোবাসার কথা অনামিকা তাকে বুঝাতে চেষ্টা করলেও অরন্য সেটা বুঝেও না বোঝার ভান করে, সে বুঝতে পারে ভেতরে ভেতরে অনামিকা কতোটা এগ্রেসিভ হয়ে যাচ্ছে এই বুঝিয়েও বোঝাতে না পারার আক্ষেপে, কতোটা কষ্ট পাচ্ছে সে বুঝতে পারে অরন্য। যেসব বিকেলে নিস্তব্দতা নেমে আসে পার্কের ব্যাঞ্চে, সেসব বিকেলে অবজ্ঞা আর অবহেলার সূত্রে প্রচন্ড অপমান করে সে অনামিকাকে! ঘুরে ফিরে সে প্রায় ভুলে যাওয়া এবং হারিয়ে ফেলা প্রাক্তন প্রেমিকার কথা বলে।...

“স্বমৈথুন অথবা আত্মপ্রেম…”

অনিক জানেনা নিজেকে সে কেনো এতোটা ভালোবাসে, চিরচেনা মুখটা চোখ খুলে আয়নায় না দেখলে তার দিনটাই যেনো সুন্দরভাবে শুরু হয়না। এটা হয়তো একটা ব্যাধি যা অনিককে প্রচন্ড স্বার্থপর করে তুলেছে, সে আর কাউকে নিয়ে ভাবতে ভালোবাসেনা। সে ভালোবাসে নিজেকে ভালোবাসতে। অথচ ব্যাধির মতো হলেও অনিক সুস্থ হতে চায়না, প্রতিদিনকার মতো সবচে সুন্দর পোশাকটা পরে সে আয়নার সামনে দাঁড়ায়, ‘তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে অনিক’ নিজেকেই নিজে বলে সে! – অনেক অনেক সুন্দর লাগছে, আয়নার ওপাশের অনিকের কাছ থেকে কল্পিত জবাব আসে। ‘ধন্যবাদ প্রিয়’ বলে বাড়ির বাইরে বেরোয় অনিক, রিক্সার হুডটা ফেলে দিলে হুহু হাওয়া তার কোমল চুলগুলো উড়ে। ২২ বছরের জীবনে...

side effects of drinking alcohol on accutane
glyburide metformin 2.5 500mg tabs

তৃষিতের উচ্চারন…

কেউ সুখী নেই সবাই অসুখী। প্রাণপ্রিয় প্রেম করে দাও বয়ঃসন্ধির সন্ধিগ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ, আমি কি তারও আগে মানসিক বৈকল্য নিয়ে ভুপৃষ্টে জন্মেছিলাম? তবে কেনো আজকাল বুকের গভীরে অযাচিত অদ্ভুত প্রেম কেঁদে মরে আয়েশে? নির্ঘুম রাতে কান্নার অপর নাম কি বিলাসিতা নয়? অন্ডকোষের স্ফীত ধমনী থেকে ঝড়ের মতো উঠে আসে অষ্পৃশ্য উল্লাস; আমার মনে পড়ে, তিন পা খাড়া করে ঘুমাতুম শীতরাতে কাঁথার ভাঁজে আঠালো সুখের মতো সেবার দুর্ভিক্ষের বছর তুমি আমি মিলিত হয়েছিলাম, দ্বিস্তর স্তনের ভাঁজে জন্ম নিয়েছিলো তৃতীয় চুমুর চমৎকার শব্দ, তানসেন সেই সুরের জালে বৃষ্টি নামিয়েছিলেন অগ্নিভ দিনে! তারপরও আমি তৃষ্ণার্ত ছিলাম ভীষন। এ দেশের জনগন তো আজীবন মত্ত থেকেছে...

achat viagra cialis france

আনন্দ বেদনার আসা যাওয়া….

অন্তুদের চারতলার ফ্ল্যাটে আজ আনন্দের ধুম, কিন্ত আনন্দটা চাপা। কোন কোলাহল নেই। আনন্দটা ছড়িয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে সবার চোখে চোখে মনে মনে। অন্তুর চাকরিটা যতোটা না তার দরকার ছিলো তার’চে বেশী দরকার ছিলো এই পরিবারের। তাই কারোরই আনন্দের সীমা নেই। গনিগঞ্জ থেকে গোলাপ চাচা ছুটে এসেছেন খবরটা পেয়ে। ছোটবেলা থেকে অন্তু তাকে “রোজ আংকেল” বলে ডাকে। এ নিয়ে গোলাপ চাচা বিরক্ত বা বিব্রত হননা। গদগদ হয়ে বলেন, ওরে অন্তুর মা দেখছিস, তোর পোলা আমারে ইংলিশ ভাষায় চাচা ডাকে, এই না হইলে শিক্ষিত পোলা। যদিও অন্তু তার চাকরি নিয়ে অতোটা উল্লাসিত নয়, সে চুপচাপ বসে আছে তার ঘরে। বেকার ছেলেরা সব’চে...

“জেনেট কটেজ” বড়দের জন্য ছোটগল্প…

কৈশোরের শুরু থেকে আমার কাজ ছিলো নতুন নতুন মেয়েকে আমার প্রেমে মুগ্ধ করে ভোগ করে ছেড়ে দেয়া। এ ক্ষেত্রে আমার গ্ল্যামার, কথা বলার ভঙ্গি, সাধনা লব্ধ একটা আলগা ও দৃপ্ত ব্যাক্তিত্ব, তীব্র সেন্স অভ হিউমার অনেক সহায়তা করতো। কাউকে প্রেম নিবেদন করে ফিরতে হয়নি আমাকে। যদিও কোন প্রেমই দুই হপ্তার বেশী টেকেনি শরীরস্বর্বস্ব অনুভুতির কারনে, মেয়েরা আমার কাছে ছিলো বেডশিটের মতো, পুরনো হয়ে গেলে চুলকানি জাগতো। আলাদা হয়ে যেতাম। আমার বিছানার পার্ফর্মেন্স অবশ্য এতে বিশেষ সাহায্য করতো। প্রতিটা মেয়েই চাইতো তাদের গভীরে প্রবেশ করে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা আসা যাওয়া করি, কিন্ত আমি দুর্বল ছিলাম। আমি জানতাম এবং আমার দুর্বলতাটাকে...

রোমন্থনকাল- কলিমুদ্দির লজ্জা…

১৯৭১ সালে কলিমুদ্দির বয়স ছিলো তেরো বছর। হাতে অস্ত্র তুলে যুদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট বয়স। তার সাথের সবাই তখন যুদ্ধে। মা ও মাটির টানে মাথায় কাফন বেঁধে বুকের রক্তে একটু একটু করে ছিনিয়ে আনছে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা সবুজের বুকে পবিত্র লাল। কিন্ত কলিমুদ্দি যুদ্ধে যান না ভয়ে, তিনি মরতে চাননা, তার বাবা বড়রূপনগর গ্রামে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান। গ্রামে তাদের অঢেল সম্পত্তি, ঘরে তিন তিনটা সোমত্ত সুন্দরী মেয়ে, অসুস্থ স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানকে নিরাপদ রাখতেই সম্ভবত তিনি হায়েনাদের সাথে হাত মেলান। একাত্তর অনেক রহস্যের সময়!দুর্বোধ্য একাত্তরের রহস্যের কীনারা করা কঠিন। পরিস্থিতি মানুষকে অমানুষে রূপান্তরিত করেছিলো সে সময়। ★ তিনদিন ধরে কৃষ্ণটিলা ইউনিয়নের... accutane prices

doctus viagra

নিজ দায়ীত্বে কবিতারা জন্ম নেয়- সভ্যতায় আমার প্রথম পোষ্ট…

ডেস্পারেট হয়ে আছি প্রেমে বিছানায় বিলুপ্ত সুখেরা জানে সুগভীর অশ্লীতার সমূহ বিশ্লেষন, অতিত আমাকে গ্রহন করেনি নীপিড়িত বর্তমানে বসে ভাবি সুমিষ্ট ভবিষ্যতে, যুবতী রমনীর বুকে শুয়ে কাটবো যৌন সাঁতার মৌনতার সংক্ষিপ্ত সমর্পনে! এ দেহে ভীষন জ্বালা আমার পুড়ে যাই যাবতীয় অগ্নি শৃঙ্গারে, আমার ছাইবর্ন শৌচাগার জানে নিক্ষিপ্ত বীর্যের নীরব ইতিহাস, প্রভুত কান্নার সময় শেষেও স্রষ্টা আমার শেষ প্রেমের শুদ্ধতা বোঝেনি! হস্তমৈথুনের নামে হত্যা করেছি আমার কতো শত সন্তান! গর্ভপাত কি তার সমতুল্য পাপ নয়? আজ তাই ভেবে বলো কাঙ্ক্ষিত প্রেম পেলে আমি কি আর উদাস হতুম প্রমিলা? চক্রবর্তীর প্রতিটি ভাঁজ আমাকে ওয়াকিবহাল করেছে নিষিদ্ধ নগ্নতার ব্যাপারে, পরিপূর্ণ ছাব্বিশে বসে সুবর্নার...

clomid over the counter