Author: কাজী রাকিব

তোমাকে ভেবে

তোমাকে ভেবে লেখা চিঠি হয়তো নীল খামেই পড়ে থাকবে, হয়তো অপ্রকাশিত হয়েই থাকবে অতৃপ্ত বর্ণগুলো! তুমি কি কখনো মেঘেদের কান্না দেখেছো ? বিরসবদনে কখনো দেখেছো তারাদের অশ্রু বিসর্জন ? কখনো কি দেখেছো শান্ত ঐ গাঙচিলের আর্তনাদ ? হয়তো দেখেও দেখো নি,শুনেও শুনোনি,বুঝেও বুঝো নি,এসেছো শুধু এসিড রেইন হয়ে ধরণীর বুকে প্রেমিক হৃদয়ের গহীন মনে একরাশ মেঘদল হয়ে! হয়তো তুমি এখন গভীর ঘুমে স্বপ্নলোকের কল্পছায়ায় স্বপ্ন বুনতেছো, হয়তো তোমারই জন্য কেউ ডেবিট ক্রেডিটের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত।হিসাব আর আজকে মেলে না ছেলেটার,মিলবে কি করে বলো? এসিড রেইন হয়ে তার শূন্য বুকে যেভাবে পড়তেছো, সেখান থেকে কি করে এতো তাড়াতাড়ি সে মুক্তি পায়...

zoloft birth defects 2013
kamagra pastillas

অব্যক্ত ভালবাসা

বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে কখনো চা খেয়েছেন? মাথা নাড়ল ফয়সাল। আমার খুব ইচ্ছা একদিন চায়ের সাথে বৃষ্টির পানি মিশিয়ে খাবো।একটু পানসে হয়ত লাগবে। আপনি কি লজ্জা পাচ্ছেন? আবারো মাথা নাড়ল সে। আপনি লজ্জা পাচ্ছেন আমি জানি।আপনার হাত কাপছে। কথাটা শুনে হাতটা গুটিয়ে ফেলল। দেখেন প্রেম করতে গেলে সাহস লাগে।আমার মনে হয়না আপনার সে সাহস আছে।তাছাড়া প্রেম করার কোনো ইচ্ছা নেই আমার।এভাবে লুকিয়ে লুকিয়ে আমাকে দেখা বন্ধ করেন। কোনো কথা বলেনি তখন ফয়সাল। আপনাকে ডেকেছি শুধুমাত্র এই কথাগুলাই বলার জন্য।প্রথম কথাগুলো শুনে আবার ভেবে বসবেন না আমি আপনার প্রেমে পড়ে গেছি।আসি তাহলে।   এরপর থেকে আর ফয়সালকে দেখেনাই দীপ্তি।আগে রোজ বারান্দায় গেলেই...

স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাস

রিহানের পরিবারটা খুব ভালই ছিল।কিন্তু সব এলোমেলো হয়ে যায় যখন রিহানের মা মারা যায়।রিহান তখন ক্লাস এইটের ছাত্র।রিহানের মা মারা যাওয়ার কিছুদিনই পর তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে।আর তখনই রিহান বুঝতে পারে সময় হয়েছে নিজেকে নিজে দেখার।প্রচন্ড মানসিকভাবে শক্ত রিহান একদিন তার বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে।নিজের মায়ের স্থানে অন্য আরেকজনকে সে কিছুতেই দেখতে পারছিলনা। যাওয়ার সময় রিহান তার এক বন্ধুর আত্মীয়ের বাসার ঠিকানা নিয়া যায়,সেখানেই সে ওঠে কিন্তু তারা তাকে রাখে একজন কাজের ছেলে হিসেবে বিনিময়ে রিহান শুধু থাকতে আর খেতে পারবে।সময় পার হয়,রিহান নতুন বছরে একটি সরকারী স্কুলে যায় সেখানে একটি আবেদন করে তাকে যেন বিনা বেতনে...

synthroid drug interactions calcium

“একটি টিপিকাল প্রেমের গল্প”

জিন্সটা পায়ের তলায় ছেড়া।ঘর থেকে বের হয়েই দেখলো একমাত্র জুতাটাও ছিড়া ছিড়া অবস্থা।পকেটে আছে মাত্র ৫ টাকা।ভাবছিলাম একটা গোল্ড লিফ ধরাবো কিন্তু সেই উপায় আর নাই।জুতা সেলাই করতে হবে। শালা,পকেটে থাকেনা টাকা আবার সিগারেটের নেশা !,নিজেকেই গাল দিলো সৌরভ।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র সৌরভ।হলে থাকে সে।খুবই মেধাবী,বাবা মা নেই।ছোট থেকেই ফুফুর কাছে মানুষ।কিন্তু ফুফু আর কতদিন দেখবে।দুই একটা টিউশন করে নিজের খরচ নিজেই চালায় অনেক কষ্টে।সাথে ধার দেনা তো আছেই।   তুশির সাথে দেখা করতে বের হয়েছে সৌরভ।তিন বছরের সম্পর্ক তাদের।কোনো একটা বিশেষ দরকারে আজ খুব জরুরীভাবে দেখা করতে বলেছে তাকে। শাহবাগ মোড়ে এসে একটা রিক্সা নিলো সৌরভ,ভাড়াটা... all possible side effects of prednisone

capital coast resort and spa hotel cipro