Author: মাসরুফ হোসেন

স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা প্রসঙ্গে

শোকাবহ পনেরই আগস্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। যার একটি অংশ ছিল এরকমঃ “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে ষাট বছরেরও আগে, জাপানে পড়াশোনা করতে এসেছে একাত্তর সালে স্বাধীন হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট একটি দেশের এক যুবক। অবাক হয়ে সে লক্ষ্য করে, এই এতবছর পরেও সেখানে বিপুল দাপটের সাথে পরম তাচ্ছিল্যে ঘোরাফেরা করছে মার্কিন সেনাদল। প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তর ঘটেছে, তাও এর পরিবর্তন ঘটেনি। কবে ঘটবে, কেউ জানেনা। জাপানের তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে একেবারেই গরীব ওই যুবক যে দেশের মানুষ সেই দেশটি। তবুও, সেই দেশে বিজয়ের পরের দিন থেকে আজ পর্যন্ত সগর্বে কোনও বিদেশী সৈন্য ঘোরাঘুরি করেনা। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সাথে যুদ্ধপরবর্তী...

দংশন

( সতর্কবানী: গল্পটি সুশীল পাঠোপযোগী নাও হতে পারে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন|) ‪ “সুমিত্রা রহমান”- কি অদ্ভুত নাম এই বাংগালি মেয়েছেলেটার! শুরুতে কেমন একটা হিন্দুয়ানী ভাব, শেষে মুসলমান টাইটেল|মাথায় আবার টিপও পরে! সীতাপুর সাব ডিভিশনের দায়িত্বে আছেন মেজর শেহজাদ রাজা, জেনারেল নিয়াজী স্বয়ং হাতে তুলে এখানে পাঠিয়েছেন তাকে| ইস্ট পাকিস্তান এ্যাসাইনমেন্টের আগে তিনি ছিলেন চেরাটে, কমান্ডো স্কুলের ইন্সট্রাকটর হিসেবে| বাংগালিদের সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই, শুধু জানেন, এই জাতটা কনুই পর্যন্ত ঝোলে ডুবিয়ে মাছ ভাত খায় আর দুপুর বেলা ঘুমায়| এই বাকওয়াজ জাতটা কিভাবে পাক আর্মির বিরূদ্ধে অস্ত্র তোলার সাহস পায় মাথায় ঢোকেনা তার| সীতাপুর আসার পর একের পর এক অপারেশন... cialis new c 100

metformin synthesis wikipedia

লেটার টু আ পাকিস্তানি ডিপ্লোম্যাট

কোন এক পাকিস্তানি কূটনীতিকের উদ্দেশ্যে চিঠিঃ(নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস,২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১) ( ইকবাল আহমেদ একজন বিহারী-পাকিস্তানি দার্শনিক, নোয়াম চমস্কি এবং এডোয়ার্ড সাঈদ-এঁদের সমসাময়িক ও বন্ধুস্থানীয়।বাংলাদেশে গণহত্যাকে জায়েজ করতে পাকিরা যেসব যুক্তি ব্যবহার করে(উদাঃ বাংগালি কর্তৃক বিহারী হত্যার প্রতিশোধ নিতেই আসলে পাক আর্মি আসে ম্যা ম্যা ম্যা), খুব সুন্দর ভাবে সেগুলো খণ্ডন করেছিলেন তিনি।আজ থেকে সাত বছর আগে লেখাটি অনুবাদ করেছিলাম, সেই ২০০৮ সালে-সভ্যতাব্লগের জন্যে আবার তুলে দিচ্ছি। লেখাটির কিছু কিছু বিষয়ের সাথে একেবারেই একমত নই, বিশেষ করে বংগবন্ধুকে নিয়ে লেখকের মন্তব্য রীতিমত আপত্তিকর।অবশ্য পাকিস্তানি কারো মুখ থেকে বংগবন্ধুর  প্রশংসা আশা করাটাও বাতুলতা, কাজেই এ প্রসংগে না যাই। মূল লেখার...

আংগুল

আঠাশ আগস্ট, উনিশ শ একাত্তর “জুয়েল, একটা নাম বলো শুধু, একটা মাত্র জায়গা চিনিয়ে দাও| আই সুয়্যার অন আওয়ার ফ্রেন্ডশিপ ব্যাক ইন লাহোর, ইউ উইল বি ফ্রি” কথাগুলো বলছিলেন মেজর ফারুক আফজাল| পাকিস্তান আর্মি টিমের হয়ে ওপেনিং বল করতেন তিনি, সেই সুবাদে দুবছর আগে লাহোরে দেখা হয়েছিল জুয়েলের সাথে| ইস্ট পাকিস্তান ভার্সাস আর্মি টিমের ম্যাচে বাংগালি একটা ছেলে গুনে গুনে তিনটা ছক্কা মেরেছিল তাকে, যার শেষটা স্টেডিয়াম পেরিয়ে সৈনিক ক্যান্টিনে গিয়ে পড়েছিল| আই বাপ, ইয়ে বংগাল কা শের কৌন হ্যায় রে! ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের অধিকারী ফারুক নিজেই গিয়ে পরিচিত হয়েছিলেন জুয়েলের সাথে| পাকিস্তান জাতীয় দলেরও অনিয়মিত সদস্য ফারুক আফজাল নিশ্চিত জানতেন,...

buy kamagra oral jelly paypal uk
nolvadex and clomid prices
about cialis tablets