Author: ডন মাইকেল কর্লিওনি

আক্ষেপ…

বিন্দু ছিল আজাদের বোন, সাফিয়া বেগম আর ইউনুস চৌধুরীর প্রথম সন্তান। হঠাৎ বসন্ত রোগে হঠাৎ মারা গেল সে, সাফিয়া বেগম তখন মেয়ের শোকে পাগলপ্রায়। ফলে ১৯৪৬ সালের ১১ই জুলাই আজাদ যখন তার কোলে এল, সাফিয়া বেগম যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলেন। সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানো রাজপুত্র ছিল আজাদ, তার বাবার শান-শওকত ছিল দেখার মত। অবশ্য তাতে স্ত্রী সাফিয়া বেগমের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ‘৪৭য়ের আগস্টে পাকিস্তান হবার পর ইউনুস চৌধুরী যখন ঢাকায় এসে ব্যবসা শুরু করলেন, তখন বাবার কাছ থেকে পাওয়া গয়না বিক্রি করে সে ব্যবসায়ের মূলধন যুগিয়েছিলেন সাফিয়া বেগম। দেখতে দেখতে বিজনেস ম্যাগনেট হয়ে উঠলেন তিনি, পরিনত হলেন পাকিস্তানের...

আলতাফ মাহমুদ, শুভ জন্মদিন হে বীর…

পাকিস্তান হবার পর প্রথম আঘাতটা এসেছিল ভাষার উপর, ছোট্টবেলায় মায়ের মুখে শুনতে শুনতে যে মিষ্টি মধুর ভাষায় কথা বলতে শিখেছি আমরা, মাথামোটা পাকিস্তানিগুলো সেই বাঙলাকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল, চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল উর্দু। বাঙলা মায়ের দামাল ছেলেরা সেটা মানেনি, বুকের তাজা রক্ত অকাতরে রাজপথে ঢেলে রক্ষা করেছিল মায়ের মুখের মিষ্টি বুলির অধিকার। তাদের সেই অসামান্য আত্মত্যাগকে স্মরণ করে লেখা হয়েছিল সেই অমর পঙক্তিমালা, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? সুর দিয়েছিলেন মানুষটা, পরম যত্নে গভীর বিষাদমাখা সুরের বাঁধনে বেঁধেছিলেন কথাগুলোকে, সৃষ্টি হয়েছিল এক অবিস্মরণীয় গানের। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটায় খুব ভোরে উঠে প্রভাতফেরির সাথে হাঁটতে হাঁটতে...

একজন হারকিউলিসের গল্প…

দুই নম্বর সেক্টরটা মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ সেক্টর ছিল। অসামান্য মেধা , তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর অকুতোভয় সাহসের মিশেলে গড়া বেশ কিছু দুর্ধর্ষ মানুষ জড়ো হয়েছিল এই সেক্টরে। সুবেদার বেলায়েত সেই তুলনায় অতটা অসধারন ছিল না। হাসিখুশী সরল মানুষটা খুব বিশ্বস্ত ছিল, সবার সাথে খুব সহজেই মিশে যেতে পারতো। বাড়ি ছিল সন্দীপ, বউ আর ছেলেমেয়ের কথা প্রায়ই বলতো। সেই মানুষটা হঠাৎ একদিন এক রূপকথার জন্ম দিয়ে বসলো। শালদা নদী অঞ্চলটা ছিল পাকিস্তানি সেনাদের জন্য মৃত্যুপুরী। ওদের তুলনায় আমাদের অস্ত্র ছিল যৎসামান্য, তাও অনেক পুরাতন, কিন্তু আমাদের যোদ্ধারা ছিল সব তারছিঁড়া, মৃত্যুকে থোরাই কেয়ার করতো। রোদ-বৃষ্টি-কাঁদা-ঘুরঘুটে আঁধার, কিছুই দমাতে পারত না ওদের। সেদিন... achat viagra cialis france

about cialis tablets

১৩২টা নিষ্পাপ মৃতদেহ এবং পাকিস্তানী নিয়তি…

গত মঙ্গলবার তেহরিক-ই-তালিবানের জঙ্গিরা ঠাণ্ডা মাথায় ব্রাশফায়ার করে মেরে ফেলেছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী পরিচালিত স্কুলের প্রায় ১৩২টা শিশুকে। এই শিশুগুলো যে এলোপাথাড়ি গুলীতে মারা গেছে, তা নয়, সেনাবাহিনীর সাথে ক্রসফায়ারেও বাচ্চাগুলা মারা যায়নি, বিভিন্ন ক্লাস থেকে অস্ত্রের মুখে এদের এক জায়গায় জড়ো করে লাইন ধরে দাড় করিয়ে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করা হয়েছে, কাজটা করেছে মানুষের মত দেখতে কিছু প্রাণী। আর যে শিশুগুলো প্রান বাঁচাতে ক্লাসরুমের দরজা বন্ধ করে লুকিয়ে ছিল, দরজা ভেঙ্গে তাদের গুলি করা হয়, বেঞ্চের নিচে লুকিয়েও তারা বাঁচতে পারেনি ওরা মৃতদেহগুলোর মধ্যে জবাই করা বেশ কিছু লাশ ছিল। পৈশাচিকতার এক পর্যায়ে এক শিক্ষিকার গায়ে আগুন ধরিয়ে...

প্রতিশোধ

ভাগনে দুইটা প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বলে, সারাদিন এতো কি লিখো মামা, তোমার হাত ব্যথা করে না? আমি শুধু হাসি। গত পরশুদিন আমার লেখাটা ওদের দেখাচ্ছিলাম, ওরা তো অবাক। তোমার লেখা এতোজন পড়ে? বিব্রতবোধ করতে করতে বলি, সেইটাই তো বুঝতে পারছি না, এতো মানুষ কেন পড়ছে? তখন হুট করে ওরা একটা প্রস্তাব দিল, তাহলে আমরা যদি একটা গল্প লিখি, সেইটা যদি তোমার একাউন্ট দিয়ে পোস্ট হয়, তাহলে তো অনেক মানুষ পড়বে। আমি হাসিমুখে বললাম, অবশ্যই। বাধ্য ছেলেমেয়ের মতো দুজন গল্প লিখতে চলে গেল। ওরা গল্পটা লিখেছে, পড়তে পড়তে অবাক হয়ে আবিস্কার করেছি আমিও বোধহয় এতো সহজে এভাবে লিখতে পারতাম না। মাঝে...

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃ বিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প…

——-রাআদ রহমান এবং মাসরুফ হোসেন  শুরুর কথাঃ  “What is it that makes these boys have no fear???” আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র; ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানি বিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সঙ্গীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন, তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখে ব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন। এটা দেখে আমার মাথাতেও একই প্রশ্নই খেলছিল। এই যে যাঁরা যুদ্ধে প্রাণ দেয়, এরাও তো আমাদের মত মানুষ। এরা আমাদের মতই ঝঞ্ঝাটহীন জীবনের স্বপ্ন দেখেছে কোন এক সময়ে, আনন্দের সাথে জীবন কাটিয়ে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃদ্ধকালে মরতে চেয়েছে। কিন্তু যুগে যুগে...

স্বপ্ন

দৃশ্যপট -১ বাবার রুমের সামনে চুপচাপ দাড়িয়ে আছে ছেলেটা, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে। অনুশোচনা আর অনুতাপের আগুনে পুড়ছে সে, ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, কিভাবে বাবার সামনে দাঁড়াবে, সেটাই বুঝতে পারছে না। ক্রিকেটটা দুইজনেই প্রানের চেয়েও বেশি ভালবাসে, তবে তার বাবার চাওয়াটা আরও বিস্তৃত । ছেলে ক্রিকেটার হবে, জাতীয় দলে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামবে, এই স্বপ্নটুকু সফল করতে গত কয়েক বছর দিন রাত খাটছেন বদিউল আলম। ঠিক এখানেই ঘোর আপত্তি ছেলের, পরিশ্রম বা খাটাখাটনি ব্যাপারটায় একেবারেই আগ্রহ নাই তার। অথচ মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিভাটা জন্মগত তার, কিন্তু ফুটওয়ার্কে গোলমাল আর শর্ট বলে দুর্বলতাটা খুব চোখে লাগছে ইদানিং। প্রতিদিন ভোরে ছেলেকে...

অপারেশন হাতমা ব্রিজ

গভীর রাত। নিঃশব্দে এগিয়ে চলেছে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল। লক্ষ্য হাতমা নদীর উপর দুটো ব্রিজ। একটা সড়ক, আরেকটা লোহার রেলব্রিজ। উড়িয়ে দিতে পারলে সিলেটের সাথে বাইরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন যাবে। দলটির কমান্ডারের নাম বাবু, বয়স টেনেটুনে উনিশ। দলের বেশিরভাগেরই প্রথম অপারেশন এইটা, বিশোর্ধ কয়েকজন ছাড়া কারো বয়সই ১৮ রের বেশি হবে না। অবশ্য রেকি টিম জানিয়েছে, ব্রিজ দুটো পাহারায় জনা চল্লিশেক রাজাকার ছাড়া আর কেউ নেই, খুব বেশি সমস্যা হবার কথা না… কংক্রিটের ব্রিজটার শ’ গজের মধ্যে আসতেই হঠাৎ বাবুর চোখে পড়ল একটা কালভার্ট, ব্রিজের কিছুটা আগে, পাহারা দিচ্ছে কিছু রাজাকার। প্রমাদ গুনল বাবু, রেকিটিম তো দুটো ব্রিজের কথা বলেনি। কয়েকজনকে...

মিউনিখ অলিম্পিক এবং একজন শেখ কামালের স্মৃতি…

১৯৭২ সাল। মিউনিখ অলিম্পিক। জার্মান এমব্যাসির পিআরও রুহেল আহমেদের অলিম্পিক দেখার খুব শখ। কিন্তু সম্পর্কে চাচা পশ্চিম জার্মানির রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী প্রতিদিন তার সামনে অলিম্পিকের ভিভিআইপি টিকিট দেখিয়ে ঘুরে বেড়ান। খুনসুটির সুরে হাসতে হাসতে বলেন, নট ইন ইয়োর লাইফটাইম ডিয়ার… রুহেল ভাইয়ের মেজাজ খারাপ হয়, কিন্তু তিনি কিছু বলতে পারেন না। হঠাৎ একদিন তার ডাক পড়ল চাচার রুমে। ঢোকামাত্র টিকিটের গোছা ছুড়ে দিলেন রাষ্ট্রদূত। থমথমে চেহারা। জানা গেল, প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান অসুস্থ, ডাক্তার বলেছেন, স্ট্রেস প্রবলেম, এক মাস রেস্ট নিতে। তাই সপরিবারে চলে এসেছিলেন সুইজারল্যান্ড। কিন্তু হাজার হাজার মানুষের মাঝে দিন কাটে যার, তিনি কি প্রবাসে একা থাকতে... acquistare viagra in internet

দীপ নেভার আগে…

চোখের সানগ্লাস, ঠোঁটে সিগারেট, হাতে স্টেনগান– আধুনিক মডেলের একটা গাড়ি থেকে নেমেই মুহূর্তের মধ্যে নীরবে পজিশন নিল ওরা। রাজপুত্রের মত চেহারা আর স্টাইলিশ বেশভূষা দেখে বোঝার উপায় নাই কি ভয়ংকর তারছিঁড়া পোলাপান এরা, ঢাকা শহরটা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য একেবারে নরক বানায়ে তুলছিল এই বাচ্চা ছেলেগুলো। তারছিঁড়া ক্র্যাক পোলাপান ছিল সব, অসামান্য দুঃসাহসী সব কর্মকাণ্ড দেখে দুই নম্বরের সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ বললেন, দিজ আর অল ক্র্যাক পিপল। তখন থেকেই এই ছোট্ট দলটার নাম ক্র্যাক প্লাটুন… পাকিস্তান সেনাবাহিনী তখন সাক্ষাৎ যমদূত, সারা দেশে লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে বিনা কারনে অবলীলায় গুলি করে মেরে ফেলতেছে ওরা। একটা পিঁপড়াকে যেমন বিনা কারনে... venta de cialis en lima peru

জর্জ হ্যারিসন- আপনাকে অতল শ্রদ্ধা…

p (1) মাই ফ্রেন্ড কেম টু মি, উইথ স্যাডনেস ইন হিজ আইস হি টোলড মি দ্যাট হি ওয়ান্টেড হেল্প বিফোর হিজ কান্ট্রি ডাই’স অলদো আই কুডন’ট ফিল দ্যা পেইন, আই নিউ আই হ্যাড টু ট্রাই  নাও আই এম আস্কিং অল অফ ইউ টু হেল্প আস সেভ সাম লাইভ’স বাঙলা–দেশ বাঙলা–দেশ হোয়ার সো মেনি পিপল ডাইং ফাস্ট অ্যান্ড সিউর ইট লুক লাইক আ মেস আই হ্যাভ নেভার সিন সাচ ডিস্ত্রেস নাও ওন’ট ইউ লেন্ড ইউর হ্যান্ড অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ড রিলিভ দ্যা পিপল অফ বাঙলা–দেশ… বাংলাদেশ শব্দটা উচ্চারন করতে পারতেন না ভালোভাবে, সেটা সম্ভবও ছিল না তার পক্ষে, উচ্চারনটা ব্যাংলাদেশ ব্যাংলাদেশ হয়ে যেত।...

wirkung viagra oder cialis

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস এবং কিছু আক্ষেপের গল্প

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস দেখছিলাম। জার্মান নাৎসি বাহিনীর নৃশংসতম বর্বরতার শিকার হওয়া কিছু মানুষের গল্প। তাদের যন্ত্রণার গল্প, উঠে দাড়াবার গল্প, প্রতিরোধের গল্প, প্রতিশোধের গল্প… ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের ইহুদী নিধন চলছে। একটা ইহুদী পরিবার ফ্রেঞ্চ প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিল প্রান বাঁচাবার জন্য। কিন্তু জার্মান এসএস বাহিনীর কর্নেল হ্যান্স লিন্ডার শকুনে দৃষ্টি তাদের ঠিকই খুঁজে বের করে, নির্বিচার গণহত্যা থেকে বেঁচে যায় কেবল তাদের কিশোরী মেয়েটা, পালিয়ে যায় অকল্পনীয় যন্ত্রণা বুকে নিয়ে… এদিকে জার্মান গেস্টাপো বাহিনীর অমানুষিক অত্যাচারের শিকার হওয়া ছয়জন ইহুদিকে নিয়ে এক আমেরিকান লেফট্যানেন্ট গড়ে তোলে একটা ছোট্ট দল। যে দলটার প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য হল নাৎসি হত্যা, নৃশংস ও...

clomid over the counter

বিস্মৃত বীরদের গল্প…

আমার ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে ওয়েস্টার্ন মুভির ভক্ত প্রচুর। প্রিয় নায়কের কথা জিজ্ঞেস করলে এক বাক্যে ক্লিন্ট ইস্টউড… এক বন্ধু আছে, প্রিয় নায়কের কথা উঠলেই ইস্টউডের গল্প শুরু করে… —চুরুট টানার স্টাইল দেখছস? এক হাতে চুরুট টানে আরেক হাতে পিস্তল ড্র করে। —আমাদেরও এরকম একজন ছিল… —কস কি ? কোন নায়ক? —নায়ক না, বাস্তবেই… —কে সে? — মেজর খালেদ মোশাররফ, ক্র্যাক পাবলিক… বেচারা বিশ্বাসই করতে চায় না যে আমাদেরও একজন ছিল। পাকিস্তানী সেনাদের সাথে তুমুল যুদ্ধ চলতেছে, নির্বিকারচিত্তে এক হাতে সিগারেট টানতে টানতে আরেকহাতে গুলি করতেছে খালেদ, যুদ্ধক্ষেত্রের খুব সাধারন দৃশ্য ছিল এইটা। একজন সেক্টর কমান্ডার নরমালি পিছনের তাবুতে বসে নিরাপদে...

পিঁপড়াবিদ্যা- পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে…

গল্পের শুরুটা খুব সাদামাটা। একটা মধ্যবিত্ত পরিবার। কর্মজীবন শেষে বাবা অবসরে চলে যাওয়া বাবার স্থলাভিষিক্ত হবার জন্য, সংসারের হাল ধরবার জন্য পুত্রের একের পর এক জুতোক্ষয়, কিন্তু চাকরি নামের সোনার হরিন রয়ে যায় অধরাই। নাহ, একটু ভুল বলা হল। যে চাকরির সুযোগ সে পাচ্ছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা তাকে সে চাকরি করতে দিচ্ছে না। এদিকে বোনের পড়ালেখা বন্ধ হবার উপক্রম প্রায়। এরইমাঝে সুখকল্পনা গুলো খুব বেরসিকের মত হানা দেয় বারবার। একটা ভালো চাকরি, শহুরে স্মার্ট একটা মেয়ের সঙ্গ, দামী একটা গাড়িতে চড়ে লং ড্রাইভ- মিঠুর নিজেকে বড়ই স্বার্থপর মনে হয়। কল্পনার নাগাল সে পায় না, কল্পনাগুলো যেন এক একটা রসগোল্লা, আর...

একজন হামিদুর রহমানের গল্প…

রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে হঠাৎ গর্জে উঠলো মেশিনগান, একের পর এক শেল পড়তে শুরু করল চট্টগ্রামে বাঙ্গালী সৈনিকদের রিক্রুট সেন্টার ইবিআরসিতে। সদ্যই ১৮ পেরোনো রিক্রুট হামিদুর রহমান ঘুম থেকে উঠে কেবল ধ্বংস, হত্যা আর আর্তচিৎকার ছাড়া আর কিছু দেখতে পেল না। কিন্তু সে ভয় পায়নি। আরও বাঙ্গালী অফিসার আর সিপাহীদের সাথে কাধ মিলিয়ে অস্ত্র হাতে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলল হামিদুর, এতো ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও যে এভাবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে উঠতে পারে, ২০ বালুচ রেজিমেন্টের পাকি সারমেয়গুলোর সেটা কল্পনাতেও ছিল না। কিন্তু পৃথিবীর অন্যতম দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনীর অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের সামনে কয়েকটা এলএমজি আর থ্রি নট থ্রি দিয়ে কতক্ষন যুদ্ধ করা যায়? ইস্ট... will metformin help me lose weight fast

একখানা সাউন্ড ছাড়া মাইরের গল্প…

১৯৮০ সালে ভারত সফরের যাবার পথে একটা ছোট্ট সফরে ঢাকা এবং চিটাগাংয়ে দুটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে প্রথমবারের মত স্বাধীন বাংলাদেশে আসে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। আসিফ ইকবালের নেতৃত্বে এ দলে ছিল তৎকালীন পাকিস্তানের সব তারকা ক্রিকেটাররা। ছিলেন তৎকালীন হার্টথ্রব ক্রিকেটার ইমরান খানও। বিমানবন্দরে বিমান এসে থামার পর দেখা গেল প্রচুর তরুনী ভিড় করে আছে টারমাক ঘিরে, এক অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য তাদের মাঝে। শেষবারের মত আয়নায় মুখ দেখে নিচ্ছেন তারা, শত হলেও তাদের স্বপ্নের পুরুষ ইমরান খান আসছেন… দরজা খুলে দেখা দিলেন ইমরান, হাত নেড়ে অভিবাদন জানালেন তার নারীভক্তদের। নিচে নেমে হাত জোড় করে বললেন, নমস্তে…  ইমরান খানকে সামনাসামনি দেখবার অভাবিত শিহরনে উপস্থিত নারীরা উপেক্ষা... levitra 20mg nebenwirkungen

এক মায়ের গল্প…

আজাদের বাবা ইউনুস চৌধুরীর উপর প্রচণ্ড রেগে আছেন সাফিয়া বেগম। টাটা কোম্পানির সাবেক ইঞ্জিনিয়ার ইউনুস চৌধুরী পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগনেট, ফলাফলে অবাধ নারীসঙ্গের চিরাচরিত স্খলনে সংসারে আগুন। শেষমেশ মাথার দিব্যি দিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পেলেন ইউনুস সাহেব। রাগ পড়ে যেতেই সাফিয়া বেগমের হঠাৎ খেয়াল হল, আজাদকে কি কাজের মেয়েগুলো মনে করে রাতে খাইয়েছে? নাহ, কাউকে দিয়ে আজকাল আর ভরসা নেই। মাছটা ছেলে খুব পছন্দ করে, কিন্তু মাছের কাঁটা বেছে খেতে পারে না। কি অদ্ভুত কথা দেখো তো… ভাবতে ভাবতেই আজাদের ঘরে উঁকি দেন তিনি, দেখেন হোম টাস্কের খাতার উপরই মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেছে ছেলেটা। “আজাদ, খেয়েছিস? ওঠ তো বাবা,...

সম্রাট অশোক এবং গণহত্যা সংক্রান্ত কিছু রূপকথা…

সম্রাট অশোক ছিলেন বাঙলার প্রাচীন মৌর্য বংশের ৩য় সম্রাট। মৌর্য সাম্রাজ্য দিকে দিকে বিস্তার লাভ করতে থাকে তার আমলে। রাজ্য বিস্তারের এক পর্যায়ে “কলিঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন সম্রাট। ভয়ংকর সে যুদ্ধে মৌর্য বাহিনীর হাতে এক লাখ মানুষ নিহত হয়। যুদ্ধ মানেই রক্তপাত, কিন্তু তারপরও লক্ষ মানুষের রক্তস্রোত হঠাৎ অশোককে প্রচণ্ড ধাক্কা দেয়, কৃতকর্মের অনুশোচনায় দগ্ধ অশোক বৌদ্ধ ধর্মের অহিংস শান্তির মন্ত্রে দীক্ষিত হন। যে অশোক রাজ্য জয়ের উদগ্র উন্মত্ততায় একসময় হাত রাঙিয়েছিলেন লক্ষ মানুষের রক্তে, সেই অশোক বাকি জীবন মানবকল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেন, তৈরি করেন অগুনতি স্থাপনা । লালসার স্রোতে ডুবে পশু স্তরে নেমে যাওয়া অশোক এভাবেই অনুশোচনা আর আত্মশুদ্ধির...

all possible side effects of prednisone

চিরকুট- অনলাইন ম্যাগাজিন জগতে নতুন দিনের বার্তা…

অতি সাম্প্রতিক সময়ে সাহিত্যচর্চার একটি বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে অনলাইন। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা ব্লগস্ফিয়ার, সে যাই হোক না, বাঙালি তাকে সাজিয়ে নিয়েছে নতুন আঙ্গিকে, নিজের মত করে। বয়সের বিচারে বাংলা অনলাইন জগতকে শিশুই বলা চলে। কিন্তু এরই মাঝে এতে ছড়িয়ে পড়া সাহিত্যের পরিমাণ এত বিশাল ও ব্যপকতর যে, তা বাঙালির চিরায়ত সাহিত্যমনা মননের বিজ্ঞাপন হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু, গোলটা বাঁধে এখানেই। এই বিশাল ও ব্যপকতর সাহিত্য ভাণ্ডারটা অনলাইনের বিশালতর গণ্ডিতে ছড়িয়ে আছে। হয়তো প্রায়শই বিভিন্ন সংকলন কিংবা একক বই আসছে। কিন্তু, তা নিতান্তই ব্যক্তিকেন্দ্রিক। কিংবা বড়জোর গোষ্ঠিকেন্দ্রিক। সামগ্রিক স্বাদের এবং সকল মননের উপযোগী লেখার সংকলন বা সংরক্ষণ হয়েছে খুব...

synthroid drug interactions calcium
amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires