Author: ডন মাইকেল কর্লিওনি

একজন অপদার্থ বাবার গল্প…

বাসটা হঠাৎ থেমে গেল। রুদ্র তার বাবার বুকেই ঘুমিয়ে পড়েছিল, ব্রেকের হঠাৎ ঝাঁকুনিতে জেগে উঠলো।সামনে একদল কালো মিলিশিয়া দেখা যাচ্ছে,সবাই বলাবলি করে পাকিস্তানী মিলিটারির চেয়েও নাকি ভয়ংকর এরা, সাক্ষাৎ আজরাইল। রাস্তাঘাটে মিলিশিয়াদের বাস থামিয়ে চেক করাটা নতুন কিছু না, তবুও কেন জেন রায়হানের বুকেরে ভেতরটা কেঁপে উঠলো, রুদ্রকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল সে। –আব্বু, বাস থেমে গেল কেন? –বলতে পারছি না বাবা। –মিলিটারী থামিয়েছে? –হ্যাঁ বাবা। –কেন থামিয়েছে? – মনে হয় চেক করবে। –কি চেক করবে আব্বু? –সেটা তো জানি না বাবা। –মিলিটারিগুলো এমন কালো কেন আব্বু? ওরা কি “জয় বাঙলা” খুঁজছে? –শ-শ-শ। এটা বলে না বাবা। ঠোঁটে আঙ্গুল ঠেকিয়ে...

levitra 20mg nebenwirkungen
viagra in india medical stores

টাইগাররা কি জানে? বোধহয় না…

এমসিজি গ্রাউন্ডে শ্রীলংকার ৩৩৩ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের অবস্থা তখন খুবই বাজে, মাত্রই দিলশানের বলে ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে আইসা ষ্ট্যাম্পড হইল মাশরাফি। সঙ্গে সঙ্গে কাজী কামালউদ্দিন চিল্লায়া উঠলো, ধুরবাল, এইটাও গেল। তোরে ছক্কা মারতে কইছে কে? একটা প্লেয়ার যদি একটু দায়িত্ব নিয়া খেলে… পিছ থেইকা রুমী ঠাণ্ডা গলায় শুধরায়ে দিল, ও হইল বোলার, ব্যাটসম্যানের ধৈর্য আপনি ওর কাছে চাইলে ক্যামনে হবে? আর দায়িত্বের কথা বলতেছেন, দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মিয়া, অখনো পোলা একটা সিঙ্গেল ঠেকাইতে ঝাপায়া পড়ে, এইটা জাইনাও যে আরেক বার ইঞ্জুরি হইলে আজীবনের লাইগা পঙ্গু হইয়া যাইব… দায়িত্ব জিনিসটা ওরে শিখায়েন না, বুঝছেন? পাশে থেইকা বদিউল আলমের...

ডাঃ ভূপেন হাজারিকা এবং এক বিস্মৃত ইতিহাসের গল্প…

– Tarique Linclon & Rahman Raad   মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষদিকে মারাত্মকভাবে আহত হয় বাবু, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের চার নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার; পারিবারিক নাম Ruhel Ahmed​। – বোন এবং দুই ভাইয়ের মাঝে মেজো ছিলেন তিনি। একাত্তরে বয়স ছিল মাত্র ১৯, সদ্য এইচ এস সি পাস করে বুয়েটের আর্কিটেকচারে ভর্তি হয়েছিলেন। বাসা ছিল ধানমন্ডিতে, তাঁদের ধানমন্ডির বাসা একাত্তরে ছিল সেইফ হাউজ। এমনকি জাতীয় দৈনিকে একবার তাঁর বাসার টিএনটি নাম্বারটা একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের হেল্প লাইন হিসেবে পত্রিকায় চলে আসে। সে আরেক কাহিনী। আজ অপরাজেয় সেই ১৯ বছরের দামাল ছেলের অন্যরকম একটি ইতিহাস তুলে ধরবো। ৪৩ বছর আগের এক গৌরবময় অনন্যসাধারণ ইতিহাস… সম্মুখযুদ্ধে... will i gain or lose weight on zoloft

acquistare viagra in internet
walgreens pharmacy technician application online

সিদ্ধিরগঞ্জ অপারেশন (অসমাপ্ত…)

রামপুরা বিল। ওপারে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। কোনোভাবে উড়িয়ে দিতে পারলেই ঢাকার বেশিরভাগ এলাকা অন্ধকার হয়ে পড়বে। এপারে বাড্ডার পিরুলিয়া গ্রাম থেকে দুটো নৌকায় বিদ্যুৎ স্টেশন রেকি করতে যাচ্ছে ১০জন গেরিলা। অন্ধকারে হঠাৎ একটা নৌকার আকার নড়ে উঠতে দেখা গেল। হাঁক এল , কে যায়? কাছে আসতেই বোঝা গেল, নৌকা ভর্তি পাকিস্তানী মিলিটারি। কমান্ডারের নির্দেশে সবার স্টেনগান পাটাতনের নিচে রাখা ছিল, কেবল বদিউল আলম ছাড়া। এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে কোলের উপর রাখা স্টেন তুলে ব্রাশফায়ার করল বদি, খালি হয়ে গেল পুরো ম্যাগাজিন। উল্টে যাওয়া পাকি নৌকা থেকেও জবাব এল, আগুনের ফুলকি আর বারুদের ঝাঁঝালো গন্ধে হঠাৎ ভরে গেল জায়গাটা। ব্রাশফায়ারের...

জয় বাঙলা…

ভাটপাড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশফাক চৌধুরী যখন পাকবাহিনীর ক্যাম্প থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন বিকেলের সূর্য প্রায় অস্তাচলে গিয়েছে। অসম্ভব বিবর্ণ দেখাচ্ছে চৌধুরীসাহেবকে। তার পেছন পেছন আসছে তার পাঁচজন সার্বক্ষণিক সঙ্গী । তারা বংশানুক্রমে চৌধুরী বাড়ির একনিষ্ঠ কর্মচারী। এ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী বংশগুলোর মধ্যে একটা হল চৌধুরী বংশ। সে বংশের সপ্তম সন্তান তিনি। কুষ্টিয়া জুরি বোর্ডের হাকিম ছিলেন আশফাক চৌধুরীর পিতা আশরাফ চৌধুরী। যেহেতু শরীফ বংশ, তাই যুদ্ধ শুরু হবার পরেই ধর্মরক্ষায়, পাকিস্তানের সংহতি রক্ষায় শান্তি কমিটিতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল আশফাক চৌধুরীকে তার বড় তিন ছেলেসহ। আশফাক চৌধুরীকে এ অনুরোধ করেছিলেন তার শ্বশুরের বড় ভাই শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান যশোহর...

doctorate of pharmacy online

মিশন কাবুল- পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম আবালীয় এক মিশনের গল্প

২০১৪ সালের এশিয়া কাপে হুট করে যখন আফগানিস্তান আমাদের হারায়ে দিল, তখন বিস্ময়ের ধাক্কাটা সামলায়ে উঠতে খুব কষ্ট হইছিল আমাদের। ক্রিকেটে অঘটন ঘটাই স্বাভাবিক। আফগানিস্তানের সাথে আমাদের পরাজয়টাও ছিল সেইরকম একটা অঘটন। কিন্তু তারপর থেকে এমনভাবে ওরা আমাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে শুরু করলো যে, মনে হইল ওদের সাথে আমরা জিতলে সেইটাই অঘটন হইত। মাটির ১০ ফুট উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে আসলো ওরা, দলে ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই নাকি অলরাউন্ডার  , সাকিবকে এতো পাত্তা দেওয়ার কি আছে সেইটা নিয়া মোটামুটি ঝগড়া লাগায়া দিল সংবাদ সম্মেলনে… যাই হোক, তারপর মাঠে খেলতে নামার পর কি ঘটছিল, সেইটা আমরা সবাই জানি।...

পতাকার জন্য লড়াই করে যাওয়া এক সংশপ্তকের উপাখ্যান…

১৯৮৩ সালের অক্টোবরের ৫ তারিখে নড়াইল জেলার চিত্রা নদীর তীরে এক শ্যামল গ্রামে জন্ম হয় কৌশিক নামের এক ডানপিটে ছেলের। খুব ছোটবেলার থেকেই কৌশিক ছিল প্রচণ্ড দুরন্ত আর চঞ্চল। চিত্রা নদীতে যখন তখন ঝাঁপ দেয়া ছাড়া কৌশিক খেলাধুলায় ছিল খুবই ভালো। ফুটবল আর ব্যাডমিনটন ছিল সবচেয়ে প্রিয় খেলা। ধীরে ধীরে বড় হতে হতে পছন্দ বদলে গেলো তার। ক্রিকেট নামের একটা খেলা তার চিন্তাচেতনার প্রায় পুরোটাই দখল করে ফেলল। অনূর্ধ্ব ১৯ দলে রীতিমত আগুন ঝরাতে শুরু করল হালকাপাতলা ডানপিটে কৌশিক। একপর্যায়ে চোখে পড়ে গেল বাংলাদেশের তৎকালীন কোচ এবং ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রেট লিজেন্ড অ্যান্ডি রবার্টসের। জহুরি জহুর চিনতে কখনও ভুল করে না। আর... venta de cialis en lima peru

একজন মানজারুল ইসলাম রানা এবং ইতিহাস বদলে দেওয়া এক দ্রোহের গল্প…

১৯৮৪ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনায় জন্মগ্রহন করা মানজারুল ইসলাম রানার বাঙলাদেশ দলে টেস্ট অভিষেক ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তার আগে ঘটে ওয়ানডে অভিষেক। ৭ নভেম্বর ২০০৩ মোহাম্মদ রফিকের ইনজুরির কারনে তিনি সুযোগ পান জাতীয় দলে। বাংলাদেশের একমাত্র বোলার হিসেবে জীবনের প্রথম ওভারের ৩য় বলে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভনকে স্রেফ বোকা বানিয়ে যখন তিনি আউট করেন, তখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর। সেই থেকে শুরু। ধীরে ধীরে একজন পারফেক্ট অলরাউনডার হয়ে উঠতে থাকেন মানজার। তৎকালীন বাংলাদেশ দলে রফিককে সাপোর্ট দেবার মত একজন কার্যকরী বাঁহাতি স্পিনার এবং একই সাথে লেটঅর্ডারে প্রয়োজনের সময় দ্রুত রান তোলার দক্ষতা থাকায় কোচ ডেভ...

পাকিস্তান জিন্দাবাদ…

কয়েকদিন আগের কথা। রাস্তায় হঠাৎ এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা। প্রায় ১০ বছর পর দেখা, দাড়ি রাখছে, একেবারে চেনাই যায় না। জোর করে বাসায় ধরে নিয়ে গেল। আন্টি তো আমারে দেইখা বিশাল খুশি, কতদিন পর দেখা। ড্রইংরুম পার হয়ে ওর রুমে ঢুকতেই চোখে পড়ল শহীদ আফ্রিদি আর সাইদ আজমলের বিশাল দুইটা পোস্টার, দেয়ালে ঝুলতেছে। একটা ধাক্কা লাগলো, বন্ধুরে জিগাইলাম, —দোস্ত, এই পোস্টার এইখানে? —কেন, সমস্যা কি? —এরা তো পাকিস্তানের খেলোয়াড়। —তো কি হইছে? —তুই কি পাকিস্তান সাপোর্ট করছ? —হ। —কেন? —আজিব তো, মুসলমান তো মুসলমানকেই সাপোর্ট করবে। কেন করি এইটা জিগানোর মানে কি? —কিন্তু ৭১রে… —আরে, রাখ তোর ৭১। তগোর...

একজন কালজয়ী সাহিত্যস্রস্টার কথা…

দরজায় শব্দ হল হঠাৎ, ঠক ঠক ঠক। নুরুল আফসার ঘড়ির দিকে তাকালেন, রাত বাজে সাড়ে ১০টা। এত রাতে কে এল? দরজা খুলে অবাক নুরুল,”বারেক, এতো রাতে ? কি ব্যাপার? কালো চাদরে ঢাকা সর্বাঙ্গ, হালকা চাপ দাড়ি মুখে, ছেলেটার চোখের দৃষ্টি মাছের মতো, নিস্পলক, ঘষা কাঁচ যেন। সালাম দিল, ঠাণ্ডা স্বরে বলল, “তেমন কিছু না স্যার, আপনাকে একটু আসতে হবে।“ -কোথায়? –আমার সাথে, ক্যাপ্টেন সাহেবের জরুরি তলব। –আমি তো খেতে বসেছি। – ব্যাপারটা স্যার জরুরী। খুব বেশিক্ষন লাগবে না, বাইরে জীপ দাড়িয়ে আছে। অধ্যাপক নুরুল আফসার হাত ধুয়ে শার্টটা গায়ে চড়াচ্ছেন, রেহানা এসে দাঁড়ালেন সামনে। “ আলবদরের লোকজন নাকি বাড়ি বাড়ি...

পাকিস্তানী জারজ আব্দুল মোনায়েম খানের “শহীদ”!! মর্যাদা প্রাপ্তি এবং এক দুর্ভাগা জাতির গল্প…

কুখ্যাত জারজ গভর্নর মোনায়েম খান আজ আপনাদের বিস্ময়কর এক বীরের কথা শোনাবো। বাঙ্গালী জাতির সর্বকালের সবচেয়ে গৌরবের বীরত্বগাঁথা ৭১রের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মানুষটার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। দেশমাতা,স্বাধীনতা কিংবা যুদ্ধ – এই বড় বড় বিষয়গুলো বোঝার মতো পরিনত হয়তো হয়নি নবম শ্রেণীপড়ুয়া মোজাম্মেল হকের। কিন্তু সময়ের প্রয়োজন তাকে করে তোলে এক অদ্ভুত পরিনত যোদ্ধায়। এই অসম্ভব সাহসী যোদ্ধা পাক বাহিনীর দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করে এক অভাবিত বীরত্বগাঁথার জন্ম দেন। শুনতে রুপকথার মত শোনালেও এর প্রতিটা বর্ণ জ্বলজ্বলে সত্য। তার নিজের জবানিতেই তার এই অনন্যসাধারন বীরত্বের গল্প শুনি আমরা…   বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক( বীর প্রতীক) নবম শ্রেনীতে পড়তাম।...

বিশ্বকাপ-২০১১ : কিছু অকল্পনীয় যন্ত্রণা, কিছু অভাবিত গৌরব…

দৃশ্যপটঃ ৫ই মার্চ,২০১১ স্থানঃ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম,মিরপুর, ঢাকা। বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্টইন্ডিজ, বিশ্বকাপ ২০১১। উত্তেজনায় হাত পা কাঁপছে ছেলেটার। এমনিতেই বাংলা মায়ের প্রতিনিধি হিসেবে যখন ওই ২২ গজে গিয়ে দাঁড়ায় ১১ জন বীরযোদ্ধা, এক অনির্বচনীয় গর্বে বুকটা ভরে যায় তার। আর এতো বিশ্বকাপ, তাও আবার নিজের দেশে, সে কিভাবে স্থির থাকে? টিকিট পাবার জন্য কি অকল্পনীয় সংগ্রামটা সে করেছে, সেটা সে ছাড়া আর কেউ জানে না। যদিও টিকিট না পাবার কষ্টটা এই মুহূর্তে একেবারেই নেই। মামার বাসায় বিশাল হলরুমে প্রায় দুইডজন কাজিন আর ফ্রেন্ডসার্কেল মিলে একটা ছোটখাট স্টেডিয়াম বানিয়ে ফেলেছে তারা। ভারতের সাথে ঠাণ্ডা নিরুত্তাপ সূচনা আর তার পরের ম্যাচেই...

অপেক্ষা…

পরীটাকে আজাদ প্রথম দেখেছিল করাচী ইউনিভার্সিটির বাঙ্গালী সমিতির অনুষ্ঠানে, শাড়ি আর নীল টিপের স্নিগ্ধ লাবণ্যে মনে হচ্ছিল সত্যিই বুঝি স্বর্গ থেকে কোন পরী নেমে এসেছে। কিন্নরি কণ্ঠে সে গাইছিল, “সাতটি রঙের মাঝে আমি মিল খুঁজে না পাই, জানি না তো কেমন করে কি দিয়ে সাজাই।“ চোখ সরাতে পারছিল না আজাদ, কি মায়াময় নিস্পাপ সৌন্দর্য… ফাংশন শেষে আজাদ এগিয়ে যায়, দুরুদুরু বুকে হৃদপিণ্ডটা বাজে ড্রামের মত, যথাসম্ভব গলাটা পরিস্কার করে বলল,” আপনি গাইলেন, কেমন করে কি সাজাবেন, বুঝতে পারছেন না, অথচ আপনাকে কিন্তু অসাধারন লাগছে… —ওমা, গাইলাম গান, প্রসংশা পেলাম সাজের, ব্যাপার কি? গান ভালো হয়নি বুঝি? —আরে না না, গান...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

মিরপুর-দ্যা লাস্ট ব্যাটেলফিল্ড…

অস্কার পুরস্কার বিতরণী মঞ্চ। উপস্থাপকের দিকে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ, টানটান উত্তেজনায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। উপস্থাপকের ঠোঁটে রহস্যের হাসি। শেষ পর্যন্ত সেরা চলচ্চিত্রের নাম ঘোষিত হল, মনোনয়ন পাওয়া গুণী পরিচালকদের বিশ্বসেরা সব চলচ্চিত্রকে পেছনে ফেলে সকলের বিস্ফোরিত দৃষ্টির সামনে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষিত হল Mirpur-The Last Battlefield এর নাম। বিস্ময়ের তখনো বাকি ছিল। সেরা স্ক্রিপ্ট, সেরা সিনেমাটোগ্রাফিসহ আরো ছয়টি বিভাগে অস্কার জিতলো মুভিটা, এর মধ্যে সেরা পরিচালকও ছিল। হালকাপাতলা মানুষটা উঠে দাঁড়ালেন, একটু আগে সেরা পরিচালক হিসেবে তার নাম ঘোষিত হয়েছে, মঞ্চে যেতে হবে। ধীর পায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মানুষটা, বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটোয় চিকচিক করছে গর্বমাখা আনন্দ, বাংলাদেশের প্রথম অস্কারজয়ী পরিচালক, জহির রায়হান…...

উর্দু– উর্দুই হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা…

৩০ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা মাটিতে দাড়িয়ে বিশ্ব ইজতেমার বিশাল প্রান্তরে কি চমৎকার উর্দুতে দোয়া করেন মাননীয় ইমাম উপস্থিত লাখো জনতা যেন এ দেশের কেউ না ভিনদেশী পর্যটক মাত্র… তারা বরকতকে চেনেন না, রফিককে চেনেন না মায়ের মুখের বুলি বাঙলা ভাষার জন্য বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়েছিল যে, গুলিটা তার করোটি ভেদ করে মগজটুকু নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল করোটির ফোকর দিয়ে রক্ত হয়ে বেরিয়ে আসছিল বর্ণমালার স্রোত আলতার মত রঙ্গিন অ আ ক খ পৃথিবীতে প্রতিদিন হাজার হাজার কারনে লাখ লাখ মানুষ মারা যায়, কত বিচিত্র প্রতিজ্ঞায় জীবন দেয় মানুষ মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ে জীবন দিতে শুনেছেন কখনো? কেবল বাঙলা ভাষায় কথা বলতে...

চে গুয়েভারা এবং একজন বিস্মৃত বীরের গল্প…

হোমপেজে হঠাৎ একটা ছবি আসলো, চে গুয়েভারার। নিচে বিশাল ক্যাপশন, চির অমর তুমি হে মৃত্যুঞ্জয়ী বীর। পোস্টদাতা আমার এক বন্ধু, লাল টুপী পইড়া ঘুইরা বেড়ায়, বিপ্লব চাই বিপ্লব চাই চিৎকারে দুনিয়া কাঁপায়া। ইনবক্সে নক দিলাম, দোস্ত কি খবর? — লাল সালাম দোস্ত, কেমন আছস? —ভালো। ইয়ে মানে, দোস্ত হায়দারের নাম শুনছস? —কোন হায়দার? ওই যে হিন্দি মুভিটা? শহীদ কাপুর তো পুরাই জোসসসসস… —নাহ। আমাগোর হায়দার। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর এসজিএস কমান্ডো ছিল, ৭১রে গেরিলাযুদ্ধের সংজ্ঞাই পাল্টায়া দিছিল… — নাহ, চিনতে পারলাম না। এতো পুরান ঘটনা… ৬৫’ সালে আর্মিতে যোগ দিছিল মুক্তো, মায়ের খুব আদরের পোলা ছিল। সেই বছরই ট্রেনিং শেষ কইরা কমিশন...

all possible side effects of prednisone

ফার্ম গেট অপারেশন এবং সাল্লু ভাইয়ের গল্প…

ইন্ডিয়ান চ্যানেলগুলাতে সালমান খানের একটা অ্যাড প্রায়ই দেখায়। ইয়া উঁচা একটা পাহাড়ের উপর থেকে লাফ দেওয়ার আগে সাল্লু ভাই বেশ ভাব নিয়া মাউন্টেন ডিউ নামে একটা ড্রিংকসে চুমুক দেয়… তারপর লাফ… বিশাল কুলনেসের ব্যাপারস্যাপার। প্রজন্মের আপডেটেড পোলাপানরে প্রায়ই সালমান খান আর তার “আজ কুচ তুফানি কারতে হ্যায়” নিয়া বেশ উত্তেজিত হইতে দেখি। অনেকেই কুল ডুড বলতে চোখ বন্ধ কইরা সাল্লুরে বুঝে, তার মসলাদার অ্যাকশন মুভি দেইখা চোখ বড় বড় কইরা বলে, কি মাইর দেয় দেখছ? পুরাই ক্র্যাক… ধানমণ্ডি ২৮ এর হাইডআউটে জরুরী মিটিং চলতেছে। আলম, বদি, স্বপন,চুল্লু ভাই,জুয়েল, জিয়া, গাজীকে নিয়ে বসেছেন শাহাদাৎ চৌধুরী (শাচৌ)। উদ্দেশ্য নেক্সট অপারেশনের প্ল্যান রেডি...

দলনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী এবং একটা শুয়োরের জন্মবৃতান্ত

গতকাল রংপুরের পিশাচ আজহারের ফাঁসির রায় হইছে। অনলাইনে দলনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীদের বেশ গম্ভীর গলায় মতপ্রকাশ করতে দেখলাম, আরে এইটা তো হাসিনা সরকারের আইওয়াশ কর্মসূচী, তলে তলে পৃথিবী আঁতাতময়। এক বড় ভাই পয়েন্ট টু পয়েন্ট লজিক দিয়ে প্রতিবাদ করল, স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়া একজন সাথে সাথে বললেন, এই যে আইছে শেখ মুজিবের মুরিদ। কমেন্টটার বিরুদ্ধে অবাক হয়ে তাকায়া থাকলাম কিছুক্ষণ, রাজাকারের বিরুদ্ধে কথা বলার পাশাপাশি যেখানে সেখানে বঙ্গবন্ধুকে টেনে এনে তাচ্ছিল্য করাটাও আজকাল চালু স্টাইল, যুদ্ধের সময় এই লোক পাকিস্তানের জেলে তার জন্য খোঁড়া কবরের পাশে আরামআয়েশে নয় মাস কাটায়ে দিছে, হু ইজ হি? ২৪ ঘণ্টা হি ইজ নোবডি, হি...

para que sirve el amoxil pediatrico

পথ

ছেলেটার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল রাফিসা। চিঁড়া খাচ্ছিল ছেলেটা, শুকনো চিড়া। গলা দিয়ে নামছিল না বোধহয়, তবুও চিবিয়ে যাচ্ছিল, ভাবলেশহীন নির্বিকারচিত্তে। দেখতে দেখতে এক পর্যায়ে মাকে জিজ্ঞেস করেই ফেলল, –“আম্মু ওই ছেলেটা এইভাবে শুকনো চিড়া খাচ্ছে কেন?” –“কি জানি মা, গরীব মানুষ বোধহয়…” – গরীবরা কি শুধু শুকনো চিড়া খায়? – হ্যাঁ মা, ওদের আর কোন খাবার নেই যে। – ওদের আর কোন খাবার নেই কেন আম্মু? প্রশ্নের উত্তর দেবার আগেই দুটো ঘটনা ঘটলো। ফেরিটা এসে ঘাটে ভিড়লো এবং ফেরি থেকে নামবার তাড়াহুড়ায় ওদের পেছনের বাসটা হঠাৎ সজোরে ওদের গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে বসলো। গাড়ির ভেতর সবার সিটবেল্ট বাঁধা ছিল,...

নিউক্লিয়াস- ক্র্যাক পিপল নিডেড…

মাঝে মাঝে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের জন্য খুব আফসোস হয়। ডিসি কমিক্স কিংবা মারভেল কমিক্সের থর, আয়রনম্যান, সুপারম্যান কিংবা ব্যাটমানের মতো সুপারহিরোরা তাদের ছোটবেলার নায়ক, বড় হয়ে তারা জেমস বণ্ড হতে চায়, ভিনদেশের বীরদের নিয়ে কি উচ্ছ্বাস তাদের… মজার ব্যাপার হচ্ছে ভিনদেশের সেই বীরেরা নিতান্তই কাল্পনিক চরিত্র ,তাদের এতসব বীরত্ব কিছু উর্বর মস্তিকের কল্পনা মাত্র। অথচ যে জন্মভূমির আলো হাওয়ায় নতুন প্রজন্মের এই সন্তানেরা বেড়ে উঠেছে, সেই জন্মভূমি স্বাধীন করতে ১৯৭১ সালে অসংখ্য বীর হাসতে হাসতে নিজের প্রানটা উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের বীরত্বগাঁথা ছিল রূপকথার গল্পের মতই অবিশ্বাস্য কিন্তু সন্দেহাতীত বাস্তব, সাধারন মানুষ হয়েও কেবলমাত্র মায়ের জন্য, মাতৃভূমির জন্য তারা পরিনত হয়েছিলেন...