Author: পারভেজ এম রবিন

অনুভূতির স্বৈরাচারী সাম্রাজ্য

তারপর যদি আরও একবার ব্যস্ত সড়কে হাতটা আঁকড়ে ধরা হয়, তারপর যদি আরও একবার নিথর সড়কে অঝোর অঝোরে থেকে যাই শুধু তুই আর আমি, আর যদি একবার ঝড়ের তীব্রতায় আঁকড়ে ধরে ইলশেগুঁড়ির কোমলায় ছুঁয়ে দিস অধর, তারপর আকাশটা হয়ে যাবে আদিগন্ত বিল এবং মেঘগুলো হবে স্বয়ংক্রিয় এলোপাথাড়ি ভেলা। পার্থিব আবাস থাকুক কিংবা নেই, নীড়গুলো ভেসে চলবে হৃদের এপাড় থেকে ওপাড়ে। তারপর সূর্য থমকে যাবে আর চাঁদটা ভেসে উঠবে একই সাথে। তারপর কিছু অভিমান আর অনেকটা ভালবাসার প্রকোষ্ঠে সিলগালা করে রাখবো দু’টো ঠোঁট আর একবিন্দু অশ্রুকে। তোর মত এবং অমত এখানে নিতান্তই বাহুল্য হিসেবে বিবেচিত। অনুভূতির স্বৈরাচারী সাম্রাজ্যে তোর নীড় হবে... about cialis tablets

সহজ গণিত শিক্ষা : লগারিদম

মাধ্যমিকে পড়ার সময় আমার জন্য একটা বিভীষিকার নাম ছিল লগারিদম। কতগুলো হিজিবিজি বীজগাণিতিক সংকেত আর x, y, e এর প্যাচে পড়ে জীবনের অনেকটা সময় ফালাফালা হয়ে গেছে। তবে, ভয় পেয়ে কোন কিছুকে দূরে ঠেলে দিতে বা পিছু ফিরে আসতে কখনই পছন্দ করতাম না। এখানেও আসলাম না। নেট ঘেটে যতটুকু পারা যায় লগারিদম নিয়ে জানাশোনা বাড়ালাম। তাতে, স্কুলের রেজাল্টের হয়তো উন্নতি হয়নি, কিন্তু এই বিদঘুটে জিনিসটার প্রতি ভালবাসা তৈরি হতে সময় লাগেনি। শুনেছি, ভালবাসা নাকি ছড়িয়ে দিলে বেড়ে যায়। অনেক দিন ধরেই ভালবাসার এই এই অদ্ভুত ইকুয়েশনটার লাইভ এক্সপেরিমেন্ট করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু, করা আর হয়ে ওঠে না। তাই আজকে সব... side effects of drinking alcohol on accutane

আক্ষেপ

অথচ এখনও নিউরনে নিউরনে মিশে যাওয়া হয়নি। অথচ এখনও কামড়ে ধরে রাখতে রাখতে জোড়া লেগে যায়নি দু’ঠোঁট। অথচ এখনও এত জোরে আঁকড়ে ধরা হয়নি, যেভাবে তুমি আর আমি হয়ে যাই আমি আর তুমি। অথচ এখনও ততটুকু ঘৃণা করা হয়নি, ততটুকু ভালবাসা হয়নি, যতটুকু হলে ফুরিয়ে যায় বোধ। অথচ এখনও আমি প্রবল অতৃপ্ত! অথচ এখনও আমি বুভূক্ষের মত আঙ্গুল কামড়ে ধরি। অথচ এখনও আমি পিঁপড়ের মত করে তেপান্তর পার হচ্ছি, ওপারে ভালবাসার সমাপ্তি। অথচ এখনও আমি তীর দেখি না। অথচ এখনও আমি তরী দেখি না। অথচ এখনও ভাবি ভালবাসা… ভালবাসা… ভালবাসা… অথচ এখনও ভাবি অতৃপ্ত… অনন্ত… অসীম। অথচ এখনও ততটুকু চোখে... doctus viagra

বাইয়া

আসু। মানে আসমান। আমাদের বড় ছেলে। পুরোটা স্কুল জীবন কাটিয়েছে একা একা। বন্ধুবান্ধব কখনও তেমন ছিল না। খুব একটা মিশুক ছিল না কখনই। ছেলে আড্ডাবাজ হলে বাবা-মা বরাবরই বিরক্ত হয়। তাই বলে ছেলে অতি ঘরকুনো হলে যে সেটা কোন বাবা-মা পছন্দ করে তাও নয়। আমরাই আসুকে বলতাম, বাইরে গিয়ে একটু খেললেও পারিস কিংবা তোর কোন বন্ধুবান্ধবকে বাসায় আনলেও তো পারিস। আসু খানিকটা অভিমান জড়ানো গলায় বলত, “বাইরে যাব কেন? আমার বাসায় খেলার মত কেউ নাই কেন? সবার ভাইবোন থাকে, আমার কেন নাই?” প্রথমদিকে আমি বা রাত্রি মুখ টিপে হাসতাম। কিন্তু, পরে ব্যাপারটা শুধু মুখ টিপে হাসার মধ্যে থাকল না। আসু... tome cytotec y solo sangro cuando orino

ovulate twice on clomid

রোদ বৃষ্টির কাব্য

#১ একলা শালিক মেঘ পেরিয়ে ওই ঠোঁটে তুই এক ফোঁটা রোদ নিস; রাজকন্যের চোখের কোণে শিশির মুছে রোদটুকু রাখিস। #২ ইলশেগুড়ির আবছা পরশ যখন আসে আকাশ ধুয়ে, চায়ের ধোঁয়ায় থাকবি মিশে, উষ্ণ আমার দু’ঠোঁট ছুঁয়ে? #৩ যখন আমি খুব একাকী খুব ধোঁয়াশায় ক্লান্ত ভবঘুরে, মেঘ হয়ে যাও, বৃষ্টি নামাও। নীল হয়ে এসো উড়ে। #৪ খুব বোশেখের প্রবল রোদে শেষ বিকেলের মেঘ হবি তুই? যেমন আমি কালবোশেখি সন্ধ্যে হয়ে সিক্ত চোখের পাঁপড়িটা ছুঁই। অনেক অনেক অনেক উঁড়ে আমার ঝড়ে মিলিয়ে যাবি? আমার ছায়া হবি কি তুই? বৃষ্টি হয়ে দু’ঠোট ছুঁবি? #৫ যখন তুমি মিষ্টি আঁচে রৌদ্র স্নানে থাকো, তখন না হয়...

half a viagra didnt work

মানুষ

মানুষ হিসেবে আমি বেশ নির্লিপ্ত। কারও সাতে পাঁচে নেই। চার পাশে কত কী ঘটে গেল তাতে আমার কিচ্ছুটি আসে যায় না। আমার জগত একটা কম্পিউটার টেবিল আর বিকেল বেলা চায়ের আড্ডার মাঝেই সীমাবদ্ধ। বাইরের পৃথিবীটা দেখার ইচ্ছে আমার কোনোকালেই খুব বেশি ছিল না। ইচ্ছে ছিল না বাইরের মানুষদের জানারও। সারাটা জীবন কাটিয়েছি ওভাবেই। তবে, মাঝে মাঝে যে মানুষরূপী গরু ছাগল ভেড়ার সাথে দেখা হয়ে যেত না, তেমনটি নেই। হত। আমি মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শোনার ভান করতাম। এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দেয়ার মধ্যবর্তী যে সময়টুকু কথাগুলো আমার মাথার ভেতরে থাকতো, তার মধ্যে আমি জানতে পারতাম...

achat viagra cialis france
accutane prices

টমেটো কিংবা পেন্সিল কম্পাসের গল্প

তুহিন বসেছে বাসের দ্বিতীয় সারিতে। জানালার পাশের সিটটা খালিই ছিল। সেখানে বসে নি। বিশেষ কারণে। বাসের ভিড় এখনও তেমন একটা বাড়ে নি। তবে এতক্ষণে বেশ কয়েকটা “মাল” ওঠার কথা ছিল। এখনও একটাও ওঠে নি। বাস মালিবাগ থেকে মৌচাকের দিকে এগোচ্ছে। মৌচাক মোড়ে বাস থামতেই অবশেষে উঠল, সেই অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু – একটা খাসা মাল। সম্ভবত, নর্থ সাউথে পড়ে। উত্তর-দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়। তুহিন মনে মনে হাসল। এইসব আজগুবি নাম যে তারা কোথায় পায় আল্লাই জানে। নাম হচ্ছে তাদের কলেজের। রাজউক। সেইরকম ভাব! তুহিন মালটার দিকে তাকাল। খাসা চেহারা। এই প্রাইভেট ভার্সিটির মেয়েগুলো না…! এত সুন্দর কীভাবে হয়? দেখলেই ইচ্ছে করে টমেটোর মত...

cialis new c 100
acne doxycycline dosage
all possible side effects of prednisone