Author: রেজা সাহেব

পৃথিবীর সবচেয়ে মজার কৌতুক

ইংল্যান্ডে একটা সিরিয়াস গবেষনা হয়েছে। গবেষনাটা পরিচালনা করে ছে ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর দি অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্স। তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের প্রায় ২০ লাখ সমালোচকের মধ্যে জরিপ চালিয়েছে কৌতুক নিয়ে। ৪০,০০০ কৌতুক এই গবেষনার আওতায় এসেছিল। যদিও এতে বাংলাদেশের কোন কৌতুক নেই বা কোন বাংলাদেশী সমালোচকের আগ্রহ নিয়ে ইনারা কোন জরিপ চালান নি, তারপরেও আমি সেই জরিপ সম্পর্কে কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরতে যাচ্ছি। এই ৪০ হাজার কৌতুকের মাঝে সেরা কৌতুক নির্বাচিত হয়েছিল নিচের কৌতুকটি ঃ নিউ জার্সির দুজন শিকারি বনে গেছে শিকার করতে। একজন হঠাৎ মাটিতে পড়ে যায়। তার চোখ বন্ধ, শ্বাস-প্রশ্বাসের লক্ষন নেই। দ্বিতীয় শিকারিটা তখন তার মোবাইল... levitra 20mg nebenwirkungen

half a viagra didnt work

রাজাকার

দাত কেলিয়ে হাসছে দেখ, একাত্তরের রাজাকার প্রতিশোধের নেশায় এবার, দেশ করছে ছাড়খার! বুকের ভেতর স্বপ্ন পালে, দেশ বানাবে পাকিস্তান, এইতো সুযোগ, শোধ তুলছে, চার দশকের অপমান। আগুন খেলায় মত্ত তারা, কেউ পাবে না এবার ছাড়, পুড়ছে মানুষ, জ্বলছে জাতি, দেশ বানাবে অঙ্গার! মানুষ পোড়া মাংস দিয়ে, খেলছে খুনের খেলা এইতো সুযোগ, মেটাবে এবার একাত্তরের জ্বালা। আর কত মার খেয়ে যাবি হায়? এবার অস্ত্র ধর, বিভেদ ভুলে এক হয়ে খোড় রাজাকারের কবর। বঙ্গবন্ধুর সৈন্য তোরা, তোদের কিসের ভয়? শত্রু বধে গাইবি আবার, জয় বাংলার জয়। amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

একজন আদর্শ শিবিরকর্মী

প্রতিদিনকার মত আজকের সকালেও ঘুম থেইকা উইঠা লুঙ্গির জায়গাই লুঙ্গি না পাইয়া মেজাজে খিচন ধরল গদার। শালার প্রতিদিনই এই অবস্থা, ঘুম ভাঙ্গার পর দেখে লুঙ্গিটা কোমরের বদলে খাটের পাশে পইরা আছে। মনে মনে লুঙ্গির মা-বাপরে গালি গালাজ কইরা তাড়াতারি লুঙ্গিটা পইড়া মোবাইলটা হাতে নিল সে। ফেইসবুকে ঢুইকা দেশের সর্বশেষ অবস্থাটা জানা দরকার, এমনিতেই দেশের অবস্থা ভালা না। ফেইসবুকে ঢুইকাই বাশের কেল্লার পোস্ট খুজা শুরু করল গদা, আজকাল বাশের কেল্লা ছাড়া আর কোথাও সত্য নিউজ বাইর হয় না। সবগুলাই আওয়ামিলীগ সরকারের দালাল হয়ে গেছে। লাখ লাখ আলেম হত্যার ঘটনাই কোন মাদারচুদ একটা কথাও লেখে নাই, সব চুপ কইরা ছিল! অবশ্য ওদেরই...

শশীলাল চর্মকার

১২-১৩ বছরের বাবরি চুলওয়ালা কিশোর শশীলাল চর্মকার। বাবার সাথে সারাদিন সৈয়দপুরের রাস্তায় ঘুরে মানুষের পুরান জুতা সেলাই করা ছিল তার কাজ। বড় বোন শ্যামাপ্রিয়া নবম শ্রেণীতে পড়ে, ভাল ছাত্রী হিসেবে এলাকায় খুব নাম ডাক। বাবা, মা ও দিদিকে নিয়ে ছিল তার ছোট সাজানো সুখের সংসার। কিন্তু এই সাজানো সুখের সংসারে মহাপ্রলই নেমে এল ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ! স্থানীয় বিহারিদের মদদপুষ্ট হয়ে পাকিসেনারা আক্রমন করে বসে হিন্দুদের বাড়িঘরে। হাতের কাছে যাকে পেয়েছে, তাকেই হত্যা করেছে। শশীলালদের বাড়িতেও আক্রমন হল, তার বাবা-মাকে গুলি করে হত্যা করা হল! অপহরন করে নিয়ে গেল দিদি শ্যামাপ্রিয়াকে এবং গভীররাতে সৈয়দপুর রেলকারখানার উত্তরে নিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে নির্যাতন...

৫২’এর শেখ মুজিব

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস, সমগ্র পূর্ব বাংলা জুড়ে চলছে আন্দোলন। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টনে এক জনসভায় ঘোষনা দিলেন, “উর্দুই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে।” তখনকার একমাত্র রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামিলীগ, ছাত্রদের সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবাদের সংগঠন যুবলীগ একসাথে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাল। এদিকে টানা ২৬ মাস জেলে থাকার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেখ মুজিবকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখানে বসেই তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা তোয়াহা, কাজী গোলাম, অলী, শওকত মিয়া সহ বেশ কয়েকজনের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন ও সভা করে সংগ্রাম পরিষন গঠন করা হবে। পাশাপাশি ১৬ই... para que sirve el amoxil pediatrico

‘জিহাদী মুসলিম’-মঞ্জুর চৌধুরী

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, লেখাটি আসলে আমার না। তবে মনে হয়েছে লেখাটি সবার পড়া উচিত, তাই লেখকেই অনুমতি নিয়েই সভ্যতায় পোস্ট করলাম। “তুই ঐ কাফির নাছারাদের দেশে পড়ে আছিস কেন?” অ্যামেরিকাপ্রবাসী জাকির অফিসের কাজের ফাঁকে বাংলাদেশনিবাসী বন্ধু সোহেলের সাথে চ্যাট করছিল। বন্ধুর কথায় সে একটু নড়েচরে বসে। “কেন বন্ধু? এই দেশে সমস্যা কী? ওরাতো আমার দাড়ি শেভ করতে বলছে না। আমার স্ত্রীকে হিজাব পড়তে নিষেধ করছে না। পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়তে কেউ বাঁধা দিচ্ছে না। এমনকি কাজ থেকে ব্রেক নিয়ে জুম্মার নামাজ পড়তেও আমার কোন সমস্যা হয়না। ঠিকঠাকমত রোজা রাখতে পারি, ঈদের জামাতও মিস হয়না। তাহলে শুধু শুধু ওদের গালি দিব...

doctorate of pharmacy online

বিড়ম্বনা -একটি রম্য কবিতা

এই কবিতাটা ক্লাশ টেন-এর শেষের দিকে লিখেছিলাম। বন্ধুমহলে এমং কয়েকজন শিক্ষক থেকে খুব প্রশংসা কুড়িয়েছিলাম এটার জন্যে। তখন অবশ্য অনলাইন জগৎ সম্পর্কে একেবারেই ধারনা ছিল না! লাজুক টাইপের ছিলাম দেখে আমার বন্ধু বিপ্লব নিজে উদ্যেগেই কবিতাটা স্যারদের দেখিয়েছিল। তবে এবার অন্য কেউ না, নিজ উদ্যেগেই এটা সভ্যতায় প্রকাশ করছি.… সকালবেলা উঠে দেখি, বাজে তখন আটটা প্রায় বাথরুমেতে গিয়ে দেখি কলে কোন জল নাই! বাজার থেকে আনলাম কিনে, মিনারেল ওয়াটার, সেই পানিতে কাজ সেরে ভাই হয়ে পড়লাম বেসামাল! কিচেনেতে ঢুকলাম গিয়ে, দেখি কোন খাবার নাই, কি আর বলব দুঃখের কথা, খিদেই আমার পেট জ্বলে যায়! মরিচ একটা দিলাম পুড়ে, মুখে লাগল...

আমি এবং আমার

অবশেষে সভ্যতায় যোগ দিয়ে সভ্য হয়ে গেলাম। ব্লগে লেখালেখি অনেক আগে শুরু হলেও এখন পর্যন্ত নিয়মিত হতে পারি নি কোথাও। ব্লগ লেখা একরকম ছেড়ে দিয়েছিলাম প্রায়ই, কিন্তু রহমান রাআদ (ডন মাইকেল) ভাইয়ের লেখাগুলো দেখে এই লেখালেখির লোভটা আবার জেগে উঠল! তাছারা একদিন সভ্যতা ব্লগ ঘুরতে গিয়ে এর সংবিধান দেখে এটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। যদিও আর কয়েকটা ব্লগের সাথে এর মৌলিক তেমন কোন পার্থক্য নেই। তবে অন্য ব্লগে বাকস্বাধীনতার চরম অপব্যবহারের সুযোগ থাকলেও সভ্যতায় এধরনের কোন সুযোগ নেই, এজন্যেই হয়তো এখানের সদস্যদের সভ্য বলা হয়! যাই হোক, এখন আসল কথায় আসি। দীর্ঘদিন লেখালেখি থেকে দূরে থাকার ফলে হাতে হয়তো জং...