Author: ক্লান্ত কালবৈশাখি

আজ রাতে কোনো রূপকথা নেই

আজ রাতে কোনো রূপকথা নেই। আজ রাতে সব অশ্রুপাথর হৃদয় ছিঁড়ে যায় ছড়িয়ে। আজ রাতে খুব বাস্তবতায় কল্পনা নেই একলা একায়; গল্প শেষে মিষ্টি হেসে বলবে না কেউ, “রাজার কুমার, রাজকন্যে জড়িয়ে রেখে থাকবে এবার অনেক সুখে।” আজ রাতে সব গল্প ফেলে, অশ্রু সুনীল লালচে হয়ে জমাট বাঁধে। আজ রাতে কোন সুখী শেষ নেই। বুড়ো ঠাকুমা বলবে না আর, “তারপরে সব দৈত্য দানো ধ্বংস করে, রাজার কুমার পঙ্খীরাজের ঘোড়ায় চড়ে প্রাসাদ ফেরে বীরের বেশে, গল্প শেষে।” আজ রাতে এক একলা ছেলে তারায় তারায় স্বপ্ন খোঁজে। কালপুরুষ আজ রূপকথা নয়, স্বপ্নগুলো তীক্ষ্ণ শরে এক এক করে দু’চোখ বোজে। আজ রাতে কোন...

দুর্শব্দ #১

ক. মহসিন সাহেব হাজী মানুষ। একবার না। তিনবার হজ্জ্ব করেছেন তিনি। সামনের বছর আল্লাহ তৌফিক দান করলে, আরও একবার করার ইচ্ছে আছে।  নামাজ পড়তে পড়তে তার কপালে দাগ পড়ে গেছে। এলাকার মসজিদে প্রথম কাতারে তার জন্য একটা জায়গা বরাদ্দ থাকে। মাথায় সব সময় টুপি, মুখে নূরানি দাঁড়ি, সবসময় মুখে আকণ্ঠ বিস্তৃত হাসি। শরীর থেকে সব সময় আতরের সুগন্ধ আসে। তার মুখটা দেখলেই যে কারও মন ভাল হয়ে যায়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি তিনি। আল্লাহ পাক তাকে সবকিছু দু’হাত ভরে দিয়েছেন। মোহাম্মদপুরে তার আলিশান বাড়ি। টাকা পয়সা দু’হাতে খরচ করেও যেন শেষ হতে চায় না। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে নিয়ে তার আদর্শ সুখী পরিবার।  ... walgreens pharmacy technician application online

খেলা

তুমি যখন আমাকে বললে, ‘আমাদের সম্পর্ক এখানেই শেষ’ আমি বিন্দুমাত্র অবাক হই নি। বরং, গত কয়েকদিন ধরে আমি এই অপেক্ষাতেই ছিলাম, ‘কখন আমাদের এই মরচে পড়া কাঠামোটা চূড়ান্তরূপে ভেঙ্গে পড়বে?’আমি বরং বহু আগেই বুঝেছিলাম, তোমার কাছে আমার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে তুমি কখনই বুঝতে পার নি, আমার কাছে তোমার কখনও কোন প্রয়োজন ছিল না। তুমি ভেবেছ তুমি আমাকে নিয়ে আর দশটা ছেলের মতই খেলেছ। কিন্তু, তুমি জানতে না, আসলে তা ভুল। আমিই তোমাকে নিয়ে খেলেছি। এবং খেলে চলেছিলাম। তুমি ভেবেছ এতদিন ধরে চলা এই খেলাটা তুমি এক মুহূর্তে ভেঙ্গে দিয়েছ। অথচ, খেলাটা তখনও চলছে। কারণ, আমি তাকে ভাঙ্গতে...

can you tan after accutane

টমেটো আর পেন্সিল কম্পাসের গল্প

তুহিন বসেছে বাসের দ্বিতীয় সারিতে। জানালার পাশের সিটটা খালিই ছিল। সেখানে বসে নি। বিশেষ কারণে। বাসের ভিড় এখনও তেমন একটা বাড়ে নি। তবে এতক্ষণে বেশ কয়েকটা “মাল” ওঠার কথা ছিল। এখনও একটাও ওঠে নি। বাস মালিবাগ থেকে মৌচাকের দিকে এগোচ্ছে। মৌচাক মোড়ে বাস থামতেই অবশেষে উঠল, সেই অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু – একটা খাসা মাল। সম্ভবত, নর্থ সাউথে পড়ে। উত্তর-দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়। তুহিন মনে মনে হাসল। এইসব আজগুবি নাম যে তারা কোথায় পায় আল্লাই জানে। নাম হচ্ছে তাদের কলেজের। রাজউক। সেইরকম ভাব! তুহিন মালটার দিকে তাকাল। খাসা চেহারা। এই প্রাইভেট ভার্সিটির মেয়েগুলো না…! এত সুন্দর কীভাবে হয়? দেখলেই ইচ্ছে করে টমেটোর মত...

এবারের মত বিশ্বাস করে নাও

এবারের মত না হয় বিশ্বাস করে নাও, তোমার জন্য, প্রবল বর্ষার মাঝেও আকাশ চিরে এনে দেব এক হাজার লাল গোলাপ। এবারের মত না হয় বিশ্বাস করে নাও, মৌচাক থেকে মালিবাগ রেলগেট অবধি ব্যস্ত সড়ক নিমেষেই ফাঁকা হবে। তোমার জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে নীলাকাশ এক্সপ্রেস মাঝ রাস্তায় থেমে থাকবে। এবারের মত না হয় বিশ্বাস করে নাও, এখন থেকে বছরের একটি দিনও থাকবে না বৃষ্টিহীন। আশ্বিন থেকে ভাদ্র প্রতিদিন হবে ইলশেগুঁড়ি। এবারের মত না হয় বিশ্বাস করে নাও, প্রতিবার মান ভাঙ্গানোর দায়িত্ব এবার থেকে আমিই নেব। অহর্নিশ জেগে থাকব তোমার অশ্রু ঝরা রোধে। তোমায় কষ্ট দেয়ার কথা ভুলেও ভাবব না। এবারের মত...

side effects of quitting prednisone cold turkey
clomid over the counter

পথ

“রা’আদ ভাই, গল্প তো আরেকটা লাগবে। হাজার দেড়েক শব্দের।” নির্ঝর ঘরে ঢুকতে ঢুকতে কথাটা রহমান রা’আদের দিকে ছুড়ে দিল। রা’আদ সাহেব অবাক হলেন না। নির্ঝরের কথা বলার ধরণই এমন। কোন ভূমিকা ছাড়া হঠাৎ কিছু নিয়ে কথা বলতে শুরু করবে। যেমনটা এখন করল। কারও বাসায় এলে দরজা খোলার পর সাধারণত অভিবাদনমূলক কিছু বলা হয়। ঘরের বাসিন্দা বলে ভেতরে আসতে। তারপর অতিথি ঘরে ঢোকে। নির্ঝর তার ধারে কাছে দিয়েও গেল না। কলিং বেল এ শব্দ করল। রা’আদ সাহেব দরজা খুললেন। আর অনুমতির অপেক্ষা না করেই মোটামুটি নির্দেশের স্বরে হাজার খানেক শব্দের একটা ছোট্ট গল্পের অনুরোধ করে নির্ঝর ঘরে ঢুকে গেল। রা’আদ সাহেব...

ঈশা খাঁ’র রাজধানীতে একদিন

তখন সদ্য এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ভর্তি কোচিংও পুরোদমে শুরু হয়ে গেল বলে। একবার মুরু হয়ে গেলে আর দম ফেলার ফুসরত পাওয়া যাবে না। তাই আগে ভাগেই তিন বন্ধু মিলে ঘুরে এলাম লোকশিল্প জাদুঘর, ঈশা খাঁ’র রাজধানী – পানাম নগর আর মেঘনার বুকে। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি আর দমকা হাওয়া, সেই সাথে শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্যের ছোঁয়া, সবটা মিলিয়ে অসাধারণ একটা দিন ছিল। সেই দিনের কিছু স্মৃতিই হাজির করলাম সভ্যদের সামনে।  

viagra en uk

বখাটে

গল্পটা আমি তোমাকে বলব। জানি এই গল্পটা শোনার কোন ইচ্ছে তোমার নেই। তুমি শুনবেও না। তবুও তোমাকে বলব। কারণ, গল্পটা আবর্তিত তোমাকে ঘিরে। গল্পটার শুরুতে তুমি এবং শেষটুকুও তোমার হাতেই। তবু বলছি, গল্পটা তুমি আগে শোন নি। গল্পটাকে তুমি চেন। কিন্তু, জান না এটা ঠিক কী? বিশ্বাস কর, শুধু তোমাকে গল্পটা শোনাব বলে সেই ধূলি-ধূসরিত পৃথিবী থেকে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে এই নিঃসীম অন্ধকারের জগতে এসেছি। গল্পটা ঠিক কোথা থেকে বলতে শুরু করব, আমি জানি না। আমি লেখক নই। খুব ভাল আড্ডাবাজও নই। গল্প বলে কাউকে মুগ্ধ করার ক্ষমতাও আমার নেই। খুব সাধারণ একটা ছেলে। ‘বখে যাওয়া’ শব্দ দু’টো দিয়েই...

metformin tablet

বাংলা কবিতায় ছন্দ ; কিছু প্রাথমিক আলোচনা

কখনও কবিতা আবৃতি করিনি, আমাদের মধ্যে এমন কাউকে হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে। কেউ হয়তো নিজে নিজেই আনমনে গুনগুন করে কবিতার লাইন আউড়েছি। আবার কেউ বা নিজেকে লুকিয়ে রাখার পক্ষপাতি ছিলাম না। স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাত পা নেড়ে নেড়ে আবৃতি করেছি – ভোর হল দোর খোল খুকুমণি ওঠো রে ওই ডাকে জুঁই শাঁখে ফুলখুকি ছোট রে। কিন্তু, কখনও কি খেয়াল করেছি, “ভোর হল” কিংবা “জুঁইশাঁখে” বলার পর নিজের অজান্তেই কিছুক্ষণের জন্য থেমে যাচ্ছি? কেউ কেউ হয়তো করেছি। কিন্তু, বেশিরভাগ এরই অবচেতন মনে ঘটেছে ঘটনাটি। এই থেমে যাওয়া থেকেই ছন্দের শুরু। ছন্দ বুঝতে হলে সবার আগে বুঝতে হবে মাত্রা। সহজ কথায়,...

অথচ…!

অথচ তোমাকে দেখার আগেও নাকি সূর্য উঠত!অথচ তখনও নাকি অদ্ভুত আঁধার ভেদ করে,সূচের মত আলোর দলবল চোখেদের বিদ্ধ করত!তখনও না’কি সূর্য ছিল, অালো ছিল; সুরময় অন্ধকার ছিল! কী অদ্ভুত!   তোমাকে দেখার আগেও না’কি দুপুর হত, বিকেল হত!অথচ তখনও না’কি সন্ধ্যা গড়িয়ে সাদাটে আকাশনিজের বুকে সূর্যকে বিদ্ধ করে আত্মহনন করত! অথচ আগেও না’কি লালচে রক্তে ছেয়ে যেত সন্ধ্যার আকাশ!কী অদ্ভুত! আর অস্বাভাবিক!অথচ তখনও পাহাড় ছিল, নদী ছিল, মেঘ ছিল, বৃষ্টি ছিল!অথচ তোমাকে দেখার আগেও নাকি মেঘ আর চাঁদ লুকোচুরি খেলত!কী অবিশ্বাস্য! তোমাকে দেখার আগেও না’কি জ্যোৎস্না হত!অথচ তখনও না’কি চন্দ্রালোক ধুয়ে দিত রাতের তমশাকে! কী সব রূপকথা শুনি আজকাল! আমি আড়ষ্ট! বিস্ময়ে...

আমায় শাস্তি দাও

আমি আজ তোমার কাছে শাস্তি প্রার্থনা করছি। আমায় তুমি ক্ষমা করোনা!   যদি আমার অপরাধ তোমার কাছে ক্ষমা যোগ্য হয় তবুও। আমিই যে তোমার হৃদয় হতে আসা সাড়ে সাত কোটি স্পন্দনকে… স্তব্ধ করে দিতে উদ্যত হয়েছিলাম নিজের জ্ঞাতসারে। আমার হৃদয়ে বারবার শেল-সম এসে বিঁধেছে, আমারই ছুড়ে দেয়া ছোট্ট বালুকণা। উদ্ভ্রান্তের মত ধ্বংস করে দিতে উদ্যত হয়েছিলাম, আমার মুক্তিদাতার নশ্বর দেহের প্রতিটি অংশকে। আমি বুঝতে অক্ষম ছিলাম তোমার হৃদয়ের অবিনশ্বরতা! ক্ষুদ্র সময়ের মোহে উদ্ভ্রান্তের মত আমাকেই ধ্বংস করে দিতে উদ্যত হয়েছিলাম। আমার কাছে আমার অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। আমি আজ তোমার কাছে শাস্তি প্রার্থনা করছি!   শেষ শ্রাবণের নীলাঙ্কিত আকাশ যখন বিচূর্ণ...

doctorate of pharmacy online
puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

মানবী

আপুলিয়াসের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা পূর্বক সেকালে হিমালয়ের ওপারে ছিল একটা ছোট্ট রাজ্য। কিন্তু, রাজ্য ছোট হলে কী হবে, সে রাজ্যের সৌন্দর্য কিন্তু ছোট ছিল না। সেখান দিয়ে বয়ে চলা ছোট্ট তটিনী নামের নদীটার পাড়ে যখন কেউ সন্ধ্যাবেলা বসে থাকত, তার মনে হত দিগন্তের আকাশ থেকে সূর্যটা গলে গিয়ে যেন নদীর পানিতে বয়ে যাচ্ছে। শীতল স্বচ্ছ জল বয়ে যেতে যেতে যখন দিগন্তে গিয়ে রক্তের মত লাল হয়ে যেত, তখন সেটা দেখে মনে হত, এই নদীর সৃষ্টি বোধহয় কুরুক্ষেত্র হতে। আর রাতের পর সকাল বেলা যখন সে রাজ্যের সব পাখি একসাথে কিচির মিচির করতে করতে খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে যেত, আর তার সাথে...

হে মহাকবি

হে মহাকবি, আমি অচ্ছুৎ একজন। তোমাদের বুর্জোয়া নগরে অনাকাঙ্ক্ষিত। আমি কবিতার মাঝে খুঁজে ফিরি সহজ জীবনবোধ। তোমরা আমায় উপহাস কর। দুঃখিত! আমি তোমার মত সুউচ্চ কেউ নই। আমি সাধারণ; অতি-সাধারণ। আমি প্রতিনিয়ত প্রতিটি শব্দের মাঝে সরলতা খুঁজে ফিরি। সাধারণ শব্দের অসাধারণত্বেই আমার সার্থকতা। তোমার গুরুগম্ভীর বজ্রনিনাদ তোমার কাছেই তোলা থাক; আর থাক তোমার মত যত উত্তরাধুনিক মহামানবদের কাছে। আমি সাধারণের গল্প বলব; আমি সাধারণের কবিতা লিখব; আমি যত সাধারণ অনুভূতিমাখা জলবিন্দু নিয়ে গড়ে তুলব এক অসাধারণ মহাসাগর। তুমি পোসাইডন হয়ে ক্ষুব্ধ বিস্ময়ে দেখবে, অতি-সাধারণ জলকণার অসাধারণত্ব। তুমি কবিতাকে সংকুচিত করে নাও যতটুকু পার_ তোমার মত মহাকবিদের কাছে। আমি; কবিতাকে ছড়িয়ে...

বৃষ্টিবিলাস অধ্যাদেশ

তারপর একদিন অধ্যাদেশ জারী হবে বৃষ্টি বিলাসের।   তারপর একদিন বৃষ্টি হবে। তারপর একদিন বৃষ্টি হলে, সহসাই সময়েরা স্থির হয়ে যাবে। স্যারের ঘুম পাড়ানি গান শুনতে শুনতে, সবচেয়ে দুষ্টু মে’টা সহসাই চমকিত হয়ে উঠবে প্রবল তর্জন গর্জনে। পুনরায় বৃষ্টি হলে সকলের জলস্নান বাধ্যতামূলক করা হবে। সবচেয়ে ঘরকুনো ছেলেটাই চুপিচুপি বারান্দা পেরিয়ে, দু’হাত বাড়িয়ে দেবে অঝোরেতে। বিল্ডিং পেরিয়ে চোখ বাড়াবে নীল বরণা তরুণীতে।   তারপর একদিন বৃষ্টি হবে। তারপর যেইদিন আকাশটা ভেঙ্গে যাবে, সকল স্কুল-অফিস-আদালত-কর্মক্ষেত্র অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত ঘোষণা হবে। কর্পোরেট স্বামী ঘরে ফেরার রাস্তায়_ নীল একটা গোলাপ কিনে নেবে সহসাই। সেই নীল গোলাপটা সাবিত্রিকে হাঁটু গেড়ে অর্পণ করবে, না...

nolvadex and clomid prices

তুই কি আমার গল্প হবি?

তুই কি আমার গল্প হবি? লালচে নীলাভ শব্দগুলোয় একটু আধটু ‘তুই’ মাখিয়ে শুভ্র খাতায় দিই ছড়িয়ে। সবটা মিলে অগল্প বা অপন্যাস আর যা খুশি হোক। দুত্তোরি ছাই! তবু শুধাই, তুই কি সেসব শূন্য কোটার সম্ভাবনায় শব্দ রংয়ে রাঙিয়ে যাবি? প্রবল জ্বরের আদ্যিখেতায় খুব বরষায় আকাশ থেকে জল আকারে শব্দ যদি নেমেই আসে, দু’হাত ধরে ভিজবি তাতে? চারটি হাতে শব্দ মিলাক এক আকাশে। একটু না’হয় টালমাটালই হলাম আমি। রাখিস ধরে। শব্দ সকল নিংড়িয়ে নিস দু’ঠোঁট রেখে এই অধরে। খুব বরষায় গল্প হবি? মিলিয়ে যাবি, গল্পখাতায়?

অসহায়

প্রথম বার যখন ওর নিথর দেহটা দেখলাম, বিশ্বাস করতে পারিনি। ওর সাথে আমার কখনও কথা হয়নি। শুধু শুনেছি ওকে নিয়ে। দীপকের কাছে, রাতুলের কাছে, রূপকের কাছে, হিমেলের কাছে… সবথেকে বেশি শুনেছি সোহেল, আমার ছোট ভাইয়ের মুখ থেকেই। কেউ ওকে কোনদিন ভাল বলেনি। তাই ওকে নিয়ে আমার নিজের ধারণাটাও খুব বেশি পরিচ্ছন্ন ছিলনা। মেয়েটার নাম শাড়িকা। আমাদের ফ্লাটের সামনের বিল্ডিংটায় থাকত। দেখতে খারাপ ছিল বলা যাবেনা। তবে ওকে কখনও সেভাবে দেখিনি। এলাকায় ভাল ছেলে হিসেবে আমার যেটুকু সুনাম ছিল সেটা টিকিয়ে রাখতেই বোধ হয় এমনটা করেছিলাম। পড়ালেখায় ও খুব ভাল ছিলনা। সেটা আমিও ছিলাম না। কিন্তু, ভদ্র ছেলেদের সবাই সবসময় ভাল... accutane prices

লুলামি রিটার্নস!

সাকিব সম্প্রতি কিঞ্চিত ক্যাচালে আছে। ক্যাচালের নাম কুলসুম; কুলসুম বানু। এই ভয়াবহুস্টিক ক্যাচাল তার গলায় মুক্তোর মালার মত যেই মহান ব্যক্তি ঝুলিয়ে দিয়েছেন, তিনি রবিন ভাই। রবিন ভাই ফেসবুকে নোট আকারে কিছুদিন পরপর চর্যাপদ টাইপের কিছু কিছু লেখা আপলোড করেন। সেই লেখার টাইটেলে থার্ড ব্রাকেটের মাঝে ‘গল্প’ লেখা থাকে বলে বোঝা যায় সেটা গল্প। যদি তিনি সেটা লিখে না দিতেন, তবে সেই লেখা ঠিক কী তার মর্মোদ্ধার করতে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে কবর থেকে উঠে আসতে হত। সাকিবের মাঝে মাঝে মনে হয়, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কেও যদি কখনও রবিন ভাইয়ের লেখা পড়তে দেয়া হয়, তবে তিনিও সিদ্ধান্ত নেবেন এসব চর্যাপদেরও আগে লেখা...

অধরা

এ জন্ম বাদ থাক। শুভ্র স্বপ্ন, স্বপ্ন হয়েই থাক। এবং মিলিয়ে যাক কৃষ্ণ গহ্বরে। এক জনমে কতটা একাত্ম হতে পারি? কতটা পৃথক? বড়জোর দুটো হাত ধরব দুজন। যদি খুব বেশি হয়, তোমার হৃদয় বিমূর্ত হয়ে হয়ে একদিন হয়ে যাবে আমার হৃদয়। এরচেয়ে বেশি কিছু, আরও একাত্মতা চাইতে পারি কি? পদার্থবিদ্যার নিয়ম বা অনিয়মে আরও আপন হব কি দুইজনে? জীবন জনমে? তারচেয়ে এ জনম বাদ থেকে যাক। মরে যাই দুইজনে। মরে যাক এ পৃথিবী এবং সূর্য আর সৌরজগৎ। অতপর গ্যাসমেঘ হয়ে তুমি আমি ছুটব নিরন্তর। আকাশগঙ্গা হতে অ্যান্ড্রমিডায়_ যত অণু পরমাণু তোমার আমার। নিযুত কোটি বছর পরে কোনোদিন যদি ভালবাসা ফিরে...

অবশেষে শূন্যতা

====================================================== মোবাইলটা অনবরত বেজে যাচ্ছে অনেকক্ষণ ধরে। রিসিভ করছি না। ঠিক করে বলতে হলে, রিসিভ করার সাহস পাচ্ছি না। কে কল করেছে, খুব ভাল করেই জানি; প্রিয়তা। আজকে সে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চায়। সে কি জানে না, এটা আমার জীবনে সবথেকে সহজভাবে নেয়া সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত! ====================================================== দিনক্ষণ আমার খুব ভাল মনে থাকে না। একবার একটা টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাঙালি বাঙালিয়ানা ভুলে যাচ্ছে’ টপিকে একটা রিপোর্ট করেছিল। আমাকে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘আজকে বাংলা কত তারিখ জানেন?’ বললাম, ‘জানি না।’ রিপোর্টারের মুখ খুশিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। আমি সাথে যোগ করলাম, ‘আমি কিন্তু আজকের ইংরেজি তারিখটাও জানি না।’ টুপ করে তার মুখে চন্দ্রগ্রহন...

অপেক্ষা

থাকলে থাকুক যন্ত্রণা সব পাথর চাপা একটা বুকেই। রৌদ্রভরা সুনীল দিনে রৌদ্রজলে বৃষ্টি নামুক বৃষ্টি কিংবা অশ্রু হয়েই। একটা শালিক যেমন করে খড় আর কুটো লালন করে নিলন বোনে, তেমন করে সাত পরতে কষ্ট জমুক, কষ্ট থাকুক খুব যতনে। না’হয় বারেক আঁখির জলে ধুয়ে দিলাম নিলয় আমার। কি আসে যায়! কি আসে যায়! কিই বা আসে যায়টা তোমার? না’হয় বারেক অচিন ক্রোধে থাকব চুপে পঞ্চবটী বনের কোণে। সীতার বেশে আসবে ফিরে? রাখব তোমায় খুব যতনে। দিচ্ছি কথা, যন্ত্রণা সব থাকুক চাপা। একটা পরত সুখকে পেলেই কষ্টেরা আর অশ্রুরা সব যায় মিলিয়ে এক আকাশের হাসির তোড়েই। শালিক পাখি একলা ঘরে শীত-শরতে...

acquistare viagra in internet