Author: aniruddho prasad

কৌলীন্য প্রথাঃ এবং অতঃপর

কৌলীন্য প্রথা যে কোনো জাতি বা গোষ্ঠী বা বর্ণ বা সম্ভ্রান্ত বংশ যারা সামাজিক সম্মান ভোগ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের সামাজিক অবস্থান এবং ‘কুল’ পরিচিতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। এ আকাঙ্ক্ষার পরিচয় পাওয়া যায় রামায়ণএর (খ্রিস্টপূর্ব দু শতক থেকে দু খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) সময় থেকে। তাই কুলীন অর্থ হলো উত্তম পরিবার বা সম্ভ্রান্ত বংশজাত। বাচস্পতি মিশ্র-এর মতে, এটি চিহ্নিত হয় আচার (শুদ্ধতা), বিদ্যা (জ্ঞান), বিনয় (শৃঙ্খলাবোধ), প্রতিষ্ঠা (শুদ্ধতার খ্যাতি), তীর্থ-দর্শন (তীর্থযাত্রা), নিষ্ঠা (কর্তব্যনিষ্ঠা), তপস্যা (কঠোর ধ্যান), আবৃত্তি (সমবর্ণে বিবাহ) এবং দান (উদারহস্ত) দিয়ে। সাধারণত এধরনের গুণাবলি দেখা যেত ব্রাহ্মণ পরিবারে, যদিও কায়স্থ এবং বৈদ্যগণ এসব গুণ অর্জন করে তাদের সম্পদ, শিক্ষা, উত্তম...

রাত্রির কাব্য

রাত্রি ইদানিং সর্ব শরীরে স্মৃতি মেখে বড়দীর্ঘ; বিছানায় মিশে নিস্পলক চোখে সিলিং ফ্যান দেখে। নরম ঘুমোতে চেয়েছিলে লোমশ বুকে হাতে হাত চুপরাত কাটাতে চেয়েছিলে চেয়েছিলে নোনাবালি সফর পায়ে পা মিলিয়ে। ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র সেই সব চাওয়া। দেওয়া হয়নি কিছুই। যাওয়ার আগে বলেছিলে ‘এক টুকরো মেসেজ দিও প্রতিরাতে শুভরাত্রি লেখা’। দেওয়া হয়নি সেটাও। এখন সারা সারা রাত পাতা ভরিয়ে শুভরাত্রি লিখি। মেঘে ঢাকা পূর্ণিমার চাঁদ কে শুভরাত্রি; শুভরাত্রি টবের শুকিয়ে যাওয়া রজনিগন্ধা কে; স্থবির বৃদ্ধ বাতাস, প্রাণহীন নিথর ডোবার জল, নীল শীতল নাইট বাল্ব জোনাকির আলো, পেঁচার ডাক সবাইকে শুভরাত্রি। যখন ঘুমের প্রতিক্ষায় ক্লান্ত আমার রাত; রক্তজবা চোখের পলক ধীরলয়ে বুজে...

একের ভিতর চার : দ্য বিলটস ও ফ্যাবুলাস ফোরের গল্প

বিটলদের বয়স কত? চাঁদের ওজন কত, জেনে কাজ আছে? চাঁদের কথা এল কারণ বিটলরা বিটল হওয়ার আগে যে-সব নামে ব্যান্ড বেঁধেছে, তার একটা নাম জনি অ্যান্ড দ্য মুনডগস। অর্থাৎ জনি (মানে জন লেনন) ও চাঁদ-কুকুররা। তখন বিটলস ড্রামবাদক রিংগো স্টার দলে ভেড়েনি। চাঁদ-কুকুর বলতে জন লেনন, পল ম্যাকার্টনি ও জর্জ হ্যারিসন। চাঁদের কথা আরও এল কারণ ১৯৬০-এর অগস্টে সেই যে প্রথম ‘বিটলস’ নাম নিয়ে চার মূর্তি (পরবর্তীতে ফ্যাব ফোর বা অবাক চার হিসেবে বিশ্ব তোলপাড় করা) জার্মানির হামবুর্গের লাল বাতি আখড়ার গান ধরল তা বলতে গেলে (সমরেশ বসুর ভাষা ধার করে) অমাবস্যায় চাঁদের উদয়। অমাবস্যা কেন? কারণ বিটলসদের ইতিহাস লিখতে...

তোমার উঠোনজুরে বৃষ্টি নামুক………

কত দূরে যাবে তুমি? চলে যাচ্ছো? যাও। কত দূর যাবে তুমি? যেখানে রাখবে পদ যুগল- সেটাই আমার দৃষ্টি ভূমি। যত সহজ ভাবছ চলে যাওয়া, ততো সহজ তা নয়। চলে গেলেও বুকে রয়ে যায় পুরনো স্মৃতি,বাজায় পিছুটানের সুর, যাও দেখি,যেতে পারো কত দূর!! ভোর সকালের চায়ের কাপে ভেজাচুলের দু’ফোটা জল কি মিস করবে না তুমি? দুপুরবেলা লাঞ্চে বসে একটি ফোন কলের অপেক্ষা কি তোমার বুকে বাজবেনা? বিকেলে বারান্দায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া উড়িয়ে খুঁজবেনা কি আমার কাজল আঁকা তীক্ষ্ণ দুটি চোখ? অথবা, মাঝ রাত্তিরে ঘুম ভেঙে তৃষ্ণা কাতর শরীরে কানে বাজবে না কি আমার অস্ফুট শীৎকার? কতদূরে যাবে তুমি? এই সব স্মৃতির...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
about cialis tablets

আমাদের ভবিষ্যৎ – কালের আয়নায় প্রতিবিম্ব।

আমরা কবিতা লেখি, গান গাই, সাহিত্য রচনা করি, প্রেমিক/প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদনও করি। শেষটা বাদে সব কিছুই বাংলায় চলে। আগের দিস্তা-দিস্তা কাগজ, খুচরো ডায়েরি, আর্ট পেপার আজ কিবোর্ডের দখলে। আমরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত থাকছি – ফেইসবুক,টুইটার,ইন্সটাগ্রাম, ভাইভার,ট্যাঙ্গ,মেজেঞ্জার,এডাল্ট সাইট আরো কত কী! বিজয় আর অভ্র (এন্ড্রয়েডে রেডমিক) আমাকে আপনাকে বাংলা লিখতে সাহায্য করছে না বলে দিচ্ছে বললে ভালো হয়। আমরা সাহিত্যিক হয়ে যাচ্ছি রাতারাতি, নাট্যকার হয়ে যাচ্ছি ঘন্টা পেরোনোর আগেই, অদ্ভুত আমাদের স্বভাব। একটা প্রেমপত্র লিখেই ছাড়পত্রে কি ভুল তা বের করা শুরু করি। ।।২।। ২০১৩ সালে গনজাগরণ মঞ্চের যাত্রা শুরু হলে ব্লগার বিরোধীদের চেহারা দেখা যায়। যদি আমি ভুল...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

মান্না দে’র কিছু গানের সুরকার, গীতিকার ও অন্যান্য

মান্না দের কিছু উল্লেখযোগ্য গানের শিরোনাম , গীতিকার ও সুরকার : 1. অনেক কথা বলেও (1986) কথা : গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর : সুপর্ণকান্তি ঘোষ 2. অনেক প্রশ্ন অজস্র হাততালি (1976) (সঙ্গে অনান্য) কথা : শ্যামল গুপ্ত সুর : নচিকেতা ঘোষ ছায়াছবি : হোটেল স্নোফক্স 3. অন্তর যার অথৈ সাগর (1980) কথা : পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুর : অজয় দাস ছায়াছবি : রাজধানী 4. অন্ধকারের অন্তরেতে (1977) কথা : হেমেন্দ্র কুমার রায় সুর : মান্না দে 5. অপবাদ হোক না আরো (1972) কথা : পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুর : মান্না দে 6. আকাশ পানে চেয়ে চেয়ে (1971) কথা : পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুর :...

posologie prednisolone 20mg zentiva

কিছু খনার (ক্ষনার) বচন

০১. পূর্ব আষাঢ়ে দক্ষিণা বয়, সেই বৎসর বন্যা হয়। ০২. মঙ্গলে ঊষা বুধে পা, যথা ইচ্ছা তথা যা। ০৩. পাঁচ রবি মাসে পায়, ঝরা কিংবা খরায় যায়। ০৪. বামুন বাদল বান, দক্ষিণা পেলেই মান। ০৫. বেঙ ডাকে ঘন ঘন, শীঘ্র হবে বৃষ্টি জান। ০৬. আউশ ধানের চাষ, লাগে তিন মাস। ০৭. খনা বলে শুন কৃষকগণ হাল লয়ে মাঠে বেরুবে যখন শুভ দেখে করবে যাত্রা না শুনে কানে অশুভ বার্তা। ক্ষেতে গিয়ে কর দিক নিরূপণ, পূর্ব দিক হতে হাল চালন নাহিক সংশয় হবে ফলন। ০৮. যদি বর্ষে ফাল্গুনে চিনা কাউন দ্বিগুণে। ০৯. যদি হয় চৈতে বৃষ্টি তবে হবে ধানের সৃষ্টি। ১০....

para que sirve el amoxil pediatrico

কিছু কথা, প্রসঙ্গ : প্রবাদ ও প্রবচন

কবে থেকে প্রবাদ -প্রবচন শব্দ শুনে আসছি মনে নেই। বইতে হু হু অনেক উদাহরণ আছে প্রবাদ প্রবচনের। এদের পার্থক্যটা কি? দেখতে শুনতে তো প্রায় একই রকম, তাহলে চলুন শুরু করি ——-। প্রবাদ নিয়ে ব্যাপক মন্থনের পর প্রবাদের কতকগুলো বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা যায় এভাবে- ০১. প্রবাদ হলো একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু পূর্ণাঙ্গ বাক্য। ০২. প্রবাদের উদ্ভবে লোকের বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে। ০৩. বাচ্যার্থ নয়, ব্যঞ্জনার্থই প্রবাদের অর্থ। এই অর্থে প্রবাদ রূপকধর্মী রচনা। ০৪. প্রবাদে বুদ্ধির বা চিন্তার ছাপ থাকে। ০৫. সংগীত গান করা হয়, ছড়া আবৃত্তি করা হয়, মন্ত্র বলা হয়, ধাঁধা ধরা হয়, প্রবাদ বাক্যালাপে, বক্তৃতায় অথবা লেখায় প্রসঙ্গক্রমে উচ্চারিত হয়। প্রবাদের...

viagra vs viagra plus
can you tan after accutane

সন্ধ্যা আর রাত্রির গল্প…..

সন্ধ্যা আর রাত্রি দুই বোন। বাবা দিনমজুর,মা নিয়তি। সন্ধ্যা আর রাত্রির বয়সের পার্থক্য মাত্র ১৩ মাস। সন্ধ্যা বড়, কিন্তু রাত্রি একটু বেশিই বুদ্ধি রাখে।লম্পটদের মন ভুলানো কথায় সন্ধ্যা কিছুটা নমনীয় হলেও রাত্রি ঠিকই বুঝতে পারে অভিসন্ধি। সন্ধ্যা যেখানে শেষ করে রাত্রি সেখান থেকে শুরু করে। খেতে বসলে তাদের দেখে মনে হয় মাঝখানে একটা অদৃশ্য দর্পণ ফেলানো আছে। একটু দুরের আত্মীয়রাই ভুলকরে ফেলে! এবার তারা এইচএসসি দিল।প্রশ্ন পেয়েছে সন্ধ্যা, আর রাত্রি প্রশ্ন দেখেই নি, নিছক মরীচিকা হবে ভেবে।পরীক্ষার হলে (বাংলা প্রথম পত্র) খাতার পরীক্ষা শেষ।এবারই কঠিন পরীক্ষা,৪০ মিনিটে ৪০ নম্বর !! নিজের মাথা থেকে ৩৫ টির উত্তর বের করতে পারল সে।...

গার্ডিয়ান সমস্যা

পাবলিক লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে হাটছে অনিরুদ্ধ। হঠাৎ তার চোখ গেল আর্টস বিল্ডিংয়ের পাশের রাস্তায়, একা একা হেটে যাচ্ছে ঊষা। প্রতিদিন অনিরুদ্ধ একা থাকলেও ঊষাকে এর আগে কখোনই দেখে নি অনিরুদ্ধ, সানজিদা নামের একটা মেয়ে ওর সাথেই থাকে…অনিরুদ্ধ জানে ঊষা ঢাকায় থাকে মামার বাসায়, মনিপুরীপাড়া। আজ অনিরুদ্ধেরও একটা কাজ আছে ফার্মগেট। ছিঁড়ে গেছে বেল্ট আর চয়ন মামার বার্থডে, অনেকদিন মামার সাথে দেখা হয় না অনিরুদ্ধের। অনিরুদ্ধের ইচ্ছা হলো ফার্মগেট যাবার কারন একটাই… যেহেতু গন্তব্য একই। বেশ কিছুদুর হেটেই বাসে উঠে বসল ঊষা।তারপর সামনের গেট দিয়ে উঠল অনিরুদ্ধ আর রাহাত, রাহাত অনিরুদ্ধের প্রায় সব খুঁটিনাটি জানে। দুর্ভাগ্য অনিরুদ্ধের, ঊষা ওঠার পূর্বে...

সাইয়েদ জামিল এন্ড ইট অল

বেশ সকালে ঘুম থেকে উঠে সম্পুর্ণ অপ্রস্তুত একটা সংবাদ দেখলাম, মি. *টি কবিকে পুরস্কৃত করেছে দেশের দ্বিতীয় *টি পত্রিকা, প্রথম আলো। আব্দুল কাইয়ুম স্যারের জন্য পত্রিকাটি আগে ভাল লাগলেও এখন আর লাগে না। উল্লেখ্য এই কবির নাম আমি আমার জীবনে আগে কখোনই শুনি নাই, কোন বড় ভাই, বোন বা ফেবু ফ্রেন্ড কেউ তাকে নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করেন নি, অথচ তিনি পুরস্কৃত! ” হায় পুরস্কার!” তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যথারীতি টর্নেডো বয়ে যাচ্ছে, যে যার মতো করে সমালোচনা করে যাচ্ছেন। এই মহান *টি লেখক কে দেখিবার স্বাদ হইল, সার্চ দিলাম। তার কবিতায় যা পেলাম তাতে আমার মনে হলো সে...

“বিশ্বকাপের চৌদ্দগুষ্ঠি – ১ম পর্ব”

প্রাপ্ত গবেষণা অনুযায়ী প্রখ্যাত  ভবিষ্যৎবোদ্ধা দাদা শুভংকরের  মতে, এ বিশ্বকাপে প্রথম হোচট  খাবে #নিউজিল্যান্ড। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি #স্কটল্যান্ড এর বিপক্ষে  হারবে তারা বলে ধারনা  দিয়েছেন তিনি। তিনি প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ফল পেয়েছেন। তিনি এও বলেছেন কাল তিনি গভীর পর্যবেক্ষণ করবেন এ বিষয়ে। আশার  বাণী হলো তার ভবিষ্যত বর্ণনায়  তিনি বলেছেন বাংলাদেশ ৫ টি  ম্যাচে জয়ী হবে এমনকি অষ্ট্রেলিয়ার সাথেও। বিষয়টি  আসলেই বেশ রোমাঞ্চকর, তিনি  তার গবেষণা লব্ধ খসড়া ফল আমার হাতে কিছুক্ষন আগে হস্তান্তর  করলেন। তা থেকে দেখা যায় যে  ভারত (!) সর্বোচ্চ ম্যাচ জিতবে, ৬টি!  এছাড়া অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ,  দক্ষিন আফ্রিকা ৫ টি করে ম্যাচ জিতে...

zoloft birth defects 2013

বিরহের আরম্ভ

কুহেলি ফুড়ে আকাশ জুড়ে উদয় হল রবি ! এমন দিনে বন্ধু বিনে কেমনে আঁকি ছবি ? মেঘের মাঝে সকাল সাঁঝে ভ্রমর খেলা করে , মাতাল সুরে বসে দূরে আমার হৃদয় হরে । ক্ষনিক পরে বৃষ্টি ঝরে পড়ল চোখের পাতায়, হৃদয় মাঝে ঘুঙুর বাজে মন যেন কি চায়। কষ্ট বারি পড়লো ঝরি সিক্ত হল ভূমি , সহস্র ফুল কেদে আকুল ! প্রিয়ার চরন চুমি । irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একদিন সব হবে………

একদিন সব হবে, ভোরে জানালা খুলে সেদিন দেখবো তুমি বাড়ির বড় রাস্তার পথে হাসিমুখে, ব্যালকনি থেকে যেন শুনতে পাব লাস্যময়ী তুমি ফাল্গুনের কুয়াশার নেশায় অভিমানে বলছ- ” ঘুম ভাঙলো তোমার ?” অথচ কত অনিদ্রায় রাত কেটেছে তুমি আসবে বলে। সে কথা জানা আছে আমার ঘরের সিলিং এর প্রতি কোণার, চুরি করা তোমার চুলের দোপাট্টা ক্লিপের, মুঠো মুঠো কতশত ঘুমের ওষুধের। থাক…. . তোমায় আমি সেটা বলবোনা। সেদিন হয়তো বাবাকে তার দুঃখ ভুলিয়ে দিব, যে দুঃখ বাবা পনের বছর পূর্বে- তার ছেলেকে কিছু একটা কিনে দিতে না পেরে, মনে ক্ষত নিয়ে বেঁচে ছিলেন। সেদিন হয়তো রাস্তায় দেখবো একটি মেয়ে নির্ভাবনায় রাস্তায়...

ইতিহাসের পাতা খুঁড়ে : চরমপত্র, পৃষ্ঠা ৩১৬…

যেভাবে শুরু করেছিলেন মুকুল সাহেব :- “”খাইছে রে খাইছে। আমাগো বকশি বাজারের ছক্কু মিয়া একটা জব্বর কথা কইছে। হেরে জিগাইলাম, ” আবে ছক্কু মিয়া, একদিন একদিন তোমারে মরতে হইবোই। তা আমারে কইবার পারো মরণের পর তুমি কি বেহেশতে যাইবার চাও, না দোজখে যাইবার চাও? ছক্কু মিয়া ম্যাচ বাত্তির কাঠি দিয়া দাঁত খোঁচাইতে খোঁচাইতে কইলো, ‘ভাইসা’ব আপনার কথার জওয়াব দেওনের আগে আমার একটুক কথা আছিলো। আচ্ছা কইবার পারেন মরনের পর- লাহোরের ফিলিম ইষ্টার নূরজাহান বেগম কোনহানে যাইবো? আমি কইলাম, ‘কীর লাইগ্যা- দোজখেই যাইবো।’ ‘ছবিহা কোন হানে যাইবো।’ মনে লয় এইডাও দোজখেই যাইবো। ছক্কু আমার দিকে Angle মাইরা জিগাইলো, ‘ভাইছা’ব এলায় কনদেহি...

জিহাদ ও একটি মৃত্যু

যে প্রযুক্তি Homo sapience চেনে না আমি তাকে ঘৃণা করি যে প্রযুক্তি ব্যবহারকারী প্রযুক্তি ব্যবহারের পদ্ধতি জানে না আমি তাকে ঘৃণা করি যে ফেসবুকাররা, মিডিয়াবাজরা একটি শিশু নিয়ে ফুটবল খেলে আমি তাদের মৃত্য কামনা করি। যাদের কাছে মৃত্য মানে কপালে ছিল আমি তাদের কপালে থু থু দেই, স্যান্ডেল পিটাই। যে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা মুহুর্তে মুহুর্তে ভোল পাল্টায় আমি তাদের অপসারণ কামনা করি, দ্রুত অপসারণ চাই। বি.দ্র. : লিখলেও কপিরাইট হওয়া উচিৎ নবারুণ ভট্টাচার্যের, কেননা “এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না ” অবলম্বনেই লেখা। যখন ওর মৃত্যু সংবাদ পাই তখন খেলার মাঠে, এটি একটি উপস্থিত প্রতিক্রিয়া; শিল্পগুণ নিয়ে টানাহেঁচড়া না করলে...

synthroid drug interactions calcium

অপূর্ণতা

আমাদের কোন ঘর ছিলো না বলে দেয়ালে কখনো ক্যালেন্ডার টানানো হয়নি, শখের ফুল দানীটা কোথায় রাখবো সেটা নিয়ে তোর আর আমার ভাবা হয়নি। আমাদের কোন ঘর ছিলনা তাই দুজনের স্বপ্ন বোনা জাল কখনো পূর্নতা পায়নি, ঘরের দেয়ালে দেয়ালে পোট্রেটগুলো লাগানো হলো না ঘর নেই তাই। আমাদের বিছানাটা অযত্নে পড়ে রইলো গোছানো হলো না আমাদের কোন ঘর নেই, বিছানা অগোছালো হয়নি তাই। অসময়ে গরম চায়ের পেয়ালা হাতে কবিতা শুনবো বলে তোকে জ্বালানো হলো না, কারন- আমাদের কোন ঘর হয়নি তাই! শোন তোকে নিয়ে রাত জাগবো বলে কত আয়োজন ছিল মনে, কতবার কতভাবে ভাবনাগুলোকে সাজিয়েছি, তোর সাথে রাত জাগবো বলে!! সেগুলো সব...

viagra en uk