Author: বিসমবাহু চতুর্ভূজ

বাংলদেশ হেরেছে, ভারত চুরি করে জিতেছে! বাণিজ্যের কাছে ক্রিকেট পরাজিত হয়েছে

আজকে ভারত—বাংলাদেশ ম্যাচ টা ব্যাক্তিগতভাবে অনেকাংশেই আমার কাছে পাতানো সাজানো গোছানো ভারতীয় রিয়েলিটি টিভি শো গুলোর মতো মনে হয়েছে। শুধু এ ম্যাচ না, এ গোটা ওয়ার্ল্ডকাপটাকেই কেনো যেনো আমার কাছে ভারতীয় বস্তাপঁচা টিভি রিয়েলিটি শো এর মতো মনে হইতেছে। যেগুলো তে আগে থেকেই উইনার—রানার্স আপ ফিক্সড করা থাকে। যেমনঃ, ঐ শো গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগী যতই ভালো পারফর্ম করুক লাভ নাই; চাবি থাকে শো ডিরেক্টরের হাতে, সেই হর্তাকর্তা, সে নানাভাবে টুইস্ট-সিমপ্যাথি সংযোজন ও কর্তন করে টিআরপি বাড়াইয়া শো পরিচালনা করে; একসময় ট্যাকাটুকা উইঠা গেলে শো খতম করা হবে। এখানে মাঝখান দিয়া লাভ টা কি হইলো বলেন তো দেখি?? লাভ হচ্ছে,...

রোমান্টিক থ্রিলারঃ ‘রাতগল্প’

‘রাতগল্প’ সিগারেটের পুড়ে যাওয়া ফিল্টার এ্যাশট্রে তে গুঁজে দিয়ে, হালকা ধোঁয়া ছেড়ে, মেয়েটির দিকে এবার খানিকটা দৃষ্টিপাত করে আবির। কিছুক্ষণ ধরেই বেশ তাড়া দিচ্ছে মেয়েটি, “হু, কি যেনো বলছিলেন?” “যা করবেন, তাড়াতাড়ি করেন?” মেয়েটির কথায় তেমন কর্ণপাত না করে বেশ শান্ত গম্ভীর গলায় পাল্টা প্রশ্ন আবিরের.. “আপনি কদ্দিন হলো এখানে আছেন?” “ক্যান?” “দরকার আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি?” “৩ বছোর” “হু” “কিন্তু আপনে এইগুলা দিয়া কি করবেন?” “কৌতুহল? জানার আগ্রহ বলতে পারেন!” কৌতুহলী দৃষ্টিতে চারপাশে চোখ বোলায় আবির। সিড়ি পেরিয়ে আরো ক ‘টা ঘরের সাথে লাগোয়া এ ঘরটা বেশ ছিমছামই বলা চলে। চার’তলা বাড়ির দোতলার এই মাঝারি আকারের ঘরের ভেতরকার...

wirkung viagra oder cialis
missed several doses of synthroid
doctus viagra

অনুগল্পঃ ‘নারী’

হসপিটালের বিছানায় হুশ ফিরতেই, ঝাপসা চোখে চারপাশের কঠিন বাস্তবতাগুলোকে বুঝে ফেলেছিলাম আমি। আশপাশের মানুষগুলির কটাক্ষ ভরা চাহনি আর মার সাথে সাদা পোশাকের নার্সের তিক্ত ব্যবহার হতাশার দীর্ঘশ্বাস গুলিকে শুধু দীর্ঘই করছিলো। বাঙ্গালী মেয়ের জীবন কত বিচিত্র তাই না? শৈশবের সদ্য বুঝ জ্ঞান হতে শুরু করেছে কি করেনি, শাসনের শেকল বেড়িটা এঁটে যায় পায়ে। এটা কোরোনা, সেটা কোরোনা, এটা তোমার নয়, ওখানে তোমার যাওয়া চলবে না। বেশ চোখে চোখে রাখা যাকে বলে। বয়সটা খানিক বাড়তে শুরু করেছে কি চারপাশের তীর্যক কথা কিংবা চাহনিগুলোও কেমন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে বন্দীশালার পরিধি আর ক্রমশ কমতে থাকে বাইরে বেরুবার পথ।...

kamagra pastillas
all possible side effects of prednisone

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,...

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

thuoc viagra cho nam

দুই প্রতারক

১.||…………… “না..না..না.. ইমপসিবল, এ আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভব না, তুমি ভাবলে কি করে মাত্র ১ লাখে আমি ওই বিজ্ঞাপনে কাজ করবো, আশ্চর্য্যওওও”, গলাখানা কিঞ্চিৎ উচুঁ করেই ননস্টপ এভাবেই ফোনে কাউকে ঝারি মেরে যাচ্ছিলেন মডেল শুমু। অপর প্রান্তে কে আছে বোঝা মুশকিল তবে এ প্রান্তে শুমু ছাড়াও আরো এক ব্যাক্তি যে উপস্থিত তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। হালকা ক্রোধ সহযোগে গলার স্বর খানিকটা উঁচু করে বলা কথাগুলো ফোনের ওপ্রান্তের বদলে এপ্রান্তের লোকটাকে শুনিয়ে ভালোমতো শক লাগিয়ে দেওয়ার প্ল্যান মোটামুটি সাকসেসফুল। পাশের সোফায় বসে অবাক বিস্ময়ে হা করে সেল্ফ ক্লেইমড সুপারস্টরের কথা শুনে চলেছে সে। উদাস বদন ও চোখ মুখের চাহনি দেখে অনুমান...

অসুস্থতা না টালবাহানা!

এদেশে সব ভালো কাজেই বিলম্ব হয়, নিজামীর ফাঁসি তেও যে এমনটাই হবে,সেটা মোটামুটি জানা কথা, অসুস্থতার অযুহাতে রায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন তো প্রথম শুনলুম মাইরি! হর্তাকর্তারা বলেনঃ ৪২ বছরের কলংক?? তা ধুয়ে পেলতে একটু তো সময় লাগবেই বটে(আলসেমির ভঙ্গিমায়).. তা তো লাগবোই, গোলাম আজমকে বসাইয়া খাওয়ানো হচ্ছে। হোক না আরেকটা! তার ক্ষেত্রেও একই রকম উপসর্গ দেখা গিয়েছিল প্রসাশনের! আজ হবে, কাল হবে, এরকম করতে করতে এরপর এমন হওয়া হয়েছে, যে, শেষমেষ তো গোলাম আজমের ফাঁসির দড়িটাই ছিড়ে গেল গলা থেকে, এবার আবার নিজামী অধ্যায় শুরু। কাঁদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর নিয়ে তো ভালোই লুকোচুরি হয়েছিল, তারপর তো একরকম পাবলিক ও...

zovirax vs. valtrex vs. famvir