Author: সুজানা আবেদীন সোনালী

গন্ধ: সম্পর্ক

“ছেলে.. যেখানেই যাও, হোক দূরত্ব অসীম.. পথের শেষে আমিই থাকব! আমার গন্ধই পাবে তুমি! আমাকেই দেখবে আবার, নতুন কোন সম্পর্কে….”   কে যেন একঘেয়ে স্বরে আবৃত্তি করছে কবিতাটা। মেয়েলী সেই কন্ঠস্বরে তাড়া নেই। নেই আবেগ কিংবা উত্তাপ। সেখানে ভয়াবহ নির্লিপ্ততা। আলো আঁধারির মাঝে ঘরের দেয়ালটায় লম্বাটে ছায়া পড়েছে কারো। কোন এক নারীর। সেই ছায়ামূর্তি মাথা দোলাচ্ছে। তার মাথায় লম্বা চুল। সেগুলো নড়ছে বাতাসে। এলোমেলো ভাবে। সেই সাথে ছায়াটা লম্বা হচ্ছে… হচ্ছে… আবৃত্তির শব্দ এখন আরও জোরালো। তীক্ষ্মস্বরে উচ্চারিত প্রতিটা শব্দ সরাসরি মস্তিষ্কে আঘাত করছে যেন! বাতাসে অদ্ভুত একটা গন্ধ ভেসে আসছে হঠাৎ। কর্পূরের গন্ধের মতো। নাকী লোবানের? কড়া। দম আটকানো।...

acne doxycycline dosage

অপয়া (শুভ্র-শৈল্পী|||)

ক্লাসে ঢুকতেই মেয়েটার দিকে দৃষ্টি গেল আমার। কেমন বিষণ্ণ ভঙ্গীতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে। যেন পৃথিবীর সমস্ত কর্মকান্ডে তার আগ্রহ শেষ। এখন শুধু হারিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা! আর তাতে বাধ সেধে বসে আছে এই বিরাট জানালা! মেয়েটা বরাবরই চুপচাপ। নিজের মত একলা থাকা লোকেদের দলে। নির্ঝঞ্ঝাট। ঝামেলামুক্ত। কারো সাতে কিংবা পাঁচে নেই। ঝগড়া কিংবা আড্ডায় নেই। এমনকি তার উপস্থিতি পর্যন্ত অনেকের কাছে অজানা ছিল বহুদিন। আমি তাকে আগে কখনোই লক্ষ্য করিনি। দরকার হয়নি আসলে। এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি,যাতে তার প্রতি কয়েকজোড়া চোখের দৃষ্টি পড়ে! আর সেই দৃষ্টি আটকে থাকে কিছুটা সময়! কিন্তু সেদিন ভিন্ন ঘটনা ঘটেছিল। এম্নিতে মেয়েটা ক্লাসে নিয়মিত।... can your doctor prescribe accutane

viagra en uk

“আয় মামণি,আয় আয়। কাছে আয়,লক্ষী মা আমার।” মহিলাটি কি আবেগ দিয়েই না ডাকছে! সবুজ মাঠটির ঠিক মাঝে দাঁড়িয়ে। দু’হাত সামনের দিকে বাড়ানো। “আয় আমার পরীটা! আম্মুনি তোকে একটু জড়িয়ে ধরি।” দৃশ্যপটে এবার একটি পিচ্চির আগমন ঘটল। ঠিক লালপরী যেন। না,দেবশিশু। খিলখিল করে হাসছে। আর টলমল পায়ে ছুটে যাচ্ছে,মায়ের কাছে। মহিলার মুখ খুশিতে ঝলমল করছে এখন। চাপা উত্তেজণা তার দৃষ্টিতে। এইতো আর কয়েকটা মূহুর্ত পরেই,শিশুটি তার আম্মুনির বাড়িয়ে ধরা হাতের মাঝে গিয়ে আশ্রয় নেবে। হঠাৎ কী যেন ঘটে গেল! কয়েকজোড়া কাল হাত এসে শিশুটিকে পথিমধ্যে ছিনিয়ে নিল। মহিলার বিস্ফোরিত চোখজোড়ায় একরাশ অবিশ্বাস। শরীর কাঁপছে থরথর করে। পরমূহুর্তেই বেচারী হাঁটু ভেঙ্গে পড়ে... can levitra and viagra be taken together

metformin synthesis wikipedia

“বন্ধ দরজা”

(১) দুপুর বারোটা। ঠিক মধ্যদুপুর। অদ্ভুত কোন কারণে তখন আকাশটা আয়নার মত হয়ে যায়। আর সে আয়নায় প্রতিফলিত হয় সূর্যের যত ক্রোধ। কাঠফাটা রোদ বলে একটা কথা প্রচলিত আছে,যে রোদে কিনা কাঠ ফাটে। কিন্তু আজকের রোদটাকে বলা যায় লোহাগলা রোদ। এ রোদে লোহা গলবে। তাছাড়া গ্রীষ্মকালের মধ্যদুপুরের আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। চারপাশে যেমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে,মরিচীকার জন্ম দেয়। তেমনি ভাবনাগুলো ও উল্টে পাল্টে যেতে থাকে। একটা আসে,আরেকটা সরে যায়। নতুন একটা আসেলে, আগেরটা সরে যায়। আর সগুলোর স্থায়ীত্ব ও খুব কম। কেমন যেন অস্থির তাড়াহুড়ার মধ্যে থাকে। তার মত।পীচঢালা রাস্তায় পা ফেলা যাচ্ছেনা,তবু সে ছুটছে। খালি পায়ে। গত কয়েকদিন ধরেইই এভাবে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

গন্ধ

“ডক্টর সাহেব,আমি না গন্ধ পাই।” “তা সবাই ই পায়। নাক থাকলে গন্ধ পাবেনা কেন? ওহ তুমি করে বলে ফেললাম। কিছু মনে করো না। আফটারঅল, বয়সে তুমি আমার অনেক ছোট হবে!” “তাতো বটেই! তবে জানেন কী…. উদ্দেশ্য ভাল হলে,যেকোন জুনিয়রকেই তুমি করে বলা যায়।”তুমি” বলার অনুমতি চাওয়া হচ্ছে নাটকীয়তা। কিংবা কারো সাথে ক্লোজ হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ।” “হুম.. বুঝলাম। তাহলে তোমার ধারনা…” “আমার কোন ধারনা নেই,ডক্টর সাহেব। যা মাথায় এসেছিল,তাই বললাম। পাগলের প্রলাপ ভেবে এড়িয়ে যান। আমার সমস্যাটা নিয়ে যেন কী বলছিলেন?” “বলছিলাম,নাক থাকলে গন্ধ পাওয়া স্বাভাবিক। তাইনা?” রুনু বিব্রতবোধ করে। ধীরে ধীরে বলে, “এটা ঠিক নাক দিয়ে পাওয়ার মত সাধারণ...

“শৈল্পী”

(১) “আর কদ্দিন রে শুভ্র? তোর মত একটা জিনিয়াস যদি……..” হতাশার তোড়ে তৃপ্তির কথা আটকে যায়। শুভ্র হেসে ফেলে বান্ধবীর অবস্থা দেখে। তার সামনে একটা পোর্টেট। তৃপ্তির দিকে তা ফিরিয়ে বলে,”দেখতো এবার।” “ওয়াও!!!” তৃপ্তি চেঁচিয়ে ওঠে হটাত! “এটা আমি? সত্যি আমি? আমি এত্ত মায়াবতী?” “মিথ্যে মিথ্যে ফুটিয়ে তুললাম আর কি!” খোঁচাটা এড়িয়ে তৃপ্তি বলল,”নিয়ে যাই? বাঁধিয়ে ঝুলিয়ে রাখব বসার ঘরে। পিক তুলে ফেবুতে ও দিব। লোকে ডাকবে,”তৃপ্তি দ্য মায়াবতী।” আহ ভাবতে ও আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছি। নিই?” “না……..সবার সাথে একত্রে নিস।” “মানে কী?” “রাহা,সান্জু,রুপা,সাদিয়া -এরা সবাই তোর আগে রিকোয়েস্ট করেছিল। তোকে আগে কীভাবে দিই?” “আমি এখনই চাই….. এখনই….. এখনই!” “না মানে...

“এই বালক……..এই!!!”

(১) বালকটিকে প্রথম খেয়াল করলাম ক্লাসে। একমনে পেন্সিল চিবুচ্ছিল। ভঙ্গীমা দেখে মনে হলো, পেন্সিল চিবুনোর উপর বুঝি নির্ভর করছে ওর জীবন-মরণ! বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকে গেলো। এই ছাগল কিনা আমার বায়োলোজি প্র্যাকটিকেলের পার্টনার! একটা সেরা অকর্মা। ছাত্র ভাল, হাতের লেখা আর বিচার-বুদ্ধি ও মোটামুটি মানের। তাই তাকে পার্টনার করার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলাম। আর এখন ইচ্ছে করছে তার চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বানাই। কিংবা হাড্ডি দিয়ে ঝুনঝুনি! তাতে যদি কিছুটা রাগ কমে আমার। চোখ বড় বড় শ্বাস নিলাম। রাগ নিয়ণ্ত্রন করতে চাইছি আসলে। চোখ খুলে দেখলাম, সে এখনও নীরিহ পেন্সিলের রস আস্বাদনে ব্যস্ত! আর পারলামনা নিজেকে সামলাতে। এগিয়ে গেলাম…….. “তুমি কি খুব ক্ষুধার্ত?”...

all possible side effects of prednisone